পোস্টগুলি

Sex বা যৌন শক্তি বৃদ্ধির উপায় কি...?

ছবি
Sex বা যৌন শক্তি বৃদ্ধির উপায় নিয়ে মানুষের অাগ্রহটা সবথেকে বেশি দেখা যায়। সেই প্রাচিন কাল থেকে অাজ এপর্যন্ত অনেক বই লেখা এবং গবেষক গনের উপনিত ফলাফলের অনালোচিত বিষয় Sex বৃদ্ধির বা কাম শক্তিধর হবার উপায় অার এই বিষয় অাজ প্রতিবেদন টি লেখার বিষয় ঠিক করলাম: মধুঃ যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখার শ্রেষ্ঠ উপাদান হল মধু (honey)। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু (honey)চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়। প্যারালাইসিসের জন্যও মধু (honey)উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। খেজুরঃ  Sex বা যৌন শক্তির সঙ্গে  খেজুরের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ কারনেই বিবাহের অনুষ্ঠানে-খেজুর বিলি করার আদিম রীতি চলে আসছে। খোরমা খেজুর চুষলে পিপাসা দমন হয়। অধিকাংশ হালুয়া তৈরীতে এ কারণেই  খেজুর ব্যাবহার করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্...

জাম এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কি..?

ছবি
জাম বাংলাদেশে অতি পরিচিত বর্ষাকালীন একটি ফলের নাম।গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ফল হলেও পুষ্টিগুনে অতুলনিয় ফল জাম। জাম ও বীজ সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত বেশ কিছু গবেষণা থেকে জাম বীজের রক্তের গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণকারী গুণ সম্পর্কে জানা যায়। গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ১০-১২ গ্রাম পরিমাণ জাম বীজ পাউডার খেলে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল তথা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। জাম এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, চলুন জেনে নেই জামের স্বাস্থ উপকারিতা সমূহ। মানসিকভাবে সতেজ রাখে: জামে গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ রয়েছে, যা মানুষকে জোগায় কাজ করার শক্তি। বয়স যত বাড়তে থাকে, মানুষ ততই হারাতে থাকে স্মৃতিশক্তি। জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস নিরাময়ে সাহায্য করে: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জাম খাওয়ার ফলে ৬.৫ শতাংশ মানুষের ডায়াবেটিক কমে গেছে। এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জাম ডায়বেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখে। ভিটামিন সি জনিত রোগ দূর করে: জামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। যার ...

mango অাম এর স্বাস্থ্যকর গুনাগুন কি...?

ছবি
অাম সবার এক নম্বর পছন্দের ফল বিশেষ করে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফলের মধ্যে ৮০% মানুষ অামকে পছন্দ করে। এর স্বাস্থ্যকর গুনাগুন নিয়ে অালচনা করা হলো...... আমের আয়রন, আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান শরীর সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে থাকে।  অামে থাকে ক্যারোটিন যা চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে। কাঁচাআমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। আম কর্মশক্তি যোগায়। এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও পাকাআমে ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে। আরও আছে আয়রন যা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩ মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়। ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা ভিটামিন সি পাওয়া যায় বলে জানান ফারাহ মাসুদা। আমে রয...

গাঁজা এবার ক্যান্সারের কোষ নষ্ট করতে এবং মস্তিষ্কের টিয়মারে উপকারি....!

ছবি
গাঁজা নিয়ে নতুন নতুন তথ্য নেট দুনিয়ায় নতুন নয়। এমনি কিছু তথ্য হয়তো অবাক লাকতে পারে অাপনার চলুন দেখা যাক গাঁজার উপকারিতা কি..........? গাঁজা নিয়ে গবেষণাকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অন ড্রাগ এ্যাবিউসে’র এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যানসারের ঔষধ লুকিয়ে আছে গাঁজায়। ক্যান্সারের কোষ নষ্ট হতে ও মস্তিষ্কের টিউমার সারতে পারে গাঁজা সেবনে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন প্রাণির ওপর পরীক্ষামূলকভাবে গাঁজার ব্যবহার করে দেখা গেছে, এটি কয়েকটি বিশেষ ধরনের ক্যানসারের কোষ নষ্ট করে দেয়। ক্যানসারের কোষের আকৃতিও কমিয়ে আনে। গাঁজা গাছের নির্যাস মস্তিষ্কের টিউমারের আকার ছোট করে দেয়। টিউমারকে বাড়তে দেয় না। ইঁদুরের ওপর এই নির্যাস ব্যবহার করে প্রমাণিত হয়েছে, ক্যানসারের কোষ নিকেশ করে দেয় গাঁজা। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে গাঁজার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও বেশির ভাগ দেশেই গাঁজাকে মাদক হিসেবে বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ক্যানসারের চিকিৎসায় গাঁজার এমন সাফল্যে বিজ্ঞানীরা বেশ উৎসাহিত। গাঁজা গাছের নির্যাস থেকে ক্যানসারের ওষুধ তৈরি করে ...

Cancer...? ক্যান্সার এর লক্ষন কি..? কি করে বুঝবেন অাপনি ক্যান্সারজনিত রোগে অাক্রন্ত...?

ছবি
এই ১০টি লক্ষণে বুঝবেন আপনি ক্যান্সারে আক্রান্ত..... ঠিক সময়ে ক্যান্সার যদি চিহ্নিত করা যায়, এবং যথাযথ চিকিৎসার সুফল যদি মেলে তাহলে ক্যান্সারও পরাজিত করা সম্ভব। ক্যান্সারের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীদের মানসিক চিকিৎসার ব্যাপারে এখন জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীরা বেশ মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যান, অনেকে মানসিকভাবে ভেঙ্গেও পরেন। এই কারণে অনেক সময়ে তাদের অবস্থা বেশি গুরুতর না হলেও অনেকে দ্রুত মারা যান। ফলে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা এবং উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের সেবা দেয়ার জন্য বিভিন্ন সংগঠন কাজও করে যাচ্ছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ক্যান্সার আক্রান্তদের একটি গ্রুপ গঠন করা, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করতে পারেন। এর পাশাপাশি যোগ, মেডিটেশন ইত্যাদির মাধ্যমেও রোগীদের মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার শিক্ষা দেয়া হয়। এর পাশাপাশি মানসিক স্বস্তির জন্য কেউ যদি ধর্মীয় বা সামাজিক কোন কাজে নিয়োজিত হতে চান সে ব্যাপারেও তাদেরকে উৎসাহ দেয়া হয়। এর জন্য দরকার ক্যান্সারের উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা...

sexual কিছু মজার তথ্য দেখুন....? যা অাপনার অজানা....!

ছবি
# গড়ে ২০ থেকে৭০ বছর বয়সের মাঝে একজন মানুষ ৬০০ ঘন্টা সময় যৌন মিলনের পিছনে ব্যয় করে। # যৌন মিলক এক ধরণের ভাল ব্যায়াম। এক ঘন্টায় প্রায় ৩৬০ ক্যালরি বার্ন হয়। # একজন প্রাক্তন পর্ণ তারকা মাত্র ২২ বছর বয়সে ১০ ঘন্টা সময়ে ৭০ জন মানুষের সাথে প্রায় ২৫১ বার যৌন মিলনে লিপ্ত হয়ে রেকর্ড ভেঙে দেয়। # যারা অতিরিক্ত কাজের চাপ, চিন্তা এবং হতাশায় ভোগে তাদের মাঝে সেক্স আসক্তি বেশি হয়। # গড়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতি সাত সেকেন্ডে একবার সেক্সের কথা চিন্তা করেন।                                 # এক চা চামচ বীর্যতে – ৩০০ মিলিয়ন শুক্রাণু, জিঙ্ক এবং ক্যালসিয়াম, দাঁতের ক্ষয় রোধ করে এবং সাত ক্যালরি থাকে। # বীর্যপাতের বেগ ২৮ মাইল পার ঘন্টা প্রায়। # পুরুষের অরগ্যাসম প্রায় ৬ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। # ৩২ বছর বয়সে মহিলাদের ক্লিটোরিস বয়ঃসন্ধি থেকে প্রায় চার গুন বেড়ে যায়। # যখন মহিলারা উত্তেজিত হন তখন তাদের স্তন প্রায় ২৫% প্রশস্ত হতে পারে। # মহিলাদেরও স্বপ্ন দো...

রোজায় খাবার কি...? রোজায় কি খাবেন....?

ছবি
রোজায় কি খাবার খাবেন....? রোজা পালনের জন্য প্রয়োজন সঠিক ডায়েট নির্বাচন, শারীরিক সুস্থতা, মানসিক শক্তি এবং অদম্য ইচ্ছা ও আনুগত্য। আর চিকিত্সক ও পুষ্টিবিদদের মতে, কিছু নিয়মনীতি ও পরামর্শ অনুসরণ করলে, কষ্ট ছাড়াই রোজা পালন করা যায়। রোজায় প্রতিদিনের খাবারের মেন্যুতে আসে ভিন্নতা, তার সঙ্গে সময়ের ব্যবধান তো রয়েছেই। আপাতদৃষ্টিতে আমাদের অনেকেরই মনে হতে পারে যে, রোজায় ১৪/১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থেকে স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে। তাই ইফতারে বেশি বেশি খাওয়া ভালো। রোজায় খাবারের বিরতি কম হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া হয়ে যায়। আবার অনেকেই বলেন, রোজায় খাবারের হিসাব নেই। তাই রোজায় রকমারি খাবারের আয়োজন বেড়ে যায়, যা কিনা স্বাস্থ্য উপযোগী নয়। তবে দৈনিক চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখেই খাদ্য নির্বাচন করা দরকার। ইফতারিতে কি কি খাবেন? রমজান মাস এলে বিকালবেলা থেকেই ইফতারের জন্য নানা খাবার তৈরি ও বিক্রির হিড়িক পড়ে। হরেকরকম ইফতারির পসরা সাজিয়ে দোকানিরা রাস্তার ধারে, ফুটপাতে, অলিতে-গলিতে, হাটে-বাজারে সাজিয়ে রাখে। এসব ইফতারির মধ্যে রয়েছে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, বেগুনি, ডাল বড়া, সবজি...