পোস্টগুলি

স্ট্রোক চিকিৎসার নতুন গাছের সন্ধান..!

ছবি
স্ট্রোক সারাতে নতুন গাছের সন্ধান এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে জিঙ্কো বিলোবা নামে একটি গাছের ভেষজ নির্যাস স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্ক আবার কার্যক্ষম করে তুলতে সাহায্য করতে পারে। ব্রিটেনে কোন কোন দোকানে এই ভেষজ ওষুধ পাওয়া যায়। তবে চীনে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং অবসাদের চিকিৎসায় এই ভেষজ ওষুধ ব্যবহার হয়। চীনে ৩৩০জন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর ওপর ছয়মাস ধরে এক পরীক্ষামূলক চিকিৎসা চালিয়ে গবেষকরা দেখেছেন অসুখের পর যাদের এই ওষুধ দেয়া হয়েছে তাদের মস্তিষ্ক ভাল কাজ করতে পারছে। তবে কোন কোন বিশেষজ্ঞ বলছেন ওই রোগীদের মস্তিষ্কের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জিঙ্কো বিলোবা’র একার কাজ কিনা তা খুব জোর দিয়ে এখুনি বলা সম্ভব নয়। অনলাইন সাময়িকী স্ট্রোক অ্যাণ্ড ভাসকুল্যার নিউরোলজি যেখানে এই গবেষণার খবর ছাপা হয়েছে তারা অবশ্য স্বীকার করেছে এ ব্যাপারে আরো ব্যাপক ও আরো দীর্ঘ সময় নিয়ে পরীক্ষামূলক চিকিৎসা ও গবেষণা চালানো দরকার। চীনের পাঁচটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের নিয়ে নানজিং ইউনিভারসিটি মেডিকেল স্কুলে এই গবেষণা চালানো হয়। স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার এক সপ্তাহের মধ্যেই ওই ৩৩০জন রোগীকে এই ওষুধ খা...

চুইঝাল কি..?

ছবি
চুইঝালঃ বাংলাদেশে ক্রমশ জনপ্রিয়  হচ্ছে চুইঝাল। প্রাচিন বাংলার অায়ুবেদ শাস্ত্রে চুইঝাল লতা, মূল, ছাল-বাকল,ফুল ইত্যাদি রোগের চিকিৎসার ঔষধ হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যাবহার হয়ে অাসছে।চুইঝল একটি ঝাল স্বাদ যুক্ত লতা গুল্মজাতিয় উদ্ভিদ। এটি অাদ্র সমতল ভূমিতে বেশী জন্মে থাকে। প্রাচিন কাল থেকে চুইঝাল হারবাল ঔষধের কাচামাল এবং রন্দন মশলা হিসেবে পরিচিত। চুইঝাল বাংলাদেশের একটি অাঞ্চলিক মশলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল এসব জেলার চাষিদের কাছে এটি একটি অর্থকরী সমাদৃত মশলা। মাংস ও মাছ রান্নায় মশলা হিসেবে এর জুড়ি নেই। এটি  মুখরোচক মশলা, গায়ে ব্যথা উপশমে অব্যর্থ এবং হজমীকারক হিসেবে বেশ সহায়ক। <<>পরিচিতিঃ চুই লতা জাতীয় গাছ। এর কাণ্ড ধূসর লতানো  এবং পাতা পান পাতার মত সবুজ রঙয়ের। এর লতা বা কাণ্ডটিই মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চুইঝাল সাধারণত দুই প্রকার। একটির কাণ্ড আকারে বেশ মোটা (২০ থেকে ২৫ সেঃ মিঃ), অন্যটির কাণ্ড চিকন, (আকারে ২.৫ থেকে ৫.০ সেঃ মিঃ)। চুই গাছ ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত- লম্বা হয়ে থাকে। <<...

বাঁধাকপির উপকারীতা কি...?

ছবি
বাঁধাকপি শীতের একটি অতি জনপ্রিয়  সবজি।  পুষ্টিবিদদের মতে প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে - খাদ্যশক্তি- ২৫ কিলোক্যালরি শর্করা- ৫.৮ গ্রাম চিনি- ৩.২ গ্রাম খাদ্যআঁশ- ২.৫ গ্রাম চর্বি- ০.১ গ্রাম আমিষ- ১.২৮ গ্রাম থায়ামিন- ০.৬৬১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন- ০.০৪০ মিলিগ্রাম নিয়াসিন- ০.২৩৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি৬- ০.১২৪ মিলিগ্রাম প্যানটোথেনিক অ্যাসিড- ০.২১২ মিলিগ্রাম ফোলেট- ৪৩ আইইউ ভিটামিন সি- ৩৬.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন কে- ৭৬ আইইউ ক্যালসিয়াম- ৪০ মিলিগ্রাম আয়রন- ০.৪৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম- ১২ মিলিগ্রাম ম্যাংগানিজ- ০.১৬ মিলিগ্রাম ফসফরাস- ২৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম- ১৭০ মিলিগ্রাম ওসোডিয়াম- ১৮ মিলিগ্রাম জিংক- ০.১৮ মিলিগ্রাম ফ্লুরাইড- ১ আইইউ পুষ্টিগুণের পাশাপাশি বাঁধাকপির রয়েছে নানান রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও। যেমন - -বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। বাঁধাকপিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিনই আছে। এতে রয়েছে রিবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি ও কে। বাঁধাকপি হাড় ভালো রাখতে সহায়তা করে। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও স...

দই কেন খাবেন...?

ছবি
দইঃ  হজমে সহায়তা করে বলে দই বিয়ে বাড়ী বা কোন অনুষ্ঠানের  খাবারের পরে এজন্য দই প্রচলিত প্রাচীন কাল থেকে উ,দই হজমে সহায়ক একটি খাবার, যাতে জীবিত ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বদহজমের ওষুধ হিসেব দইয়ের পরিচিতি রয়েছে।দই  ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে।দই পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের শুষ্কতাও দূর করে। অনেকেই ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য নানা ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন সেগুলোর পরিবর্তে নিয়মিত দই খেলে সন্তোষজনক উপকার পাওয়া যাবে। উচ্চরক্তচাপ দূর করে দই আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের (এএইচএ) হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ সায়েন্টিফিক সেশনে উপস্থাপিত একটি গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত ফ্যাটহীন দই খায়, তাদের উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ৩১ শতাংশ কম। নারীদের যৌনাঙ্গের সংক্রমণ  প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দই। এতে ল্যাকটোব্যাকিলাস অ্যাসিডোফিলাস নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে। হাড়ের জন্য উপকারী দই হাড়ের জন্যও খুব উপকারী। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার বলছে, প্রতি ২৫০ গ্রাম দইয়ে ২৭৫ মিলিগ...

শিম এর উপকারীতা কি

ছবি
শিমঃ অামাদের দেশে শীতকালের একটি জনপ্রিয় সবজি শিম। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকাতেই চাষ হয় শিমের। প্রতি ১০০ গ্রাম শিমে ৮৬ দশমিক ১ গ্রাম জলীয় অংশ আছে। এতে খনিজ উপাদান রয়েছে শূন্য দশমিক ৯ গ্রাম, আঁশ ১ দশমিক ৮ গ্রাম ও ক্যালোরি বা খাদ্যশক্তি রয়েছে ৪৮ কিলো ক্যালোরি। এছাড়াও শিমে ৩ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিন, ৬ দশমিক ৭ গ্রাম শর্করা, ২১০ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১ দশমিক ৭ মি.গ্রাম লৌহ পাওয়া যায়। এসব উপাদান ছাড়াও শিম জিঙ্ক, ভিটামিন সি ও নানা রকম খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ ।নিচে শিমের ১০ উপকারিতা জেনে নিনঃ- (১)গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর অপুষ্টি দূর করতে শিম বেশ উপকারী। (২)খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ হওয়ায় শিম চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। (৩) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। (৪) নিয়মিত শিম খেলে তা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। (৫)শিমে সিলিকনজাতীয় উপাদান থাকে যা হাড় সুগঠিত করে। (৬) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিম সাহায্য করে। (৭) নিয়মিত শিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে। (৮) শিমের ফুল রক্ত ...

ব্লগার মন্জু bloggermonju

ছবি
"অামার সম্পর্কে" অামি blogger monju অসত অসত্য এবং অন্যায়কারী যে হোক মাথা নত না করার এবং অন্যায়কে প্রতিহত করার জন্য শক্তিগড়ে তুলতে সদা প্রস্তুত অাছি। কারন অামি মানুষ রোবট নই সত্যর পথে তোমাদের সাথে। Blogger/Writer-এ শুরু করেছেন bloggermonju #অামার... বয়স... তখন...  ৭বছর, অামি... O.T (অপারেশন  থিয়েটার) থেকে...  বেরহলাম... অামার..  পাঞ্জাবিটায়...  রক্তের...  দাগ, বাবা..  কাঁদছেন..! অামিঃ বাবা তুমি কাঁদছো....? বাবাঃহাসলেন বল্লেনঃ এটা অানন্দ অশ্রু....! ঠিক এর- ১১ বছর পরে.. পরীক্ষার রেজাল্ট... পেলাম, বাবাঃঅাবার কাঁদলেন,  অামিঃবাবা তুমি কাঁদছো..? বাবাঃহাসলেন বল্লেনঃএটা  অানন্দ অশ্রু...! ঠিক.... কিছুদিন  পরে.. বাবা  অসুস্থ-হলেন অামি কাঁদলাম, বাবা..  সুস্থ-হলেন অামি হাসলাম, কিন্তু অামার অানন্দ অশ্রু বের হলনা। অবশেষে.. বুঝলাম.. বাবার.. ভালবাসার... গভিরতা  অামার... থেকে..  অনেক বেশী। অামি...  বাবা...

মেসতা জন্য সমাধান কি....!

ছবি
>>ন্যাচারাল কিছু ব্যবহার করে দেখতে পারেন যেমনঃপাকা পেঁপে চটকে সপ্তাহে দুই তিন দিন দিতে পারেন, নিয়ম গোসলের ৩০ মিঃ অাগে মুখে মেস্তার উপার লাগাবেন এর পরে শুকিয়ে গেলে গোসল করে ধুয়ে নিবেন। পেঁপের কয়েটা পিচ ফ্রিজে রেখে সপ্তাহ খানেক এভাবে ব্যাবহার করা জায়। >>মেছতার দাগ দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। সমপরিমাণ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং পানি একসাথে মিশিয়ে নিন। এর সাথে কিছু পরিমাণে মধু মেশান। (যেননঃ১চামচ অাপেল সাইডার/১চামচ পানি এবং অাদা চামচ মধু নিন।) এই মিশ্রণটি ত্বকের দাগের উপর ব্যবহার করুন। প্রতিদিন একবার করে ব্যবহার করুন। কিছুদিনের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পাবেন।