পোস্টগুলি

ছাদে বাগানের কথা....

ছবি
 ছাদে বাগান করা নতুন না হলেও এটি অনেকের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি সখের নাম ।  ছাদে পলিথিন বিছিয়ে তারপরে মাটি বিছিয়ে , ড্রাম কেটে মাটি ভরে, অথবা টব দিয়ে সাজিয়ে দিন গোটা জায়গা। বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙের টবের জুড়ি নেই। সবুজের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে লাল, নীলের মতো গাঢ় রঙের টব বাছাই করুন। তবে গাছের ধরন অনুযায়ী টব, ড্রাম, পট কিংবা কনটেইনার বাছাই করতে হবে। ফলের গাছের জন্য বড় ড্রাম কিংবা কনটেইনার যেমন জুতসই, তেমনি ফুল বা সবজি টবেই মানানসই। তবে যে ধরনের পাত্রই বাছাই করুন না কেন, তার তলায় কিছু খোয়া দিলে ভালো, তাহলে পানি নিষ্কাশন ও বাতাস চলাচল সহজ হয়ে থাকে। না হয় বাগান করার শখ শিকেয় তুলতে হবে। আর ছাদে বাগানের জন্য সূর্যের আলো কিংবা গরম সহ্য করতে পারে— এমন  প্রজাতির দ্রুত বর্ধনশীল গাছ বাছাই করা ভালো হয়। বাগানের মাঝখানে বসার জন্যএকটি চেয়ার অার সম্ভব হলে ঘুমাতে পারেন এমন একটি বিছানার ব্যবস্থা করতে পারেন ।  বাগানের একপাশে সোফা কিংবা দোলনা বসাতে পারেন। সেখানে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে চা কিংবা কফি খেয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন সন্ধ্যার পুরোটা সময়। সবুজের ম...

কলমি শাকের রচনা সমগ্র

ছবি
গ্রাম বাংলার অতি পরিচিত  ও জনপ্রিয়  একটি শাকের নাম বলতে গেলে প্রথমে বলতে হয় কলমি শাকের কথা কলমিশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কলমিশাকের পাতা ও কাণ্ডে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ থাকে । এই আঁশ খাদ্য হজমে এবং পরিপাক ও বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে থাকে । কলমিশাক খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য জনিত সমস্যা  প্রকটভাবে অাছে যেমন টয়লেট করতে ৩০/৪৫মি: সময় লাগে তাদের জন্য কলমি শাক একটি অতুলনীয় খাবার। কলমি শাকের পুষ্টি গুনঃ প্রতি ১০০ গ্রাম কলমি শাকে পাওয়া যায় প্রায় ২৯ কিলোক্যালোরি, সোডিয়াম ১১৩ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৩১২ মিলিগ্রাম, খাদ্যআঁশ ২.১ গ্রাম, প্রোটিন ৩ গ্রাম, কর্বোহাইড্রেটস ৫.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ ২.৫ মিলিগ্রাম, জলীয় অংশ ৮৯.৭ গ্রাম।  কলমি শাকের উপকারিতাঃ ১) কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে বলে এ শাক হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে থাকে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কলমি শাক খাওয়ালে হাড় মজবুত হয়েথাকে। ২) কলমি শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি'। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এ...

পেটে গ্যাস হলেও মানুষ কিন্তু মোটা হয়....!

ছবি
অাপনি কতটা খেতেপারেন সেটা কোন বিষয় নয়, বরং কতটা হজম করতে পারেন সেটাই ভাবার বিষয়।       ওজন কমানোর জন্য  কি অনেক চেষ্টা করছেন...? কিন্তু কিছুতেই কোনো কাজ হচ্ছে না...? বরং আপনি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন..? মনে রাখবেন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো কত ভাল খাবার হজম হচ্ছে.....! আপনি হয়তো ডায়েট মেনে এমন কিছু খাবার খাচ্ছেন যাতে আপনার মনে হলো ওজন কমবে। কিন্তু দেখা গেল সেই খাবার একেবারে আপনার সহ্য হচ্ছে না। যার ফলে আপনার ওজন বেড়েই চলেছে। মনে রাখবেন পেটে গ্যাস হলেও মানুষ কিন্তু মোটা হয়। তবে দেখে নিন পেটের কী রকম সমস্যায় ওজন কমছে না আপনার। অ্যাসিডিটি এখন এই সমস্যায় কে না ভোগেন। আর এই সমস্যা কিন্তু হয় আমাদের খাদ্যাভাস থেকেই। বুকজ্বালা, বমি, পেটে ব্যথা এগুলোর পেছনে রয়েছে অ্যাসিড। এখান থেকেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। তখন ওজন কমানো আরো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আলসার দীর্ঘদিন ধরে অ্যাসিড হতে হতে অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ফলে অল্পেই ইনফেকশন, অ্যাসিড হয়। আর আলসার হলে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে খাবার খেতে হয়। এতেই ওজন বেড়ে যায়। ব্যাকটেরিয়া জন্মায় খাবার থেকেই পেটের যাবতীয় সমস্যা হ...

রোজা ভঙ্গর কারন সমূহ.....

ছবি
রোজা ভঙ্গ হয় যে সকল কারনে ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে। ২. স্ত্রী সহবাস করলে । ৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)। ৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে। ৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে। ৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে । ৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে। ৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে। ৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি। ১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে। ১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে। ১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে। ১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে । ১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে। ১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে।

রমজান নিয়ে চমৎকার তথ্য...........

ছবি
রোজা ধ্বংস করে ক্যান্সারের জীবানু..! রোজা রাখলে আমাদের শারীরিক নানা উপকার হয় তা অনেকেই জানেন। কিন্তু বিশেষ কী কী উপকার পাবেন তা কি জানেন? রোজা হলো অটোফেজি, যা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। মুসলিম সম্প্রদায়ে যা রোজা নামে পরিচিত তা বিজ্ঞানের ভাষায় অটোফেজি। রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে অটোফেজি নামক একটি শারীরিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার করেন এবং নোবেল পুরস্কার পান। অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। রোজার সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষগুলো নিষ্ক্রিয় থাকে না। সক্রিয় কোষগুলো সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই অটোফেজি। স্বাস্থ্য সচেতন এমন অনেক মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময় অটোফেজি করে শরীরকে সুস্থ রাখেন। অনেক ধরনের ক্যান্সারের জীবাণুও অটোফেজিতে মারা যায়। রোজা ছাড়াও ক্যান্সারের জীবাণু মারার ক্ষেত্রে বেইজিং সামরিক হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অধ্যাপক চেন হোরিন বলেন, গরম পানির গ্লাসে লেবুর টুকরা আপনার বাকি জীবনের জন্য আপনাকে বাঁচাতে পারে। কেননা গরম লেবু ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেল...

লিচু একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মৌসুমি ফল।

ছবি
লিচু বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি মৌসুমি  ফলের নাম।লিচুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, এবং ভিটামিন  সি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহসহ নানা খনিজ উপাদান। লিচুর অনেক ঔষধি গুণও আছে যেমন  কাশি, পেটব্যথা, টিউমার ও গ্লান্ডের বৃদ্ধি দমনে লিচু বেশ কার্যকর। চর্মরোগের ব্যথায় এর বীজ ব্যবহার করা হয়। পানিতে সিদ্ধ লিচুর শিকড়, বাকল ও ফুল গলার ঘা সারায়। কচি লিচু শিশুদের বসন্ত রোগ ও বীজ  স্নায়বিক যন্ত্রণায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাকল ও শিকড়ের কাঁথ গরম পানিসহ কুলি করলে গলায় কষ্টের উপশম হয়। মুখে বয়সের ছাপ আসার যে প্রধান কারণ তা আমাদের শরীরে উৎপন্ন হওয়া ফ্রি রেডিকেল । এই ফ্রি রেডিকেল রোধ করতে সবচেয়ে কর্মক্ষম হচ্ছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল খায় তাদের চেহারায় বয়সের ছাপ কম পড়ে । লিচুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে ।
ছবি
Eid Mubarak Happy eid day...!