পোস্টগুলি

বাঁধাকপির উপকারীতা কি...?

ছবি
বাঁধাকপি শীতের একটি অতি জনপ্রিয়  সবজি।  পুষ্টিবিদদের মতে প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে - খাদ্যশক্তি- ২৫ কিলোক্যালরি শর্করা- ৫.৮ গ্রাম চিনি- ৩.২ গ্রাম খাদ্যআঁশ- ২.৫ গ্রাম চর্বি- ০.১ গ্রাম আমিষ- ১.২৮ গ্রাম থায়ামিন- ০.৬৬১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন- ০.০৪০ মিলিগ্রাম নিয়াসিন- ০.২৩৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি৬- ০.১২৪ মিলিগ্রাম প্যানটোথেনিক অ্যাসিড- ০.২১২ মিলিগ্রাম ফোলেট- ৪৩ আইইউ ভিটামিন সি- ৩৬.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন কে- ৭৬ আইইউ ক্যালসিয়াম- ৪০ মিলিগ্রাম আয়রন- ০.৪৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম- ১২ মিলিগ্রাম ম্যাংগানিজ- ০.১৬ মিলিগ্রাম ফসফরাস- ২৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম- ১৭০ মিলিগ্রাম ওসোডিয়াম- ১৮ মিলিগ্রাম জিংক- ০.১৮ মিলিগ্রাম ফ্লুরাইড- ১ আইইউ পুষ্টিগুণের পাশাপাশি বাঁধাকপির রয়েছে নানান রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও। যেমন - -বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। বাঁধাকপিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিনই আছে। এতে রয়েছে রিবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি ও কে। বাঁধাকপি হাড় ভালো রাখতে সহায়তা করে। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও স...

দই কেন খাবেন...?

ছবি
দইঃ  হজমে সহায়তা করে বলে দই বিয়ে বাড়ী বা কোন অনুষ্ঠানের  খাবারের পরে এজন্য দই প্রচলিত প্রাচীন কাল থেকে উ,দই হজমে সহায়ক একটি খাবার, যাতে জীবিত ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বদহজমের ওষুধ হিসেব দইয়ের পরিচিতি রয়েছে।দই  ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে।দই পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের শুষ্কতাও দূর করে। অনেকেই ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য নানা ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন সেগুলোর পরিবর্তে নিয়মিত দই খেলে সন্তোষজনক উপকার পাওয়া যাবে। উচ্চরক্তচাপ দূর করে দই আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের (এএইচএ) হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ সায়েন্টিফিক সেশনে উপস্থাপিত একটি গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত ফ্যাটহীন দই খায়, তাদের উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ৩১ শতাংশ কম। নারীদের যৌনাঙ্গের সংক্রমণ  প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দই। এতে ল্যাকটোব্যাকিলাস অ্যাসিডোফিলাস নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে। হাড়ের জন্য উপকারী দই হাড়ের জন্যও খুব উপকারী। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার বলছে, প্রতি ২৫০ গ্রাম দইয়ে ২৭৫ মিলিগ...

শিম এর উপকারীতা কি

ছবি
শিমঃ অামাদের দেশে শীতকালের একটি জনপ্রিয় সবজি শিম। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকাতেই চাষ হয় শিমের। প্রতি ১০০ গ্রাম শিমে ৮৬ দশমিক ১ গ্রাম জলীয় অংশ আছে। এতে খনিজ উপাদান রয়েছে শূন্য দশমিক ৯ গ্রাম, আঁশ ১ দশমিক ৮ গ্রাম ও ক্যালোরি বা খাদ্যশক্তি রয়েছে ৪৮ কিলো ক্যালোরি। এছাড়াও শিমে ৩ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিন, ৬ দশমিক ৭ গ্রাম শর্করা, ২১০ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১ দশমিক ৭ মি.গ্রাম লৌহ পাওয়া যায়। এসব উপাদান ছাড়াও শিম জিঙ্ক, ভিটামিন সি ও নানা রকম খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ ।নিচে শিমের ১০ উপকারিতা জেনে নিনঃ- (১)গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর অপুষ্টি দূর করতে শিম বেশ উপকারী। (২)খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ হওয়ায় শিম চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। (৩) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। (৪) নিয়মিত শিম খেলে তা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। (৫)শিমে সিলিকনজাতীয় উপাদান থাকে যা হাড় সুগঠিত করে। (৬) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিম সাহায্য করে। (৭) নিয়মিত শিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে। (৮) শিমের ফুল রক্ত ...

ব্লগার মন্জু bloggermonju

ছবি
"অামার সম্পর্কে" অামি blogger monju অসত অসত্য এবং অন্যায়কারী যে হোক মাথা নত না করার এবং অন্যায়কে প্রতিহত করার জন্য শক্তিগড়ে তুলতে সদা প্রস্তুত অাছি। কারন অামি মানুষ রোবট নই সত্যর পথে তোমাদের সাথে। Blogger/Writer-এ শুরু করেছেন bloggermonju #অামার... বয়স... তখন...  ৭বছর, অামি... O.T (অপারেশন  থিয়েটার) থেকে...  বেরহলাম... অামার..  পাঞ্জাবিটায়...  রক্তের...  দাগ, বাবা..  কাঁদছেন..! অামিঃ বাবা তুমি কাঁদছো....? বাবাঃহাসলেন বল্লেনঃ এটা অানন্দ অশ্রু....! ঠিক এর- ১১ বছর পরে.. পরীক্ষার রেজাল্ট... পেলাম, বাবাঃঅাবার কাঁদলেন,  অামিঃবাবা তুমি কাঁদছো..? বাবাঃহাসলেন বল্লেনঃএটা  অানন্দ অশ্রু...! ঠিক.... কিছুদিন  পরে.. বাবা  অসুস্থ-হলেন অামি কাঁদলাম, বাবা..  সুস্থ-হলেন অামি হাসলাম, কিন্তু অামার অানন্দ অশ্রু বের হলনা। অবশেষে.. বুঝলাম.. বাবার.. ভালবাসার... গভিরতা  অামার... থেকে..  অনেক বেশী। অামি...  বাবা...

মেসতা জন্য সমাধান কি....!

ছবি
>>ন্যাচারাল কিছু ব্যবহার করে দেখতে পারেন যেমনঃপাকা পেঁপে চটকে সপ্তাহে দুই তিন দিন দিতে পারেন, নিয়ম গোসলের ৩০ মিঃ অাগে মুখে মেস্তার উপার লাগাবেন এর পরে শুকিয়ে গেলে গোসল করে ধুয়ে নিবেন। পেঁপের কয়েটা পিচ ফ্রিজে রেখে সপ্তাহ খানেক এভাবে ব্যাবহার করা জায়। >>মেছতার দাগ দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। সমপরিমাণ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং পানি একসাথে মিশিয়ে নিন। এর সাথে কিছু পরিমাণে মধু মেশান। (যেননঃ১চামচ অাপেল সাইডার/১চামচ পানি এবং অাদা চামচ মধু নিন।) এই মিশ্রণটি ত্বকের দাগের উপর ব্যবহার করুন। প্রতিদিন একবার করে ব্যবহার করুন। কিছুদিনের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পাবেন।

টাক মাথায় পুনরায় চুল গজানোর পরীক্ষিত ঔষধ ১০০% কার্যকর...!

ছবি
টাক নিয়ে চিন্তার সমাধান এটাই Trugain ট্রুগেইন ব্যবহার করে দেখতে পারেন অামার পরিচিত দুই জন এটা ব্যবহার করে উককৃত হয়েছে। মাথার যে স্থানে চুল পড়ে সেই স্থানে ড্রপার দিয়ে ১মি: করে দিনে ২ বার প্রয়াগ করতে হবে।প্রতিদিন সকালে ও রাত্রে দুইবার মাথার ত্বকের উপরিভাগে চুল হারানো অংশে প্রয়োগ করুন। এটি সম্পূর্ন রূপে শুকিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করার পর কমপক্ষে ৪ ঘন্টা সময় দিতে হবে। ট্রগেইন রাতে ঘুমাবার ২-৪ ঘন্টা পূর্বে ব্যবহার করতে হবে যেন এটি সম্পূর্নরূপে শুকিয়ে যায়। ট্রুগেইন ব্যবহার করার পূর্বে চুল ভালো করে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। নিয়মিত ব্যবহার করার পর সুফল পেতে অন্তত ৪ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।শরীরের অন্য কোন স্থানে ট্রুগেইন ব্যবহার করবেননা। ১৮ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশী বয়সের মানুষের ট্রুগেইন ব্যবহার করা উচিত নয়। অার ভাল ফল পেতে সাথে ই-ক্যাপ বা E-Vita,  ই-ক্যাপসুল খেলে উপকার পাবেন।

ডায়াবেটিকস এর ইনসুলিন কমানোর গোপন ফরমুলা...!

ছবি
ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বা ইনসুলিন কমাতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর অাগে তিন অাঙ্গুলের দুই চিমটি কালিজিরা একটা পানের সাথে খেয়েনিন।সকালে একই নিয়মে খালিপেটে পান ও কালিজিরা খান এবং একঘন্টা পর ব্রাশ করুন। একটানা ৩০ দিন এইভাবে খেতে হবে, এতে ইনসুলিন ৫০% কমে অসলে অারও ভাল ফল পেতে এক থেকে দুই মাস ব্যবহার করুন। বিঃদ্রঃ পান ও কালিজিরা খাবার পরে রাতে ব্রাশ করা জাবেনা।বারতি স্বাদের জন্য কিছু ব্যবহৃত করা জাবেনা। ভালোমতো ঘুম : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো করে ঘুমানো খুব জরুরি। ঘুমের সমস্যার কারণে ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুম কেবল এসব সমস্যাই নয়, মস্কিষ্ক শিথিল করে মানুষকে কর্মক্ষম রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। শারীরিক কার্যক্রম দেহে টিস্যুর সংবেদনশীলতা বাড়াতে কাজ করে এবং ওজন ঠিক রাখে। ব্যায়াম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।