পোস্টগুলি

কাশি দীর্ঘমেয়াদী থেকে হতেপারে হৃদরোগ...!

ছবি
Cough and heart disease Heart Disease is one of the reasons for long-term dry cough. কাশি ও হৃদরোগঃ দীর্ঘমেয়াদি শুকনো কাশির অন্যতম কারন হৃদরোগ। যাদের দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদপিন্ডে ভাল্বের সমস্যা অাছে এবং বাতজ্বরজনিত হৃদরোগে অাক্রন্ত,তাদের মধ্যে এ ধরনের কাশির প্রননতা অধিক হারে লক্ষ্য করা যায়। কার্ডিওমাইওপ্যাথি হৃৎপিন্ডের মাংসপেশির এক ধরনের অসুস্থতা, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি কাশি ও শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়,বুকে ব্যাথা হয়। এ ধরনের লক্ষন দেখা দিলে মনে করতে হবে,রোগীর হার্ট বেশ দুর্বল হয়ে গেছে  এবং জরুরী ভিত্তিতে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে, না হলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে পারে।  কার্ডিওমাইওপ্যাথি অনেক কারনে হতে পারে যেমন হৃৎপিন্ডের রক্তপ্রবাহের স্বল্পতা  বা করোনারি অারটারি ডিজিজ (ব্লক),দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা অথবা হৃৎপিন্ডের ভাল্বের সমস্যা কিংবা জন্মগত হৃদরোগের কারনে। এ ছাড়া বার্ধক্য,বংশগত ও প্রসবকালীন অসুস্থতার ফলে কার্ডিওমাইওপ্যাথি হতে পারে। সাধারনত হৃদরোগজনিত কাশি দীর্ঘমেয়াদি হয়। সিরাপ বা এন্টি...

লটকন এর স্বাস্থ্যকর গুনাগুন কি...?

ছবি
লটকনঃলটকন নামটার সাথে  বাংলাদেশের মানুষ তেমন বেশি দিন পরিচিত হয়নি। কিন্তু এর স্বাদ, পুষ্টিগুণ, ঔষধী গুণ ইত্যাদি প্রকাশ পাওয়ায় তা এখন শুধু অতি পরিচিত ফলই নয় বরং অতি প্রয়োজনীয় ফলে বলে অালচিত ও পরিচিতি লাভ করেছে। লটকনকে এখনো বাংলাদেশের অপ্রচলিত ফল মনে করা হয়ে থাকে। এর উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি বেশ উপযোগী। আমাদের দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত টক-মিষ্টি স্বাদের এ লটকন। বৃহত্তর সিলেটের মানুষ লটকনকে বলে ডুবি। চট্টগ্রামে বলা হয় হাড়ফাটা। ময়মনসিংহের লোকেরা বলে কানাইজু। এ ছাড়া অনেক স্থানে লটকনকে বলা হয় লটকা, লটকাউ ইত্যাদি। পুষ্টিগুণঃ লটকনে আছে প্রচুর পরিমাণে  ভিটামিন ‘বি'। এতে ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ আছে যথাক্রমে ১০ দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম এবং ০.২০ মিলিগ্রাম। পাকা লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে খুবই সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। অবাক বিষয় হলো এতে ক্যালরি আছে আমাদের জাতীয় ফল হিসেবে পরিচিত কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ। লটকনে ভিটামিন ‘সি' আছে প্রচুর। সিজনের সময় প্রতিদিন দুই-তিনটি লটকন খাওয়া মানেই আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি'র চাহিদা পূর...

এলাচ এর উপকারীতা বা গুনাগুন কি...?

ছবি
এলাচঃএলাচকে বলা হয় মসলার রানী। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়া ও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা। নিচে এলাচের উপকারিতা তুলে ধরা হলো। >> আপনি কি মুখের দুর্গন্ধ, মাঢ়ি দিয়ে রক্তপাত অথবা দাঁত ক্ষয় হওয়ার মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে কালো এলাচ মুখে নিয়ে চাবাতে পারেন। কেননা এলাচের তেল মুখের সমস্যা দূর করতে কার্যকর একটি ঔষধ হিসাবে কাজকরে। >> এলাচ ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। এ জন্য ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত এলাচ খাওয়া উচিত বলে মনে করা হয়। >> শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ ও অ্যাজমার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য এলাচ খুবই উপকারী কার্যকর ঔষধ । >>মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে এলাচ তেলের ব্যবহার করলে সুফল পাওয়া যায়। >> এটি অনুভূতি নাশক ও অস্থিরতাকে প্রশমিত করে থাকে। >>কালো এলাচ হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তচাপ ও ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। >> কালো এলাচ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, হৃদস্...

ত্রিফলা কি..? ত্রিফলা এর উপকারিতা কি...?

ছবি
ত্রিফলা অর্থাৎ তিনটি ফল আমলকী, বহেড়া ও হরীতকী যদি ঠিকমতো মাত্রায় নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে তা অমৃত তুল্য কাজ দেয়। প্রসঙ্গত:  আমার ব্যাক্তিগত ধারণা , স্বাদ, গুন, উপকারিতা ইত্যাদির কথা ভেবেই এই অমৃত বস্তুটির কল্পনা করা হয়েছিল। সেই অমৃত যে পান করত সেই অমর হতে পারত। পৃথিবীতে অমর কেউই হতে পারেন না। জন্ম-মৃত্যু একটি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। আসলে এখানে "অমর" শব্দের প্রয়োগ করা হয়েছে "দীর্ঘ জীবন অর্থে"। যাক, যেকথা বলছিলাম, এই ত্রিফলা হলো মানুষের রোগের মূল কারক বায়-পিত্ত-কফ ত্রিদোষ নাশক। প্রস্তুতকরণঃ পরিষ্কার ও পোকা রহিত হলুদ হরীতকী, বহেড়া ও আমলকী নিয়ে তাদের বীজ বের করে ফেলবেন। তারপর ওগুলো কুটে বা বেটে নিয়ে কাপড়ে চেলে নিন। প্রতিটি আলাদা-আলাদা চূর্ণ করে তুলে রাখুন। অথবা মাত্রা মতো মিশিয়ে রাখুন। হরীতকী যদি ১০ গ্রাম হয় তাহলে বহেড়া হবে ২০ গ্রাম এবং আমলকী হবে (চুর্ণ) ৪০ গ্রাম। এই মিশ্রন করে সাবধানে রাখবেন যাতে বর্ষার জলীয় হাওয়া তাতে না লাগে। এই চুর্ণ বাজারেও পাওয়া যায় তবে বাজার থেকে চূর্ণ না কিনে ঘরে চূর্ণ তৈরি করে নেবেন। এই চূর্ণ মাত্রা মতো মিশিয়ে একটা কাচের বোতলে রাখলে মো...

তেলাপিয়া মাছ ক্ষতিকারক হতেপারে ক্যান্সার.....!

ছবি
তেলাপিয়া মাছ অামাদের অতি পরিচিত মাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Oreochromis mossambicus) একটি মাঝারি আকারের মাছ। মাছটিকে ইংরেজিতে Mozambique tilapia বলে।মাছটি ডিম পাড়ার পর নিজের মুখে রেখে দেয় বাচ্চা ফোটাবার জন্য। গ্রাম-গঞ্জে,শহরে সকল জায়গায় এটি পাওয়া যায়। তেলাপিয়া মাছ স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর  ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে বলে কিছু পুষ্টিবিদ গবেষণার পর অভিযোগ করেছেন, তেলাপিয়া মাছ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর ঝুুুুকিপূর্ন । ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে। ওই গবেষণা পত্রে জনপ্রিয় মাছ সমুহের দেহে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়।এতে দেখা যায় তেলাপিয়া মাছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য জনপ্রিয় সামুদ্রিক মাছের তুলনায় তেলাপিয়া মাছে অনেক কম পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। এতে বরং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা একটি ক্ষতিকর অ্যাসিড (arachidonic acid)। এই অ্যাসিড দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে মেরামতে সহায়ক। কিন্তু এটি আবার অ্যালঝেইমার এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টির মতো রোগেরও কারণ।প্রতিবেদনে জানিয়েছে খাদ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘...

মরিচ এর উপকথা ও স্বাস্থ্যকর গুনাগুন কি...?

ছবি
মরিচঃঅতি পরিচিত ঝাল স্বাদের একটি রন্ধন প্রনালি হল মরিচ। মরিচ অতি প্রয়জনিয় তাই মরিচ বাদ দিলে  অামাদের জীবন প্রায় অচল বলা চলে। মরিচ প্রথমে ফিলিপাইন্স, এবং তার থেকে ভারতবর্ষ, চীন, কোরিয়া, ও জাপানে মরিচ বিস্তার লাভ করে। ঝাল ও স্বাদের জন্য অচিরেই এটি এশিয়ার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় খাবারের অপরিহার্য উপকরণে পরিণত হয়। >>মরিচ ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে >>কাঁচা মরিচে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরে ‘দ্বাররক্ষী’ হিসেবে কাজ করে থাকে। >> কাঁচামরিচ বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করতে সাহায্য করে। >>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে >>কাঁচামরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। খেয়াল করে দেখবেন, কাঁচামরিচ খাওয়ার ফলে অনেক সময়ে বন্ধ নাক খুলে যায়। কাঁচামরিচে থাকা এই ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুব দারুনভাবে কাজ করে। >>মরিচ ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী কাঁচামরিচে ভিটামিন-সি এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই। যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন করতে সাহায্য করে থাকে বলে ত্বক অনে...

ডালিম, বেদান,অানার এর স্বাস্থ্যকর উপকারক কি...?

ছবি
ডালিম অতি পরিচিত একটি জনপ্রিয় ফল।গ্রাম বাংলার  অতি প্রাচীন একটি স্বাস্থ্যকর  ফল এটি।ডালিম,বেদানা, আনার বা  এর বৈজ্ঞানিক নাম: Punica granatum, ইংরেজি নাম: pomegranate । এটি Lythraceae পরিবারের Punica গণের অন্তর্ভুক্ত ফলের গাছ। ডালিমের পুষ্টিমান, ঔষধি গুণ ও বহুবিদ ব্যবহার অনেক ধর্মীয় বই থেকে অনেক স্থানে লেখা আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ডালিমে ৭৮ ভাগ পানি, ১.৫ ভাগ আমিষ, ০.১ ভাগ স্নেহ, ৫.১ ভাগ আঁশ, ১৪.৫ ভাগ শর্করা, ০.৭ ভাগ খনিজ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ১৪ মিলিগ্রাম অক্সালিক এসিড, ৭০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ০.৩ মিলিগ্রাম রাইবোফ্লাভিন, ০.৩ মিলিগ্রাম নায়াসিন, ১৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ইত্যাদি থাকে। আয়ুর্বেদ চিকিত্‍সা বিজ্ঞানে এর ব্যবহার সব জায়গায় পরিচিত। ডালিমেরঔষধিগুণঃডালিম ফল আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিত্‍সায় পৈথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় অাসছে। ডালিমে বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন- সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় ইহা বিভিন্ন রোগ উপশমে ব্যবহৃত হয়। কবিরাজী মতে ডালিম হচ্ছে হৃদয়ের শ্...