পোস্টগুলি

ধর্ম: হিজাবের সৌন্দর্য দেখে ইসলামের পথে.....

ছবি
হিজাবের সৌন্দর্য দেখেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি এবং বেছে নিয়েছি পরিপূর্ণ হিজাব।লায়লা হোসাইন বলেছেন, ‘মুসলমানদের সম্পর্কে সব সময়ই এক ধরনের ভীতশ্রদ্ধা ছিল আমার মধ্যে। আমি এভাবেই বড় হয়েছি। কিন্তু আমি সব সময়ই হিজাব পরা মুসলিম নারীদের প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। তাদের পবিত্রতা ও বিনম্রতা আমাকে মুগ্ধ করত।’ তিনি বলেছেন, ‘কোরআন ছিল আমার প্রথম অনুপ্রেরণা। যেসব সাক্ষ্য-প্রমাণ আমি পেয়েছি তা থেকে বুঝতে পেরেছি যে, ইসলাম সত্য ও খাঁটি ধর্ম। কারণ, এ ধর্ম সব নবী-রাসুলকেই শ্রদ্ধা করে। আর আমার দৃষ্টিতেও এটা খুবই যৌক্তিক।ধীরে ধীরে আমার কাছে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামের শুধু বাহ্যিক দিক নয়, আছে অভ্যন্তরীণ দিকও। তাই ভেতর থেকেও ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।’ লায়লা হোসাইন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘হিজাব পরার মাধ্যমে আমি নিজেকে অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছি-এই ভেবে আমার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। কারণ, ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ। স্কার্ফ বা ওড়না মাথায় দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যাওয়া এ দেশে নিষিদ্ধ, ফলে হিজাবধারীকে সামাজিক অনেক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। শুধু বিশেষ পোশাক পরার কারণে আমি আমার সামাজিক জীবনকে বিপদাপন্ন করেছি...

দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার ৬ পরামর্শ মেনে চলুন......

ছবি
পরামর্শ ১০৫ বছর বয়সে মারা যান জাপানি এই চিকিৎসক। দীর্ঘজীবন ধারণে তাঁকে একজন বিশেষজ্ঞ মানা হয়। তাঁর পরামর্শেই গড় আয়ুর দিক থেকে জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। বেশি দিন বেঁচে থাকার জন্য তাঁর কিছু পরামর্শ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বিশেষ করে হিনোহারার ছয়টি পরামর্শ— প্রথম পরামর্শ: যত দেরিতে সম্ভব কর্মজীবন থেকে অবসর নিন। জাপানি এই চিকিৎসক নিজে মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও কর্মজীবনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর এই পরামর্শ খুবই কার্যকর। সাধারণত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অবসর নেওয়ার পর যেন তাঁদের বার্ধক্য হু হু করে বাড়ে। দেখা দিতে থাকে নানা অসুখ-বিসুখ। কাজ মানুষের বার্ধক্য আটকে রাখে। দ্বিতীয় পরামর্শ: ওজনের দিকে খেয়াল রাখো। দিনে একবার খাও। ডিনারে মাছ ও সবজির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। মাংস অবশ্যই খেতে হবে। তবে সপ্তাহে দুবারের বেশি নয়। জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল) খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শরীরের ত্বক ও শিরা-ধমনি ভালো রাখার জন্য জলপাই তেল ভালো কাজ করে। তৃতীয় পরামর্শ: আনন্দে সময় কাটাও। অতিরিক্ত নিয়মকানুনের চাপে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শৈশবে খাবারদাবারের অনিয়ম সত্ত্বেও শরীর অসুস্থ হয় না। কেন? কা...

উপহার পেলেন ৫০ লক্ষ টাকা বদিউজ্জামান সরদার...

ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুঁতে রাখা বোমার খোঁজ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা পেলেন চায়ের দোকানদার বদিউজ্জামান সরদার। বদিউজ্জামান সরদার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেখা করলে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ৫০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। ২০০০ সালের ২০ জুলাই। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভা করার কথা ছিল। কিন্তু সেদিনের সভাস্থলে হুজি নেতা মুফতি হান্নান ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। তবে তার সেই চেষ্টা সফল হয়নি। জনসভার আগেরদিন সকালে সভাস্থলের পাশের চায়ের দোকানদার বদিউজ্জামান সরদার পুকুরে চায়ের কেতলি ধুতে গিয়ে একটি তার দেখতে পান। আশপাশের লোকজনকে ডেকে বদিউজ্জামান সেই তারটি দেখান। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছুটে আসেন। শুরু হয় তল্লাশি। সন্ধান মেলে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা। সে যাত্রায় বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কেটে গেছে প্রায় ১৮টি বছর। বদিউজ্জমান সরদার শত চেষ্টা করেও শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পরপর তিনবার আওয়া...

Dodo ডোডো পাখির হারিয়ে যাওয়া গল্প.....

ছবি
Dodo হারিয়ে যাওয়া ডোডো পাখির অজানা রহস্য হ ডোডো ১৬শ শতাব্দীতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এক বিস্ময়কর পাখির নাম। এরা বসবাস করতো ভারত মহাসাগরের মরিশাস দ্বীপে। ওলন্দাজ নাবিকরা এই দ্বীপে পৌঁছানোর একশো বছরের মধ্যেই এরা বিলুপ্ত হয়। ফলে বিস্ময়কর এ পাখি সম্পর্কে অনেক কিছুই থেকে যায় মানুষের অজানা। বর্তমানে গবেষকরা ইতিহাসের বিভিন্ন সূত্র এক সুতোয় গেঁথে খুঁজে চলেছেন উড়তে অক্ষম এ পাখির হারিয়ে যাওয়ার রহস্য। ডোডো পাখির শেষ দেখা মেলে ১৬৬২ সালে। গবেষণার জন্য কোনো জীবিত ডোডো পাখির অস্তিত্ব বর্তমানে নেই। তবে থেকে গেছে এর দেহাবশেষ। এই পাখির কংকাল সংরক্ষিত মরিশাসের জাদুঘরে। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা ডোডো পাখির হাড় নিয়ে গবেষণা করে খুঁজে চলেছেন এই অসহায় পাখির অজানা কথা। চেষ্টা চালাচ্ছেন এদের সম্পর্কে আরো কিছু জানতে। দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব কেপটাউনের এমনি এক গবেষণায় জানা যায়, এদের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার সম্পর্কিত কিছু বিস্তারিত তথ্য। ১৫৯৮ সালে ওলন্দাজ অভিযাত্রী এডমিরাল উইব্রান্ড ভ্যান ওয়ারুইজকের মরিশাস অভিযানে প্রথম ডোডো পাখি সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে। তিনি এর নাম দেন ‘ওয়াগ্লভোগেন’ অর্থাৎ...

oolong Tea ওলোং চা...

ছবি
ওলোং চা (Oolong Tea) ওলোং চা নামটা হয়তো নতুন মনে হচ্ছে তাইনা এটি মুলত বিশেষ  চা। ওলোং চা এক ধরনের ঐতিহাসিক চায়নিজ ভেষজ চা। ভেষজ চায়ের মধ্যে এর মধ্যে রয়েছে দ্বিতীয় মাত্রায় অধিক পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট। চীন বাদে মোটামুটি অন্যসব দেশে এটিও দূর্লভ প্রকৃতির চা। ওলোং শব্দটির অর্থ হচ্ছে ব্ল্যাক ড্রাগন। ওলোং চায়ের পাতার অক্সিডেশন বা ফার্মেন্টেশনের উপর এর রং বা গন্ধ পরিবর্তন হয়। একে পুরোপুরি ফার্মেন্টেশন করা হয় না। ফার্মেন্টেশনের রং পরিবর্তন হওয়ার আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে এর স্বাদ বেশ কড়া থাকে ও ক্যাফেইন কম পরিমাণে থাকে। তাই শরীরের মেদ ঝরাতে ওলোং চা খুবই উপকারী।

সেক্স হরমন ঠিক রাখতে

ছবি
প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপযোগী চীনাবাদামে খাদ্যশক্তি- ০.৫৬৭ কিলোক্যালোরি, আমিষ- ২৫.৮ গ্রাম, শর্করা- ১৬.১৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ৯ মিলিগ্রাম, লৌহ- ২৫ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম- ১৮ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম- ৭০৫ মিলিগ্রাম রয়েছে। চীনাবাদামে ক্যারোটিন ও ভিটামিন ই বিদ্যমান। চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা, কুমড়োর বীজ,ইত্যাদি যৌন সেক্স হরমোন গুলো ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

Oatomo ওয়েটোমো কি...?

ছবি
ওয়েটোমো শব্দটি এসেছে মাওরি ভাষার থেকে “ওয়ে” অর্থাৎ জল,”টোমো” অর্থাৎ গর্ত।১৮৮৮ সালে ফ্রেড মেস এবং লোকাল মাওরি চিফ টেন টিনোরাওয়ের এক খোঁজের ফলে এই গুহাগুলির আবিষ্কার হয়। মোমের আলোয় একটি ভেলার ওপরে একটি ছোট্ট নদীর মধ্যে দিয়ে যাওয়া হয় যা ক্রমশঃ মাটির নিচে চলে গেছিল।তাদের যাত্রাপথে ছোট্ট ছোট্ট তারার মত ঝিলমিলানো আলোর দেখা পান তারা গুহার ওপরে সিলিঙে যা তাঁদের মুগ্ধ করে। আরো কিছুদূর যাবার পরে তাঁদের চোখে পরে লাইমস্টোন যা বিভিন্ন সাইজ ও শেপয়ের ছিল। আবিষ্কার– তাঁরা এর পরেও বহুবার ওই গুহায় গেছিলেন এবং চিফ টেন ওই গুহার ওপরের দিকে অন্যতম প্রবেশদ্বারটির খোঁজ পান যা বর্তমানে দর্শকদের ওই গুহায় প্রবেশপথ।১৮৮৯ সালে টেন টিনোরাও ও তাঁর স্ত্রী এই গুহাটি দর্শকদের জন্য খুলে দেন কিছু অর্থের বিনিময়ে।১৯০৬ সালে সরকার কতৃক এটি গৃহীত হয় এবং ১৯১০ সালে ওয়াইটোমো কেভস্ হোটেল তৈরী করা হয় দর্শকদের জন্য। ১৯৮৯ সালে এই গুহাটি আবার টেনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তাঁদের বংশধরগণ এর ম্যানেজমেন্ট ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অর্জিত লাভের একটা অংশ ভোগ করেন। ভৌগলিক গুরুত্ব— ভৌগলিক ও আগ্নেয়গিরির দ্বারা সৃষ্ট এই গ...