পোস্টগুলি

পাটশাক এর পুষ্টি গুন বা উপকারীতা কি....?

ছবি
অামাদের দেশে শাক হিসেবে বেশ কদর অাছে পাট শাকের। গ্রামবাংলার জনপ্রিয় এবং মুখরোচক খাদ্য পাটশাক। অামাদের দেশে অতিপ্রাচীন কাল থেকে মানুষ পাটপাতাকে শাক হিসেবে খেয়ে অাসছে, যদিও এর অাছে অনেক পুষ্টি গুন। চলুন দেখাযাক পাটশাক এর  উপকারিতা সম্পর্কে বেসিক ধারনা। পাটশাকে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন সি, ই, কে, বি- ৬ এবং নিয়াসিন রয়েছে। এছাড়া পাটশাকে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যারোটিন এবং খাদ্যআঁশ। প্রতি ১০০ গ্রাম পাটশাকে রয়েছে খাদ্যশক্তি  ৭৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ৩.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৯৮ মিলিগ্রাম, লোহা ১১ মিলিগ্রাম ও ক্যারোটিন ৬৪০০ (আইইউ)। এসব পুষ্টি উপাদান রোগবালাই থেকে দূরে রাখে। এবার জেনে নেই পাটশাক আমাদের কি কি উপকার করে : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় পাটশাকের ভিটামিন এ, ই এবং সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ক্যারোটিন মুখের ঘা দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া ভিটামিন-সি রক্তের শ্বেত কনিকা বৃদ্ধি করে এবং ভিটামিন-এ, ভিটামিন ই চোখ, হৃদপিণ্ডসহ অন্যান্য অঙ্গের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ...

হিজাব পরিহিত কুস্তিগীর....!

ছবি
মানুষ নিজের পরিচয় হয় জনপ্রিয় অনালোচিত বা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু তেমনি একজন ডায়ানাই পৃথিবীর সর্বপ্রথম হিজাব পরিহিত কুস্তিগীর। চলতি বছরের ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘মালয়েশিয়া প্রো রেসলিং’ প্রতিযোগিতায় তিনিই প্রথম মহিলা ‘রেসেলকন চ্যাম্পিয়ন’। ‘রেসেলকন চ্যাম্পিয়ন’ খেতাবটি এতদিন শুধুমাত্র পুরুষ কুস্তিগীরদের ভাগ্যেই জুটত। কিন্তু ডায়ানা যে ফিনিক্স। কোনো বিপদই টলাতে পারেনি তাকে। সিদ্ধান্তে অবিচল, লড়াকু মেয়েটি স্রোতের বিপরীতে হেঁটে ছিনিয়ে নিয়েছেন মহিলাদের ব্রাত্য এই খেতাব। মালয়েশিয়ার এক মুসলমান পরিবারে জন্ম হয় ডায়ানার। ছোটবেলা থেকেই ভিডিও গেমের দারুণ ভক্ত ছিলেন ডায়ানা। আর এই ভিডিও গেম প্রীতিই তাকে কুস্তির দুনিয়ায় পা রাখতে উদ্বুদ্ধ করে। মাত্র তিন বছর হয়েছে কুস্তির জগতে পা রেখেছেন তিনি। বয়সটাও বেশ কম। তবুও এই বয়সেই ডায়ানার সাড়া জাগানো পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে অনেকেরই। কেরিয়ারের প্রথম দিকে মুখে ‘মাস্ক’ বা মুখোশ পরে ‘রেসলিং ম্যাট’ এ ঢুকতেন তিনি। কিন্তু ২০১৮ থেকেই মাথায় হিজাব পরে ‘রিং’-এ প্রবেশ করতে শুরু করেন ডায়ানা। ডায়ানার কথায়, মাথায় হিজাব পরে রিং-এ নামা নিয়ে অনেক সমালোচনার মুখ...

বুনো ফুল তিত -বেগুন...

ছবি
বুনোফুল রাস্তায় বনে জঙ্গলে দেখা যায় তিত বেগুন।  এটির আদি নিবাস পূর্ব ব্রাজিল, কিন্তু অন্য গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে   যদিও এটি কোথাও কোথাও  আগাছা হিসেবে বিবেচিত।বরিশাল, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, চিটাগাং, রংপুর  সহ সারাদেশে বিস্তৃত এলাকায় তিত বেগুন দেখামিলে।এটি দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়। এছাড়াও উত্তর আমেরিকা ও কানাডার মহা সমভূমিতে পাওয়া যায়। প্রচুর কাঁটাযুক্ত বেগুন জাতীয় গুল্ম। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র দেখা যায়। রাস্তা, রেল লাইনের পাশে, গ্রামীণ মেঠো পথের ধারে এই উদ্ভিদ প্রচুর পরিমানে দেখা যায়। তিত বেগুন একটি অবহেলিত উদ্ভিদ। এর কোন চাষ করা হয় না তবুও এটি সচরাচর পাওয়া যায়। ছোট এই কাঁটাযুক্ত গাছ টির রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য গুনাগুন। পাতা হালকা সবুজ। তিতবেগুন গাছ সাধারণত ১-২ মিটার উঁচু হয়। ফুল হালকা বেগুনি ও হালকা হলুদ ফল টমেটুর মত। তবে বেশ ছোট হয়। তিতবেগুন গাছের ঔষধি গুনাগুনঃ- তিতবেগুন গাছের পাতা, বীজ, ফুল, কাণ্ড শিকড় সবই ঔষধি গুনে ভরপুর। ব্যবহার: ১। সাপে কাটা রোগীকে ৮/১০ বিচি মুখে দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩ বার খাওয়ানো হয়। ২। হজম ...

দামি মশলা জাফরান...!

ছবি
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ফুল এটিই...! কারন এটা কোন সাধারণ ফুল নয় এটা.... বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান এর ফুল । এই ফুল স্যাফরন বা কেশর নামেও বেশ  পরিচিত। ১ পাউন্ড বা ৪৫০ গ্রাম শুকনো জাফরানের জন্য ৫০ থেকে ৭৫ হাজার ফুলের দরকার হয়। এক কেজির জন্য একলক্ষ দশ থেকে একলক্ষ ৭০ হাজার ফুল লাগে যা তুলতে সময় লাগে প্রায় ৪০ ঘন্টা। সেই ফুল প্রক্রিয়াজাত করে বানানো হয় জাফরান। এই মশলাকে বিশ্বের সবথেকে দামি মশলা বলা হয়। কারন এর মূল্য সোনার থেকেও বেশী। এই মশলা এমন মশলা যেটা যুগ যুগ ধরে উত্‍পাদন হচ্ছে। তারপরও এই মশলাটি পৃথিবীর সবথেকে দামী মশলা। বিশ্বের সবথেকে দামি মশলা জাফরানকে 'লৌহ সোনা' বলা হয়। পর্যাপ্ত পরিমানে বৃষ্টি হলে জাফরান বেশ ভালো পরিমানে উত্‍পন্ন হয়। [][][]জাফরান এর উপকারীতাঃ মিশরের রাণী ক্লিওপেট্রা তার স্নানের জলে সুগন্ধি ছড়াতে জাফরান ব্যবহার করত। আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট যুদ্ধক্ষেত্রে তার শরীরের ক্ষত পরীষ্কার করতে জাফরানে মেশানো জল ব্যবহার করত। পান করত জাফরান মেশানো চা। ত্রয়োদশ শতকে প্লেগ রোগ থেকে মুক্তপেতে জাফরান ব্যবহৃত হতো।স্প্যানিশ, ইরানি ও ভারতীয়রা তাদের খাবারে সুগ...

কোষ্ঠকাঠিন্য কি সমাধান.....?

ছবি
কোষ্ঠকাঠিন্যতে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে ভুগে। আর সব সময় ওষুধ খাওয়া সম্ভব হয়না। ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে খাবার অভ্যাস পাল্টাতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। [][][]১। আঁশযুক্ত খাবার বেশি  খাওয়া : ফাইবার বা আঁশ আমাদের হজমশক্তিকে ঠিকঠাক রাখে। আর তাই পেটের যেকোন সমস্যায় আশযুক্ত খাবার, এই যেমন- শাক, সব্জি ইত্যাদি খাওয়া উচিৎ আমাদের। খেয়াল করে দেখুন তো আপনার খাবার তালিকায় এগুলো আছে কীনা? নেই? তাহলে জলদি এই খাবারগুলো নিজের খাদ্যতালিকায় নিয়ে আসুন। [][][]২। খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনা : অনেকসময় এক রকমের খাবার গ্রহন করায় আমাদের শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়। তাই নতুন করে কোন খাবার খেলে বা খাদ্যতালিকায় কোন পরিবর্তন আনলে এতে করে শরীর বিদ্রোহ করে নানা ভাবে। আর এই উপায়গুলোর একটি হল কোষ্ঠকাঠিন্য। [][][]৩। পর্যাপ্ত পানি পান না করা : অনেকসময় পর্যাপ্ত পানি পান না করার কারণে আমাদের শরীরের ভেতরে খাবার ভালোভাবে হজম করতে পারেনা, পরিপাকে সমস্যা হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেই। তাই নিয়মিত প্রচুর পানি পান করুন। [][][]৪। ও...

বুক জ্বালার সমাধানে কিছু নিয়ম মেন্টেইন করুন....!

ছবি
চিকিৎসাবিজ্ঞানে বুকজ্বলার নাম গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লেক্স। মানে পাকস্থলীর অম্লজাতীয় পদার্থ হঠাৎ খানিকটা খাদ্যনালিতে ঠেলে উঠতে চাইলে বুকজ্বলার শুরু। খুব সাধারণ কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। একসঙ্গে অনেক বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। অল্প পরিমাণে বারবার খান। একেবারে ভরপেটে পাকস্থলী খাদ্যনালির স্ফিংটার বা দরজার ওপর চাপ ফেলে। তাই বুকজ্বলা বেড়ে যায়। খেতে হবে ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে। তাড়াহুড়ো করে খেলে সেই একই অবস্থা, স্ফিংটারের ওপর চাপ পড়ে। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। কিছুক্ষণ বসে বই পড়ুন বা টিভি দেখুন বা হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। রাতে খাওয়া আর ঘুমের মাঝে অন্তত দুই ঘণ্টার বিরতি থাকা চাই। এতে করে খাবার পাকস্থলী থেকে নিচে নেমে যাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ পাবে। খাওয়ার পরপরই ভারী ব্যায়াম করবেন না। খাওয়ার অন্তত কয়েক ঘণ্টা পর ব্যায়াম করা যাবে। যাঁদের রাতে বুক জ্বলে, তাঁরা মাথার দিকটা একটু উঁচু করে শোবেন। কার্বনযুক্ত পানীয় (যেমন কোলা) এড়িয়ে চলুন। এগুলো বুকজ্বলা বাড়ায়। কিছু খাবারও আছে, যা সমস্যা বাড়াতে পারে। সেগুলো চিহ্ন...

ভুঁড়ো হতে না চাইলে এই টিপস মেনেচলতে পারেন .....!

ছবি
কখনো অামরা ভুড়ো হতে চাইনা....! বুড়ো হতে চায় না এমন মানুষের সংখ্যা অনেক । আপনিও যদি তাদেরই একজন হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিনি এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খাওয়া শুরু করলে ত্বকের বয়স তো কমবেই, সেই সঙ্গে জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো। প্রসঙ্গত, এই খাবারগুলি খেলে কিন্তু বাস্তবিকই বয়স ধরে রাখা সম্ভব। কথাটা শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না নিশ্চয়? ভাবছেন খাবারের সঙ্গে বয়সের কী সম্পর্ক, তাই তো! আসলে বেশ কিছু খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেমন ধরুন নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বয়স তো কমায়, সেই সঙ্গে শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু বাড়তে সময় লাগে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী খাবারের মধ্যে শরীরের বয়স কমানোর ক্ষমতা রয়েছে... []১. দইঃ বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থ...