পোস্টগুলি

হৃদরোগ প্রতিরোধ করুন ৪টি লক্ষন দেখে....!

ছবি
 হৃদরোগঃবিশেষজ্ঞগণ বলে থাকেন হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে রেহাই পেতে হলে হৃদরোগ প্রতিরোধেই গুরুত্ব দিতে হবে সবচেয়ে বেশি। কারণ শতকরা ৮০ ভাগ হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়। একটি উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত রাষ্ট্র আমেরিকায় প্রতি বছর ৭ লক্ষ লোকের হার্ট অ্যাটাক হয় এবং বছরে অন্তত ৪ লক্ষ লোক মারা যায় করনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। তাই বিশেষজ্ঞগণ পুরুষের হার্ট অ্যাটাকের ৪টি বড় কারণ উল্লেখ করেছেন, এসব লক্ষণ থাকলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। হার্টের রক্তনালীতে ব্লক থাকার সম্ভাবনা থাকে। এসব লক্ষণ সমূহ হচ্ছে, (১)যেসব পুরুষের শারীরিক সমস্যা বা ইরেকটাইল ডিসফাংশন থাকে, (২)যেসব পুরুষের মাথার পিছনের দিকে টাক থাকে, (৩) যাদের কানের মধ্যে অতিরিক্ত ভাজ পড়ে, (৪)যাদের পায়ের রক্তনালী ব্লক থাকে অর্থাৎ উপরোক্ত ৪টি লক্ষণ থাকলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এসব লক্ষণ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সকলের যে ৪টি লক্ষণ থাকবে এমন নয়। উপরোক্ত এক বা একাধিক লক্ষণ থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

কোমর ব্যথায় করনিয় কি....?

ছবি
কোমরের ব্যথা কমবেশি সব মানুষের হয়। এই ব্যথা যুবক থেকে বৃদ্ধ সব বয়সেই হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, বিশ্বের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক লোক জীবনে কখনও না কখনও এ ব্যথায় আক্রান্ত হয়। শুরু থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কোমরে ব্যথা কেন হয়, কীভাবে এই ব্যথা কমানো যায় এ বিষয়গুলো নিয়েই আজ আমরা আলাপ করব। কারণঃ লাম্বার স্পনডোলাইসিস কোমরের পাঁচটি হাড় আছে। কোমরের হাড়গুলো যদি বয়সের কারণে বা বংশগত কারণে ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে লাম্বার স্পনডোলাইসিস বলে। এলআইডিঃএটিও শক্তিশালী একটি কারণ। এটি সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি হয়। মানুষের হাড়ের মধ্যে ফাঁকা জায়গা থাকে। এটি পূরণ থাকে তালের শাঁসের মতো ডিস্ক বা চাকতি দিয়ে। এই ডিস্ক যদি কোনো কারণে বের হয়ে যায়, তখন স্নায়ুমূলের ওপরে চাপ ফেলে। এর ফলে কোমরে ব্যথা হতে পারে। নন-স্পেসিফিক লো বেক পেন অনির্দিষ্ট কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে এই ব্যথা হয়। এটি যুবকদের মধ্যে বেশি হয়। এই ব্যথা পুরোপুরি সারানোর চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার হয়নি। এই ব্যথা নিয়ে বি...

শ্বেতীরোগ ও চিকিৎসা...

ছবি
শ্বেতীরোগ নিয়ে অামাদের সমাজে অনেক কুসংস্কার ও বিভ্রান্তি রয়েছে।অাসলে যে কয়টি রোগের কারনে ত্বক সাদা হয়ে যায়,শ্বাতী রোগ তার মধ্যে অন্যতম। অনেকে মনে করেন, কেবল অভিশপ্ত মানুষেরই এ রোগ হয় থাকে। অাসলে কথাটি ঠিক নয়। অার দশটি রোগের মতো এটিও একটি রোগ। চামড়ায় মেলানোসাইট নামক যে কোষগুল থাকে  সে গুলোর ধ্বংস হয়ে গেলেই এ রোগ দেখা দেয়। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ যে কোন বয়সেই শ্বেতীরোগ হতেপারে। চিকিৎসাঃএ রোগের চিকিৎসা দীর্ঘদিন চালাতে হয়।  তবে ফলাফল কতখানি অাসবে তা মেলানোসাইট পুরো মাত্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে কিনা তার ওপর নির্ভর করে।দেখা গেছে ১৫-২৫ ভাগ ক্ষেত্রে কোনোরকম চিকিৎসা ছাড়াই নিজ থেকে চামড়া কালো রঙের হতে থাকে। পুভা থেরাপিতে বেশ ভালো ফলাফল লক্ষ করা গেছে।অনেকের মতে, এ পদ্ধতিতে ৫০-৭০ ভাগ ক্ষেত্রে কমবেশি সফলতা অাসে। রোগিকে চিকিৎসার পাশাপাশি সূর্যের অালোতে যেতে বারন করতে হবে। এ ছাড়া রোগীকে নিশ্চিত করতে হবে যে,এটা ক্যান্সারের পূর্ব অালামত নয়, কুষ্ঠ রোগও নয়। ডা.দিদারুল অাহসান ত্বক ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অাল-রাজী হাসপাতাল,ফার্মগেট, ঢাকা।ব্

কালো করকনাথ মুরগি পালন করে ইনকাম.....!

ছবি
করকনাথ_মুরগিঃ গায়ের পালক কালো। চামড়া কালো। ঠোঁট, নখ, ঝুঁটি, মুখ, জিভ, এমনকি শরীরের ভিতরের মাংস, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনকি হাড় পার্যন্ত কালো! কালো বলে কালো? একেবারে কুঁচকুচে কালো। ইন্দোনেশিয়ায় এই মুরগি অনেক ধার্মিক কারণেও ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীকালে হল্যান্ড এবং চেক প্রজাতন্ত্র আর স্লোভাকিয়াতেও এই ধরনের মুরগির জন্ম দেওয়া হচ্ছে হাইব্রিড করে। ভারতের মধ্য প্রদেশেও এর হাইব্রিড করা হয়। সেখানে নাম করকনাথ চিকেন। ডিম দেয় কী রংয়ের আর রক্তের রংটাই বা কী? তাই তো? না, রক্তটা লাল। তবে, সেটাও বেশ গাঢ় লাল। কালচে লাল বা খয়েরি ধাঁচের বলতে পারেন। আর ডিমগুলো বেশ কালো ধরনের। তবে, বাদামি ধাঁচের। আসলে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় ভাষায় আয়াম শব্দের অর্থ হলো মুরগি। আর সেমানি শব্দের অর্থ হলো কালো। ইন্দোনেশিয়ার জাভায় পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা জেনেছেন, আয়াম সেমানিরা এই পৃথিবীতে অন্তত ৯০০ বছর আগে থেকে রয়েছে। অনেক অনেক গল্প এই মুরগিকে নিয়ে। সেখানকার মানুষ বিশ্বাস করে এই মুরগি সৌভাগ্য এনে দেয় জীবনে। আয়াম সেমানির মাংসতে এত বেশি আয়রন থাকে, যা অন্য কোনো মাংসে নাকি থাকে না। গর্ভবতী নারীরা এই মুরগির মাংস খেলে, তাঁর শরীর ভালো থাক...

সিল্কি মুরগী পালনে ভাগ্য বদল...!

ছবি
সিল্কি মুরগিঃ বিচিত্র এই প্রাণী আসলে এক বিশেষ প্রকার মুরগি। রেশমের মতো তুল-তুলে পালকের কারণে এর নামও ‘সিল্কি’ কিংবা ‘সিল্ক চিকেন’। এতই নরম এই মুরগির পালক যে, তার সাহায্যে এরা উড়তে পারে না। পানিতে ভিজেও যায় এই রেশমি পালক। দেখতে যেমন আলাদা, সিল্কির স্বভাবও সাধারণ মুরগির থেকে ভিন্ন ধরণের। অন্যান্য মুরগির মতো এরা রগচটা তো নয়ই, বরং অতি শান্ত প্রকৃতির হয়। মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও খুব বন্ধুত্বপূর্ণ। পোষ্য হিসেবে ঘরে রাখার জন্য এরা আদর্শ। এদের আরেক বৈশিষ্ট্য হল এটা অাপনাকে লাখপতি করে দিতেপারে। সন্তান প্রতিপালনে এরা বিশেষ ভাবে দক্ষ মুরগি। এই মুরগি ২০থেকে ২৫টি করে ডিম দেয় । তবু সিল্কি যাঁরা পোষেন, তা সিল্কির কাছ থেকে প্রচুর অর্থ পাওয়া লোভেই পোষেন কারন একটি সিল্কি মুরগী ৩০০০/-টাকাথেকে ৬০০০/-টাকায় বিক্রয় করা যায়। এক মাসের সিল্কি মুরগি ১০০০/-টাকায় বিক্রয় হয় এবং ডিম দেয়ার উপযোগী সিল্কির দাম ৫০০০/-টাকা থেকে ৬০০০/-টাকা। আমাদের অচেনা হলেও এই মুরগির ইতিহাস অনেক দিনের। বিজ্ঞানীরা জানান, খ্রিস্টের জন্মের ২০০ বছরেরও আগে সম্ভবত চীনে এই মুরগির আবির্ভাব। তারপর বাকি দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া...

ডায়াবেটিকস এর সমাধান...!

ছবি
ডায়াবেটিকস এর জন্য একটি ঘরয়া চিকিৎসা অাপনি ১০ থেকে ১৫ টি তেলাকুচা পাতা এবং একটি করল্লার অর্ধেকটা নিয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে রস করে সকালে খালিপেটে প্রতাহ একগ্লাস করে সরবতটি পান করুণ। অাল্লাহর রহমতে অাপনার ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ হবে। উপরোক্ত টিপস্ টি পরিক্ষিত অামার এক বন্ধু ২১থেকে ডায়াবেটিকস ৯ তে নিয়ে অাসে।

লাল শাক এর পুষ্টিমান ও উপকারক কি...?

ছবি
লাল শাক শীতকালের খুবই জনপ্রিয় একটি শাক। অনেকেরই প্রিয় শাক এটি, বাংঙ্গালীয়ানর সোলঅানা লাল শাকের স্বাদ ছারা হয়না। লাল শাক আগে শুধুমাত্র শীতকালে পাওয়া গেলেও বর্তমানে এটি সারাবছরই পাওয়া যায়। এর রং লাল এবং রান্নার পর এটি থেকে লাল রং বের হতে দেখা যায়। এই সবজি ৬"-১২" হয়। গাছের কান্ড থেকে ভেঙে নিয়ে আসার পর ভাঙ্গা কান্ড হতে পুনরায় নতুন গাছ গজায়।এক পুষ্টি গবেষণায় দেখা গেছে লাল শাকের শরীরে এমন কিছু উপকারি উপাদান রয়েছে, যা ৩০ বছর বয়স এর পর থেকে শরীরের ভাঙন আটকানোর পাশাপাশি একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। লাল শাকের পুষ্টিগুণঃ লাল শাক একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ শাক।প্রতিদিন অাপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন পুষ্টিকর এই শাকটি।প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপযোগী লালশাকে জলীয় অংশ- ৮৮.০ গ্রাম, খনিজ পদার্থ- ১.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি- ৪৩ কিলোক্যালোরি, আমিষ- ৫.৩ গ্রাম, চর্বি- ০.১ গ্রাম, শর্করা- ৫.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ৩৭৪ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন- ১১৯৪০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি-১- ০.১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-২- ০.১৩ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি- ৪৩ মিলিগ্রাম রয়েছে। ><>ক্যানসা...