পোস্টগুলি

ইফতার নিয়ে ভিন্নতা.....

ছবি
ইফতার এর ভিন্নতা...!!! মালয়েশিয়ান মুসলিমরা ইফতারের সময় হলে সামান্য পানীয় দ্বারা ইফতার করে মাগরিবের জামাতে অংশ নেন। মাগরিবের নামাজ আদায় করার পর মূল ইফতার গ্রহণ করে। তাদের ইফতারের আয়োজনে খেজুর, আপেল, আখরোট, গোশত, রুটিসহ আরো থাকে, ‘গুতরা মুন্ডি’ ও ‘বাদেক’ নামক বিশেষ খাবার। আর্জেন্টিনায় ইফতার ও সেহরিতে আরব সংস্কৃতির প্রাধান্য দেখা যায়। যেমন ইফতার আয়োজনে মিষ্টান্নের প্রাধান্য, খেজুর, দুধ ও সিমের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়। তিউনিশিয়ানরা ইফতারে খেজুর, দুধ ও কিসমিস খেতে পছন্দ করে। এছাড়াও থাকে বিভিন্ন ধরনের পিঠাও। সেহরিতে থাকে গোশতের যে কোনো আয়োজন। এছাড়া তারা রমজানে ‘রাফিসা’, ‘মাদমুজা’, ‘আসিদা,’ ‘বারকুকাস’ নামক বিশেষ খাবারের আয়োজন করে। কসোভোর মুসলিমরা ইফতারে ফলের জুস, পানীয় ও খেজুর অপরিহার্য মনে করে। সেই সঙ্গে ইফতারে কসোভোবাসীর সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার হলো- ‘বুরিক’ যা গরুর গোশতের কিমা দিয়ে তৈরি করা হয়। ভাজাপোড়া না খেয়ে তরল পানিয়র প্রধান্য দেয়ার মতামত স্বাস্থ্য সচেতন সকলের। 

মে দিবস কি...? কেন...?

ছবি
শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনের এই গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতি বছরের ১লা মে বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে আসছে "মে দিবস" বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস"। বাংলাদেশ এবং ভারতেও এই দিনটি যথাযথভাবে পালিত হয়ে আসছে। ভারতে প্রথম মে দিবস পালিত হয় ১৯২৩ সালে। বাংলাদেশ আই.এল.ও কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। বাংলাদেশে মে দিবস সরকারি ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃত। এখানে বেশ উত্‍সাহ উদ্দীপনার সঙ্গে মে দিবস পালিত হয় । আমেরিকা ও কানাডাতে অবশ্য সেপ্টেম্বর মাসে শ্রম দিবসপালিত হয়। সেখানকার কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়ন এবং 'শ্রমের নাইট' এই দিন পালনের উদ্যোক্তা। হে মার্কেটের হত্যাকান্ডের পর আমেরিকার তত্‍কালিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মনে করেছিলেন পয়লা মে তারিখে যে কোন আয়োজন হানাহানিতে পর্যবসিত হতে পারে। তাই ১৮৮৭ সালেই তিনি নাইটের সমর্থিত শ্রম দিবস পালনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন।

চিনি খেলে কি কৃমি হয়...?

ছবি
চিনি খেলে বা মিষ্টি খেলে কৃমি হবে বলে যে ধারণা প্রচলিত, তা ঠিক নয়। মিষ্টি বা চিনি খাওয়ার সঙ্গে কৃমির কোনো সম্পর্ক নেই। বরং নোংরা হাতে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কৃমি হবে। কৃমি হলে পায়ুপথ চুলকায় বলে শিশুরা সেখানে হাত দেয়। পরে আবার সেই হাত মুখে দেয়। এভাবেই সংক্রমণ ছড়াতে থাকে। তবে পায়ুপথ চুলকানো মানেই কৃমি সংক্রমণ নাও হতে পারে। কৃমি সংক্রমণের আরও উপসর্গ আছে। যেমন: ওজন না বাড়া, পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো, আমাশয়, অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি। গরমকালে কৃমিনাশক খাওয়া যাবে না এমন ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই। গরম, শীত, বর্ষা যেকোনো সময়ই কৃমিনাশক খাওয়া যাবে। তবে খাওয়ার পর বা ভরা পেটে খাওয়া ভালো। কৃমিনাশক নিরাপদ ওষুধ। এর তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কারও কারও পেট ফাঁপা বা বমি ভাব হতে পারে। অনেক সময় কৃমিনাশক খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার যে খবর পাওয়া যায়, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অজ্ঞতা ও কুসংস্কারজনিত। পানি অবশ্যই ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করবেন। শাকসবজি ও মাংস খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে ভালো করে হাত ধুতে হবে। শিশুদের খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর স...

মশা মারতে কামান না মশাই দরকার হবে...

ছবি
মশার আতংকে ভুগছে বিশ্ববাসী। বিশেষকরে উপমহাদেশে মশার উপদ্রবটা অবর্ণণীয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মশার কামড়ে বিশ্বে বছরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। যে কারণে মশা নিধনে নানা ধরণের প্রযুক্তি তৈরিতে ব্যস্ত বিজ্ঞানীরা। তবে মশা নির্মূল করতে এবার অদ্ভুত এক পরিকল্পনা নিয়েছে গুগল। তারা জানিয়েছে, মশা মারতে মশার আরও প্রজনন ঘটাতে হবে। বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট সম্প্রতি এমন অদ্ভুত কর্মপদ্ধতি ঠিক করছে। ২০১৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেস্নোতে মশার বংশ নিধনে ‘ডিবাগ প্রজেক্ট' নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছিল আলফাবেট পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সেই প্রকল্পে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গবেষণাগারে মশার উৎপাদন শুরু হয়। ওই গবেষণায় তৈরি করা হয় ওলবাখিয়া নামের ব্যাকটেরিয়ায় সংক্রামিত পুরুষ মশা। এসব পুরুষ মশাকে স্ত্রী মশাদের সঙ্গে মিলিত হতে ছেড়ে দেয়া হয়। এতে ওইসব পুরুষ মশার সংস্পর্ষে এসে স্ত্রী মশারা বন্ধ্যা হয়ে যায় এবং মশার বংশবৃদ্ধি আস্তে আস্তে কমে আসে। গত ছয় মাসে এ কার্যক্রমের অধীনে ডিবাগ ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেস্নোতে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি সংক্রামিত মশার জন্ম...
 অাপনি Payoneer সাইন আপ করুন $ 25 USD  পাবেন।  লিংটা দিলামঃ https://share.payoneer.com/nav/J5AgiYEQuIGr4y_TRhyo5py-xp5d-Qzf0WrbCmSy8ZAKJKBxB8ygObJA9QdQd-WFSeKBm_4JXghnmEie76eV1A2

মরিচ খাবেন কোনটি সবুজ নাকি লাল কাঁচা নাকি পাকা..?

ছবি
পাকা নাকি কাঁচাঃ মরিচ সাধারণত সবুজ থাকে। তবে যখন এটা শুকানো হয় তখন এটি লাল বর্ণ ধারণ করে। তখন এটা থেকে আরও তীব্র গন্ধ বের হয়। মরিচ শুকিয়ে লাল করা হলে এটি কিছুটা পুষ্টি উপাদান হারায়।কাঁচা মরিচ এবং শুকনা মরিচের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কোন মরিচ বেশি স্বাস্থ্যকর? ১. শুকনো মরিচের গুঁড়ার চেয়ে কাঁচা মরিচ যে স্বাস্থ্যকর এতে কোনও সন্দেহ নেই। কাঁচা মরিচে বেশি পানি থাকে এবং ক্যালরির পরিমাণ শূণ্য থাকে যা এটাকে বেশি স্বাস্থ্যকর করে তোলে। কাঁচা মরিচ বিটা ক্যারোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ইনডোরফিনসের দারুণ উৎস। অন্যদিকে শুকনো মরিচ বেশি খেলে পেপটিক আলসারের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া শুকনো মরিচে ব্যবহারকৃত কৃত্রিম রঙ শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ২. নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কাঁচা মরিচে থাকা ডিয়াটারি ফাইবার হজমে সহায়তা করে। ভিটামিন ই এবং সি’য়ের ভাল উৎস হওয়ায় কাঁচা মরিচ ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ৩. কাঁচা মরিচে থাকা বিটা ক্যারোটিন হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ৪. বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখায় কাঁচা মরিচ ওজন কমাতে...

উলঙ্গ নগ্নতা এখন বাংলাদেশের মানায়না...!

ছবি
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকষর্ন করছি। ময়মনসিংহের মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে থেকে উলঙ্গ মূর্তি সরানো হোক। নারীদের সম্মান হরণ করা হচ্ছে। আশা করি বিষয়টি বিবেচনা করে অতি দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহন করিবেন। এ সোনার বাংলায় এই অপসংস্কৃতি থাকতে পারেনা। খুব দ্রুততার সাথে মূর্তি অপসারণের দাবী জানাচ্ছি।