পোস্টগুলি

এ্যালোভেরার উপকারিতা দেখুন চমকে যাবেন....!

ছবি
এ্যালোভেরা প্রাচীর কাল থেকে অায়ুবেদ ফরমুলা এক পরিচিত নাম এর গুনাগুন..... বহুবিধ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। এটা ঠিক যে, এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী ছুঁচোলো, এই সবুজ উদ্ভিদ বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটির সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে এবং ভিন্ন জাত গোষ্টিরা এটি ব্যবহার করে আসছেন বহুকাল আগে থেকে। অনেকে এর জেল সৌন্দর্য -এর জন্যে ব্যবহার করেন, প্রাচীন গ্রীক’রা এটাকে ব্যবহার করছেন অনিদ্রা ও টাক থেকে নিরাময়ের জন্য, নেটিভ আমেরিকান’রা ঘৃতকুমারী বলা “ওয়ান্ড অভ দ্যা হ্যাভেন”। এলো ভেরা বা ঘৃতকুমারী অন্তত ছয়টি প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে থাকে, যা ছাঁচ,ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, এবং ভাইরাস হত্যা করতে সক্ষম। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এই উদ্ভিদ এইডস এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে খুব শক্তিশালী কাজ করে থাকে। ঘৃতকুমারী বা এলো ভেরা’র পাতার মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বি অংশটুকু সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়ে থাকে। আমি ব্লগার , তারপরও আপনাদের উপকারে আসতে পারে তাই এটি পোস্ট করলাম। ঘৃতকুমারী’র ৪০টি অসাধারন গুণাগুণ প্রসঙ্গোচিত ঘৃতকুমারীর ব্যবহারঃ- ১। ছোটখাট দুর্ঘটনা যেমন রান্নাঘরে পোড়া বা গরম পাত্রে হঠাত হাত দেওয়া চিকিৎসায়। ২। ...

রক্তস্বল্পতা কি...? ও এর প্রতিকার কি....?

ছবি
রক্তস্বল্পতা নিয়ে অামাদের সচেতনতা এবং ধারনার কিছুটা ভুল দেখাযায়, আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতাকে তেমন একটা গুরুত্বের সাথে দেখা হয়না। যদিও রক্তস্বল্পতা আপাত দৃষ্টিতে তেমন বড় কোন ক্ষতিকর রোগ না, কিন্তু রক্ত সল্পতার কারণে হৃদপিণ্ডের সমস্যা, নার্ভ সিস্টেম নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার সম্ভাবনা হয়ে থাকে। রক্তশূন্যতার সমস্যা যে কোন সময়, যে কোন বয়সেই হতে পারে। দেহে রক্তশূন্যতার কারণে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যায়। দেখা দেয় আরও নানা রকমের সমস্যা। দেহে রক্তশূন্যতার কারণে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হলো- ১। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ২। মাথা ঘোরা ৩। শ্বাসকষ্ট ৪। বুকে ব্যথা ৫। মাথা ব্যথা ৬। বেশি ক্লান্ত থাকা জেনে নিন রক্তশুন্যতা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়- দুধ: প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও প্রোটিন যোগাতে সাহায্য করে। দুধে আয়রন ও সব রকমের ভিটামিন বি-এর সাথে সাথে, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম আছে। এই খাদ্য উপাদানগুলো রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে রক্ত শূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। তাই রক্ত শূন্যতা রোগীদের জন্য নিয়মিত অন্তত এক গ্লাস করে দুধ খাওয়া প্রয়োজন। গরু ও...

স্বাস্থ্যকর কোনটি গরম দুধ নাকি ঠান্ডা দুধ....?

ছবি
দুধ স্বাস্থ্যকর সুপারফুড। ঠান্ডা হোক কিংবা গরম, দু প্রকারের দুধেই প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। তবে, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কোন দুধ বেশি উপকারী, তা স্বাস্থ্যর উপর নির্ভার করে তাই ডাক্তার এর সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই খান। ঠান্ডা দুধেরও উপকারিতা অনেক। প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য সমস্ত অ্যাসিড শুষে নিয়ে বদহজম হওয়া থেকে মুক্তি দেয়। সকালে ঠান্ডা দুধ খেলে সারাদিন শরীর হাইড্রেট থাকে। দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, পটাশিয়াম রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই দুধ গরম খেতে পছন্দ করেন। আবার কিছু মানুষ পছন্দ করেন ঠাণ্ডা দুধ। ঠান্ডা দুধ এবং গরম দুধের মধ্যে পার্থক্য আসলেই আছে কি। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে পাঠকদের জন্য রইলো কোন প্রকারের দুধ স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশি স্বাস্থ্যকর- গরম দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী- গরম দুধের সবথেকে বড় উপকারিতা হল, গরম দুধ খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে, ভালো ঘুমের জন্য খুবই উপকারী গরম দুধ। ঠাণ্ডা দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী- ঠাণ্ডা দুধেরও উপকারিতা অনেক। প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য সমস্ত অ্যাসিড শুষে নিয়ে ...

মেদ কমানর সহজ ও সঠিক ফরমুলা....!

ছবি
ব্যাম না করে মেদ কমাতে যা করবেন * প্রতিদিন তিন কোয়া রসুন: প্রতিদিন সকালে উঠেই খালি পেটে ২/৩ কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিন, এর ঠিক পর পরই পান করুন লেবুর রস। এটি আপনার পেটের চর্বি কমাতে দ্বিগুণ দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তাছাড়া দেহের রক্ত চলাচলকে আরো বেশি সহজ করবে এটি। * লেবুর রস: এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবু চিপে নিন, এতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। চিনি দেবেন না। এবার পান করুন প্রতিদিন সকালে। এটি আপনার দেহের বাড়তি মেদ ও চর্বি কমাতে সব চেয়ে ভালো উপায়। * চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না: মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার, কোল্ড ড্রিংকস এবং তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেকে দূরে থাকুন। কেননা এ জাতীয় খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষত পেট ও উরুতে খুব দ্রুত চর্বি জমিয়ে ফেলে। তাই এগুলো খাওয়ার পরিবর্তে ফল খান। * মশলা খান: রান্নায় অতিরিক্ত মশলা ব্যবহার করা ঠিক নয়। তবে কিছু মশলা ওজন কমাতে সাহায্য করে ম্যাজিকের মতো। রান্নার ব্যবহার করুন দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ। এগুলো আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাবে ও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। * মাংস থেকে দূরে থাকুন: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস যতটা সম্ভব এড়ি...

যৌনশক্তি বারাতে চাই....

ছবি
👌মধু:মধুর ব্যাবহার সেই প্রাচিন কাল থেকে যৌন বা কাম শক্তির জন্য মধু একটি প্রধান শক্তিধর ঔষধ বলে মনে করাহয়। রাতে ঘুমানোর অাগে ১০মিলি বা চা চামচের দুই চামচ এবং সকালে খালি পেটে ১০ মিলি বা চা চামচের দুই চামচ খাঁটি মধু খেলে উপকার পাবেন। এটা পরীক্ষিত। 👌রসুন যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়্ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷ প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম ...

ঘুম সম্পর্কে কি বলে বিশেষজ্ঞরা....?

ছবি
d ঘুম মানব দেহের জন্য অতি প্রয়জনিয়, অাজ অালচনার বিষয় ঘুম নিয়ে .... আজ বিশ্ব ঘুম দিবস। তাই এখানে ঘুম সম্পর্কে কী করবেন এবং কী করবেন না তা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ১. ঘুমের আগে গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিন এবং শ্বাস ছেড়ে দিন। এতে যাবতীয় মানসিক ও শারীরিক চাপ কমে আসবে। ঘুমের জন্যে দ্রুত প্রস্তুত হয়ে যাবে দেহ। আপনি টানা ৫ মিনিট ধরে হলকাভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারেন। ঘুম আসবে শিশুর মতো। ২. ঘুমের ঘণ্টাখানেক আগ থেকে সব গেজেট থেকে মুক্তি নিতে হবে। স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার, টেলিভিশন বন্ধ করে দিন। ঘুমের জন্যে প্রস্তুতি নিতে থাকুন। প্রযুক্তিযন্ত্র থেকে ব্লুলাইট বেরিয়ে আসে যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। এতে ঘুম চলে যায়। ৩. সঙ্গীত থেরাপি বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে হালকা মিউজিক শুনতে পারেন। হালকা মেজাজের সঙ্গীত থেরাপির মতো কাজ করে। যেমন- পাখির গান, জলপ্রপাতের শব্দ বা বনের শব্দ ইত্যাদি ঘুম আনে খুব দ্রুত। ৪. সুঅভ্যাসে মন দিতে হবে। উত্তেজনাপূর্ণ উপন্যাস কিংবা ধুম ধাড়াক্কা সিনেমা দেখে কিন্তু ঘুমের আমেজ নষ্ট হয়ে যায়। শান্তিপূর্ণ ঘুমের জন্যে দেহ-মনে শান্তি দরকার। ঘুম...

কালো বা ব্লাক টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লরতে সক্ষম...!

ছবি
টমেটো বলতে অামরা লাল টুকটুকে টমেটো চিনেথাকি। কালো বা ব্লাক টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লরতে সক্ষম...! ব্রিটেনে সবার প্রথমে এই কালো টমেটোর উৎপাদন হয়। মিউটেশনের মাধ্যমেই এই টমেটোর উদ্ভব বলে জানা যায়- ১. মনে করা হয় এই ধরনের বিশেষ টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তে সক্ষম। ২. বলা হয়, নিয়মিত কালো টমেটো খেলে হৃদয়ঘটিত সমস্যা দূরে সরিয়ে রাখা যায়। ৩. ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামও পাওয়া যায় এতে যা রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে। এককথায় রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। ৪. সুগারের সমস্যা সমাধানে কালো টমেটো আপনার পক্ষে উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। ৫. চোখের জন্য উপকারী এই টমেটো। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ঘাটতি পূরণ করে এটি। পৃথিবী অাজ মানুষকে নতুন জীবনের হাতছানি হোক কালটমেটো রোগ নিয়ন্ত্রণে এক অনন্য উৎস....!