পোস্টগুলি

মেসতা জন্য সমাধান কি....!

ছবি
>>ন্যাচারাল কিছু ব্যবহার করে দেখতে পারেন যেমনঃপাকা পেঁপে চটকে সপ্তাহে দুই তিন দিন দিতে পারেন, নিয়ম গোসলের ৩০ মিঃ অাগে মুখে মেস্তার উপার লাগাবেন এর পরে শুকিয়ে গেলে গোসল করে ধুয়ে নিবেন। পেঁপের কয়েটা পিচ ফ্রিজে রেখে সপ্তাহ খানেক এভাবে ব্যাবহার করা জায়। >>মেছতার দাগ দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। সমপরিমাণ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং পানি একসাথে মিশিয়ে নিন। এর সাথে কিছু পরিমাণে মধু মেশান। (যেননঃ১চামচ অাপেল সাইডার/১চামচ পানি এবং অাদা চামচ মধু নিন।) এই মিশ্রণটি ত্বকের দাগের উপর ব্যবহার করুন। প্রতিদিন একবার করে ব্যবহার করুন। কিছুদিনের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পাবেন।

টাক মাথায় পুনরায় চুল গজানোর পরীক্ষিত ঔষধ ১০০% কার্যকর...!

ছবি
টাক নিয়ে চিন্তার সমাধান এটাই Trugain ট্রুগেইন ব্যবহার করে দেখতে পারেন অামার পরিচিত দুই জন এটা ব্যবহার করে উককৃত হয়েছে। মাথার যে স্থানে চুল পড়ে সেই স্থানে ড্রপার দিয়ে ১মি: করে দিনে ২ বার প্রয়াগ করতে হবে।প্রতিদিন সকালে ও রাত্রে দুইবার মাথার ত্বকের উপরিভাগে চুল হারানো অংশে প্রয়োগ করুন। এটি সম্পূর্ন রূপে শুকিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করার পর কমপক্ষে ৪ ঘন্টা সময় দিতে হবে। ট্রগেইন রাতে ঘুমাবার ২-৪ ঘন্টা পূর্বে ব্যবহার করতে হবে যেন এটি সম্পূর্নরূপে শুকিয়ে যায়। ট্রুগেইন ব্যবহার করার পূর্বে চুল ভালো করে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। নিয়মিত ব্যবহার করার পর সুফল পেতে অন্তত ৪ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।শরীরের অন্য কোন স্থানে ট্রুগেইন ব্যবহার করবেননা। ১৮ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশী বয়সের মানুষের ট্রুগেইন ব্যবহার করা উচিত নয়। অার ভাল ফল পেতে সাথে ই-ক্যাপ বা E-Vita,  ই-ক্যাপসুল খেলে উপকার পাবেন।

ডায়াবেটিকস এর ইনসুলিন কমানোর গোপন ফরমুলা...!

ছবি
ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বা ইনসুলিন কমাতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর অাগে তিন অাঙ্গুলের দুই চিমটি কালিজিরা একটা পানের সাথে খেয়েনিন।সকালে একই নিয়মে খালিপেটে পান ও কালিজিরা খান এবং একঘন্টা পর ব্রাশ করুন। একটানা ৩০ দিন এইভাবে খেতে হবে, এতে ইনসুলিন ৫০% কমে অসলে অারও ভাল ফল পেতে এক থেকে দুই মাস ব্যবহার করুন। বিঃদ্রঃ পান ও কালিজিরা খাবার পরে রাতে ব্রাশ করা জাবেনা।বারতি স্বাদের জন্য কিছু ব্যবহৃত করা জাবেনা। ভালোমতো ঘুম : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো করে ঘুমানো খুব জরুরি। ঘুমের সমস্যার কারণে ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুম কেবল এসব সমস্যাই নয়, মস্কিষ্ক শিথিল করে মানুষকে কর্মক্ষম রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। শারীরিক কার্যক্রম দেহে টিস্যুর সংবেদনশীলতা বাড়াতে কাজ করে এবং ওজন ঠিক রাখে। ব্যায়াম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মশা মারতে কামান ফিট করছেন....?

ছবি
বলুনতো মশার কয়েলের কাজকি..? মশা মারা না কি মশা তারান। অবাক হলেন অামার কথায় তাহলে লেখাটি অাপনার জন্য...! একটা মশার কয়েল একশ’টা সিগারেটের সমান ক্ষতি কর প্রভাব  ফেলছে অাপনার ফুসফুসে। যে দেশে হরলিক্স এর মত ব্রান্ড বি,এস,টি,অাই অনুমোদন হিন বছরের পর বছর মার্কেটিং করছে এমন কি এখন প্রয়জন মনে করেনা, সেখানে মশার কয়েল নিয়ে অালচনা বলতে পারেন এক ধরনের বৃথাতর্ক। নাকে তেল দিয় সচেতন মহল অচেতন হয়ে ঘুমাচ্ছে...! অনুসন্ধানে জানা যায়, বাজারে বর্তমানে দেড় শতাধিক ব্র্যান্ডের মশার কয়েল পাওয়া যায়। এর মধ্যে বিএসটিআই অনুমোদন আছে মাত্র ৪৫টির মতো ব্র্যান্ডের। এছাড়া অনুমোদন না থাকলেও বাকি এসব কয়েলে  বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করছে। সাথে এখন বাজারে রয়েছে নিম্নমানের বিভিন্ন বিদেশী কয়েল, যা অধিকাংশই আমদানি হচ্ছে চীন থেকে। এ নিত্যব্যবহার্য মশার কয়েল বিএসটিআই বাধ্যতামূলক তালিকায়ও রয়েছে। তা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত তদারকির অভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের মানুষ মারার বিভিন্ন কয়েল। বর্তমানে বাজারে মাষ্টার, নাইস গোল্ড, রকেট, বাওমা, মা হাই কোয়ালিটি (নীল ও কমলা রঙের প্যাকেট), এক্সট্রা পাওয়ার, বোস্টার, ল...

মিষ্টিকুমড়া এর স্বাস্থ্যকর গুন কি...?

ছবি
মিষ্টি কুমড়া একটি গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় সবজি বা তরকারী। বাংলাদেশের অাবহাওয়া মিষ্টি কুমড়া চাষের জন্য  অতি উত্তম। মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সর্দি-কাশি ও জ্বরের মতো অসুখ থেকে দূরে রাখে। কুমড়াতে স্বল্প ক্যালোরি আর প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফলে খাবার খুব দ্রুত হজম হয়। হজমের গণ্ডগোলে  কুমড়া খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর কুমড়া ক্যানসার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে মিষ্টি কুমড়া। কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ রয়েছে। ভিটামিন-এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চুল ও ত্বকের জন্যও উপকারী এটি। গাজরের তুলনায় কুমড়োতে বেশি পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে যা চোখের জন্য ভালো। কুমড়োতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন-সি যা অবসাদ, ক্লান্তি, ডিপ্রেশন দূর করে। মিষ্টি কুমড়ায় থাকা পটাসিয়াম ব্লাড প্রেশারের রোগীদের জন্য উপকারী। মিষ্টি কুমরা দামে সস্তা ফলে ধনি গরিব সকলের এটি ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। তাই প্রতিদিন অাপনার খাদ্যগুণে ভরপুর সবজী মিষ্টি কুমড়ো খেতে পারেন।

ডাবের পানির উপকারীতা কি...?

ছবি
স্বাস্থ্যকর পানি ডাবের পানি,  আমাদের অনেকেরই কাছে খুব প্রিয় পানিয়। পিপাসা নিবরনে ডাবের পানির জনপ্রিয়তা এত বেশী তা কিন্তু নয়  এর অাছে অনেক গুন এখন জেনে নিন এর উপকারিতা এবং কিছু সতর্কতা যা অবশ্যই মেনে চলা উচিতঃ >>ওজন কমায়ঃ ওজন কমাতে ডাবের পানি সহায়তা করে। এতে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল না থাকায় বেশী পান করা যায়। ডাবের পানি শরীরের চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। >>রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনেঃ ডাবের পানির প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদরোগেরঝুঁকি কমায়। এছাড়া ডাবের পানি শরীরের ভেতরে অতিরিক্ত সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। >>ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করেঃ ডাবের পানির মধ্যে এমন কিছু উপাদান (অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল) আছে যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রত্যেক দিন যেসব ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস আমাদের পেটে প্রবেশ করে তা ধ্বংসের জন্য এক গ্লাস ডাবের পানি খাওয়া যায়। >>হজমে সমস্যায়ঃ ডাবের পানি বদহজম , গ্যাসট্রিক , আলসার , কোলাইটিস , ডিসেন্ট্রি এবং পাইলসের সমস্যায় ...

অানারস এর স্বাস্থ্য গুন কি....?

ছবি
অানারস একটি স্বাস্থ্যকর জনপ্রিয় ফল।  সুস্বাদু রসাল মৌসুমী ফল আনারস, প্রতিবছরের এই সময়টায় ছোট-বড় আনারসে ভরে যায় বাজার। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসে নজর কাড়া সব আনারস। শুধু নজর কাড়া নয়, এই আনারসগুলো স্বাদেও বেশ অতুলনীয়। এই সময়ে আনারস খাওয়া শরীরে জন্য অত্যন্ত উপকারি। চলুন জেনে নিই আনারসের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা- আনারসের ১০টি উপকারিতা- পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস।আনারস একটি আঁশযুক্ত ফল যা থেকে প্রযোজনীয় ফাইবার বা আঁশ ও ক্যালরি পাওয়া যায়। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে: শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং আনারসে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য আনারস খুবই উপকারী। হাড় গঠনে: হাড় গঠন ও সবল রাখার জন্য আনারসের সুনাম আছে। কারণ হাড় ও কোষের টিস্যু বা কোষকলা গঠন কর...