পোস্টগুলি

মিষ্টিকুমড়া এর স্বাস্থ্যকর গুন কি...?

ছবি
মিষ্টি কুমড়া একটি গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় সবজি বা তরকারী। বাংলাদেশের অাবহাওয়া মিষ্টি কুমড়া চাষের জন্য  অতি উত্তম। মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সর্দি-কাশি ও জ্বরের মতো অসুখ থেকে দূরে রাখে। কুমড়াতে স্বল্প ক্যালোরি আর প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফলে খাবার খুব দ্রুত হজম হয়। হজমের গণ্ডগোলে  কুমড়া খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর কুমড়া ক্যানসার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে মিষ্টি কুমড়া। কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ রয়েছে। ভিটামিন-এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চুল ও ত্বকের জন্যও উপকারী এটি। গাজরের তুলনায় কুমড়োতে বেশি পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে যা চোখের জন্য ভালো। কুমড়োতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন-সি যা অবসাদ, ক্লান্তি, ডিপ্রেশন দূর করে। মিষ্টি কুমড়ায় থাকা পটাসিয়াম ব্লাড প্রেশারের রোগীদের জন্য উপকারী। মিষ্টি কুমরা দামে সস্তা ফলে ধনি গরিব সকলের এটি ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। তাই প্রতিদিন অাপনার খাদ্যগুণে ভরপুর সবজী মিষ্টি কুমড়ো খেতে পারেন।

ডাবের পানির উপকারীতা কি...?

ছবি
স্বাস্থ্যকর পানি ডাবের পানি,  আমাদের অনেকেরই কাছে খুব প্রিয় পানিয়। পিপাসা নিবরনে ডাবের পানির জনপ্রিয়তা এত বেশী তা কিন্তু নয়  এর অাছে অনেক গুন এখন জেনে নিন এর উপকারিতা এবং কিছু সতর্কতা যা অবশ্যই মেনে চলা উচিতঃ >>ওজন কমায়ঃ ওজন কমাতে ডাবের পানি সহায়তা করে। এতে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল না থাকায় বেশী পান করা যায়। ডাবের পানি শরীরের চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। >>রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনেঃ ডাবের পানির প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদরোগেরঝুঁকি কমায়। এছাড়া ডাবের পানি শরীরের ভেতরে অতিরিক্ত সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। >>ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করেঃ ডাবের পানির মধ্যে এমন কিছু উপাদান (অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল) আছে যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রত্যেক দিন যেসব ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস আমাদের পেটে প্রবেশ করে তা ধ্বংসের জন্য এক গ্লাস ডাবের পানি খাওয়া যায়। >>হজমে সমস্যায়ঃ ডাবের পানি বদহজম , গ্যাসট্রিক , আলসার , কোলাইটিস , ডিসেন্ট্রি এবং পাইলসের সমস্যায় ...

অানারস এর স্বাস্থ্য গুন কি....?

ছবি
অানারস একটি স্বাস্থ্যকর জনপ্রিয় ফল।  সুস্বাদু রসাল মৌসুমী ফল আনারস, প্রতিবছরের এই সময়টায় ছোট-বড় আনারসে ভরে যায় বাজার। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসে নজর কাড়া সব আনারস। শুধু নজর কাড়া নয়, এই আনারসগুলো স্বাদেও বেশ অতুলনীয়। এই সময়ে আনারস খাওয়া শরীরে জন্য অত্যন্ত উপকারি। চলুন জেনে নিই আনারসের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা- আনারসের ১০টি উপকারিতা- পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস।আনারস একটি আঁশযুক্ত ফল যা থেকে প্রযোজনীয় ফাইবার বা আঁশ ও ক্যালরি পাওয়া যায়। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে: শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং আনারসে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য আনারস খুবই উপকারী। হাড় গঠনে: হাড় গঠন ও সবল রাখার জন্য আনারসের সুনাম আছে। কারণ হাড় ও কোষের টিস্যু বা কোষকলা গঠন কর...

ইয়াবা সেবনে শারীরিক ক্ষতি কি..?

ছবি
ইয়াবা সেবনে যেসব শারীরিক ক্ষতি হয় আপনার। >>মস্তিষ্কের সমস্যাঃ ইয়াবা সেবনে মস্তিষ্কের কিছু ছোট রক্তনালি নষ্ট হতে পারে। দীর্ঘদিন সেবনে অল্প বয়সেও ব্রেনস্ট্রোক করে প্যারালাইজড হওয়া বা চলাচলে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা ৯৫ শতাংশ। >>রক্তচাপ বেড়ে যায়ঃ ইয়াবা সেবন দ্রুত হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ জাগিয়ে তোলে। এছাড়া তীব্র মাথাব্যথা হয় বা মাথা ধরে। তাই ইয়াবা সেবন থেকে রিবত থাকুন। >>দৃষ্টিশক্তি কমে যায়ঃ চোখের মণি প্রসারিত (ডায়ালাইটেড) হয়। দৃষ্টি আস্তে আস্তে কমে যায় বা নষ্ট হয়। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না বা ভুলে যায়। কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায় বা আগ্রহ থাকে না। >>ক্ষুধা নষ্টঃ ইয়াবার মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হলো ক্ষুধা কমে যাওয়া বা ক্ষুধাহীনতা। ফলে আস্তে আস্তে ওজন কমে যায়। মাঝেমধ্যেই বুক ধড়ফড় করে, অস্থিরতায় ভোগে। বুকে ব্যথা বা হার্টের সমস্যা তৈরি হতে পারে। >>লিভার ও কিডনিঃ ইয়াবা সেবনের ফলে লিভারসিরোসিস থেকে লিভার ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। এছাড়া শরীরে একধরনের তাপ তৈরি হয়, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে। >>ফুসফুসের সমস্যাঃ নাক দিয়ে ধোঁয়া হিসেবে ব্যবহার করায়...

Malta মাল্টার স্বাস্থ্যকর উপকারীতা কি...?

ছবি
Malta মাল্টা আমাদের দেশে এখন খুবই জনপ্রিয় ফল। জনপ্রিয় এই ফলটির পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো অনেকেই জানি না।অাপনার স্ত্রীর সিজার এর পরে ডাক্তার বল্লেন মাল্টা খাতে দ্রুত ঘাঁ শুকাতে লাল্টা খুবই কার্যকর কারন ভিটামিন সি ঘাঁ শুকাতে কাজকরে। মাল্টাতে আছে, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি,। এগুলো ছাড়াও মাল্টাতে অাছে অনেক পুষ্টিগুণ । চলুন এবার জেনে নেই মালটার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে: ১।মাল্টা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস  সমৃদ্ধ উৎস। মাল্টা অাপনার ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে। মাল্টা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তুলতে কাজ করে। ২। এক গ্লাস মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। এটাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট হিসেবেও গ্রহণ করা যেতেপারে। ৩। মাল্টা ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম সেল প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ৪।...

Homosexuality সমকামিতা কি..? এটি কি মানষিক রোগ...?

ছবি
সমকামিতা শব্দটা অনেকের কাছে কম বেশি পরিচিতি,সমকামিতা  কি..? এটাকি রোগ...?  অাসলে সমকামিতা মুলত ইংরেজি শব্দ Homosexuality হোমোসেক্সুয়ালিটি যার বাংলা হচ্ছে , সমকামী । আমেরিকানরা ছেলে সমকামীদের বলে"Gay" গে আর মেয়েদের বলে" Lesbian" লেসবিয়ান । পৃথিবীর প্রায় সব দেশে সব যুগেই সমকামী"Gay" বা "Lasbian"কিছু লোক ছিল। যাদেরকে সেই শুরু থেকেই সবাই খারাপ  চোখে দেখে এসেছে । বিভিন্ন চার্চের নিদেশে ইউরোপে এক সময় অনেক Homosexuality বা সমকামীকে হত্যা করা হয়েছে । সমকামিতা বলতে মুলতে সম লিঙ্গের প্রতি "Sexual attraction"যৌন আকর্ষণ বোঝায়। এইরূপ আকর্ষণের কারণে একই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে যৌনসম্পর্ক ঘটতে পারে। প্রবৃত্তি হিসেবে সমকামিতা বলতে বোঝায় মূলত সম লিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি প্রণয় ঘটিত এক ধরনের যৌন প্রবণতা"। জিনগত, হরমোনগত এবং পরিবেশগত কারণ একত্রে যৌন অভিমুখীতা নির্ধারণের জন্য একজন মানুষ সমকামী হতে পারে । পৃথিবীতে যতোগুলো ধর্ম রয়েছে কোন ধর্মই এই সমকামিতাকে সমর্থন করে না । সেটি করে না এই কারণে যে,  Homosexuality যৌন চাহিদা পুরনের একটি...

চিনা-বাদাম কেন খাবেন...?

ছবি
 চিনা-বাদামঃ মুখরোচক  মজাদার খাবার চিনা-বাদাম, চিনা-বাদাম খুবই জনপ্রিয়।  স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে বাদাম শরীরের জন্য একটি উপকারী খাবার। বাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরে শক্তির যোগান দেয়, শরীরে ক্ষতিকর টক্সিনের পরিমাণ কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চিনা-বাদাম হৃদরোগের প্রতিরোধক হিসেবে অত্যন্ত উপকারী। চিনা-বাদাম রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। তাই অাজথেকে চিনা-বাদাম খেতে পারেন "No চিন্তা Do ফুর্তি "...! এছাড়া চিনা-বাদামে বিদ্যমান প্রোটিন শরীরের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে। চিনা-বাদামে রয়েছে পলিফেনোলিক নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি  হৃদরোগ, কোলন ক্যান্সার, স্ট্রোক, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস ঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে। চিনা-বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। চিনা-বাদাম শরীরের ওজন কমাতেও সাহায্য করে।  চিনা-বাদামের অনেক উপকারী পুষ্টিগুণ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে চিনা-বাদাম বেশি খেলে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বাদাম একটি আঁশ জাতীয় খাবার-তাই চিনা-বাদাম বেশি খেলে পেটে গ্যাসের সমস্...