পোস্টগুলি

মিউজিক থেরাপি কি..? এর প্রয়জনিয়তা কি..?

ছবি
মিউজিক থেরাপিঃ গান কার না পছন্দ বলুনতো...? মন ভালতো সব ভাল।কোন নির্দিষ্ট মিউজিক আমাদেরকে হাসিখুশি,মন খারাপ,সবল,সজিব আরামবোধ করতে সাহায্য করে তোলে। মিউজিক হচ্ছে শরীর ও মনের ঔষধ। মিউজিক আমাদের শরীরে করটিসল নামক হরমোনের মাত্রা কমিয়ে এনে চাপমুক্ত করে। বর্তমানে মানুষ ইনসমনিয়া ও হতাশাজনিত রোগে ভুগছে,তাই ঘুমানোর আগে মিউজিক শুনলে ভালো ঘুম হবে। একটি গবেষণায় প্রমানিত যে,মিউজিক গাড়ি চালানোর ভালো প্রভাব ফেলে।জ্যামে থাকাকালীন সময় হতাশা কাটিয়ে এটি মনকে ধীরস্থির করে এবং নিরাপদে গাড়ি চালাতে সহায়তা করে। মিউজিক কোনো কিছু শিখতে ও মনে রাখতে সাহায্য করে থাকে। সার্জারির আগে ও পরে রোগীদের মিউজিক শোনালে তাদের উদ্বেগ অনেকাংশে কাটানো সম্ভব হয়েথাকে। মিউজিক এনডরফিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে রোগীদের অস্বস্তি ও ব্যাথা কিছুটা হলেও লাঘব করে থাকে। মিউজিক ব্রেইনের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে ব্রেইনকে উত্তেজিত করে আলঝেইমার (স্ম্রিতিভংশ) থেকে অনেকটাই রক্ষা করেতোলে। মিউজিক স্ট্রোকের রোগীকে তাড়াতাড়ি আরোগ্য লাভে সহায়তা করেথাকে। মিউজিক ব্যায়াম করার গতি কম অথবা বৃদ্ধি, শারীরিক দক্ষতা, সহ্য ক্ষমতা ও লক্ষ্যবৃদ্ধিতে তাৎপর্...

অাচ্ছা বলুনতো সাগু বা সাবুদানা অাসলে কি....?

ছবি
সাগু বা সাবুদানা আসলে কি? সাগু বা সাবুদানা আমাদের খুব পরিচিত একটা খাবার। ছোটবেলা অসুখ হলেই সাগু খেতে হত। জ্বর হয়েছে আর সাগু খাননি এমন লোক খুব কমই আছে। প্রাচীন কালে সাগু রোগী বা বাচ্চাদের খাবারের তালিকায় থাকলেও বর্তমানে সাগুতেও আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে । আজকাল সাগু দিয়ে নানা ধরনের মজাদার ফালুদা, পায়েস , সুজি – সাগুর হালুয়া ছড়াও আলু ও অন্যান্য সব্জির সংগে পানিতে ভেজানো সাগু দিয়ে চপ ,বড়া তৈরি করা হয়। এটি শর্করার বেশ ভাল একটি উৎস। সাধারনত দেখতে ছোট ছোট সাদা দানাদার আকারের মুক্ত দানার মত। সাগুদানাকে ইংরেজিতে “সাগু পার্ল” বলে। কিন্তু কোথা থেকে আসে এই সাগু বা সাবুদানা। এটি কি কোন গাছে ধরে? নাকি একেবারেই হাতে বা মেশিনে তৈরি করা হয়? আমরা খুব কমজনেই এসকল প্রশ্নের উত্তর জানি। আসুন আমরা জানার চেষ্টা করে দেখি কোথা থেকে আসে এই সাগু। এক প্রকার পাম গাছ থেকে এই সাগু উত্পাদিত হয় যার বৈজ্ঞানিক নাম Metroxylon sagu. এই নামের Metroxylon শব্দটি গ্রিক Metro থেকে এসেছে, যার অর্থ “গাছের নরম অন্তসার” আর xylon অর্থ “কাঠ” থেকে এসেছে। এটি Arecaceae ফ্যামিলির একটি উদ্ভিদ। লম্বায় ৭ থেকে ১৭ মিটার পর্যন...

বেল এর স্বাস্থ্যকর যত গুন....

ছবি
বেল একটি স্বাস্থ্যকর উপকারি গ্রাম বাংলারর চির পরিচিত ফলের নাম।বেল কে হারবাল ফ্রুট বলা হয়ে থাকে এর জনপ্রিয়তা সরবত এবং পেটের সকল অসুখ সারাতে অতুলনীয়। বেল খাওয়ার উপকারিতা বেলে আছে এমন কিছু উপাদান যা খুব কম ফলেই পাওয়া যায়। আসুন আজকের লেখা থেকে জেনে নেওয়া যাক আমাদের শরীরে বেলের উপকারিতা।কি । বাজারে আমরা অনেক প্রকার ফলই কিনি। কিন্তু একটি ফল আমরা তেমন কিনি না সেটি হল বেল। বেল অনেকেই পছন্দ করেন না। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের দাবদাহে একটু বেলের সরবতে যেন প্রান জুড়িয়ে যায়। গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে বেলের সরবতের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলার নেই। কিন্তু শুধু পেট ঠাণ্ডা নয়, বেলের আছে আরও নানা রকম গুণ। যেগুলি আমরা তেমন জানি না। বেলে আছে এমন কিছু উপাদান যা খুব কম ফলেই পাওয়া যায়। যেমন এতে আছে প্রোটিন, শর্করা, থায়ামিন, ক্যারোটিন, নিয়াসিন ও আরও অনেক পুষ্টিগুন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক আমাদের শরীরে বেলের উপকারিতা। বেল হজমের সাহায্য করে গরমকালে প্রায়ই হজমের সমস্যা দেখা যায়। খাবার ঠিক মত হজম হয় না। তার ফলে বদহজম, গ্যাস, অম্বল, পেট ব্যাথা এসব সমস্যা লেগেই থাকে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি...

মাদকের থেকেও সর্বনাশা নেশা স্মার্টফোন....!

ছবি
মাদককে বলা হয় সর্বনাশা নেশা! কিন্তু মাদককেও ছাপিয়ে যাচ্ছে স্মার্টফোনের নেশা। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। ‘নিউরোরেগুলেশন’ নামে এক বিজ্ঞান–‌পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ক্রমশ একাকিত্ব, অবসাদ ও উদ্বেগের জন্ম দেয়। গবেষকদের দাবি, যোগাযোগ অটুট রাখতে স্মার্টফোনের ব্যবহার আজকের যুগে এড়ানো যায় না। কিন্তু এর অবিরাম সঙ্কেতবার্তা এবং ভাইব্রেশনের প্রতি আকর্ষণ বেড়েই চলে ব্যবহারকারীদের। মদের নেশার মতোই নতুন ই–মেল, টেক্সট মেসেজ বা ছবির আগমনবার্তা অস্বীকার করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। সান ফ্রানসিসকো স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক এরিক পেপার জানিয়েছেন, ব্যথার উপশমের জন্য অক্সিকনটিন জাতীয় পেনকিলারের ব্যবহার যেমন আফিম সেবনের মতো প্রভাব সৃষ্টি করে, তেমনই স্মার্টফোনের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করতে শুরু করে, যা নেশার জন্ম দেয়। গবেষকরা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় কাটালেও একই ভাবে তা একাকিত্বের জন্ম দেয়, সামাজিকতা নষ্ট করে। এ ব্যাপারে ১৩৬ জন ছাত্রছাত্রীর ওপর সমীক্ষা চালানো হয...

এ্যালোভেরার উপকারিতা দেখুন চমকে যাবেন....!

ছবি
এ্যালোভেরা প্রাচীর কাল থেকে অায়ুবেদ ফরমুলা এক পরিচিত নাম এর গুনাগুন..... বহুবিধ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। এটা ঠিক যে, এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী ছুঁচোলো, এই সবুজ উদ্ভিদ বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটির সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে এবং ভিন্ন জাত গোষ্টিরা এটি ব্যবহার করে আসছেন বহুকাল আগে থেকে। অনেকে এর জেল সৌন্দর্য -এর জন্যে ব্যবহার করেন, প্রাচীন গ্রীক’রা এটাকে ব্যবহার করছেন অনিদ্রা ও টাক থেকে নিরাময়ের জন্য, নেটিভ আমেরিকান’রা ঘৃতকুমারী বলা “ওয়ান্ড অভ দ্যা হ্যাভেন”। এলো ভেরা বা ঘৃতকুমারী অন্তত ছয়টি প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে থাকে, যা ছাঁচ,ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, এবং ভাইরাস হত্যা করতে সক্ষম। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এই উদ্ভিদ এইডস এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে খুব শক্তিশালী কাজ করে থাকে। ঘৃতকুমারী বা এলো ভেরা’র পাতার মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বি অংশটুকু সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়ে থাকে। আমি ব্লগার , তারপরও আপনাদের উপকারে আসতে পারে তাই এটি পোস্ট করলাম। ঘৃতকুমারী’র ৪০টি অসাধারন গুণাগুণ প্রসঙ্গোচিত ঘৃতকুমারীর ব্যবহারঃ- ১। ছোটখাট দুর্ঘটনা যেমন রান্নাঘরে পোড়া বা গরম পাত্রে হঠাত হাত দেওয়া চিকিৎসায়। ২। ...

রক্তস্বল্পতা কি...? ও এর প্রতিকার কি....?

ছবি
রক্তস্বল্পতা নিয়ে অামাদের সচেতনতা এবং ধারনার কিছুটা ভুল দেখাযায়, আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতাকে তেমন একটা গুরুত্বের সাথে দেখা হয়না। যদিও রক্তস্বল্পতা আপাত দৃষ্টিতে তেমন বড় কোন ক্ষতিকর রোগ না, কিন্তু রক্ত সল্পতার কারণে হৃদপিণ্ডের সমস্যা, নার্ভ সিস্টেম নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার সম্ভাবনা হয়ে থাকে। রক্তশূন্যতার সমস্যা যে কোন সময়, যে কোন বয়সেই হতে পারে। দেহে রক্তশূন্যতার কারণে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যায়। দেখা দেয় আরও নানা রকমের সমস্যা। দেহে রক্তশূন্যতার কারণে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হলো- ১। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ২। মাথা ঘোরা ৩। শ্বাসকষ্ট ৪। বুকে ব্যথা ৫। মাথা ব্যথা ৬। বেশি ক্লান্ত থাকা জেনে নিন রক্তশুন্যতা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়- দুধ: প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও প্রোটিন যোগাতে সাহায্য করে। দুধে আয়রন ও সব রকমের ভিটামিন বি-এর সাথে সাথে, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম আছে। এই খাদ্য উপাদানগুলো রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে রক্ত শূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। তাই রক্ত শূন্যতা রোগীদের জন্য নিয়মিত অন্তত এক গ্লাস করে দুধ খাওয়া প্রয়োজন। গরু ও...

স্বাস্থ্যকর কোনটি গরম দুধ নাকি ঠান্ডা দুধ....?

ছবি
দুধ স্বাস্থ্যকর সুপারফুড। ঠান্ডা হোক কিংবা গরম, দু প্রকারের দুধেই প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। তবে, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কোন দুধ বেশি উপকারী, তা স্বাস্থ্যর উপর নির্ভার করে তাই ডাক্তার এর সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই খান। ঠান্ডা দুধেরও উপকারিতা অনেক। প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য সমস্ত অ্যাসিড শুষে নিয়ে বদহজম হওয়া থেকে মুক্তি দেয়। সকালে ঠান্ডা দুধ খেলে সারাদিন শরীর হাইড্রেট থাকে। দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, পটাশিয়াম রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই দুধ গরম খেতে পছন্দ করেন। আবার কিছু মানুষ পছন্দ করেন ঠাণ্ডা দুধ। ঠান্ডা দুধ এবং গরম দুধের মধ্যে পার্থক্য আসলেই আছে কি। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে পাঠকদের জন্য রইলো কোন প্রকারের দুধ স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশি স্বাস্থ্যকর- গরম দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী- গরম দুধের সবথেকে বড় উপকারিতা হল, গরম দুধ খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে, ভালো ঘুমের জন্য খুবই উপকারী গরম দুধ। ঠাণ্ডা দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী- ঠাণ্ডা দুধেরও উপকারিতা অনেক। প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য সমস্ত অ্যাসিড শুষে নিয়ে ...