পোস্টগুলি

মাক্স এখন চাহিদার হট প্রডাক্ট....!

ছবি
মাস্কের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ বায়ুবাহিত ভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। সাম্প্রতিক বিশ্বের ঘটনাগুলো মানুষকে বড়ই চিন্তিত করে তুলেছে। এর ফলে সবাই ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এই ভাইরাস থেকে রক্ষার অন্যতম সেরা উপায় হলো উচ্চমানের ফেসমাস্ক ব্যবহার করা যা আপনাকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য বায়ু দূষণকারী রোগ থেকে নিরাপত্তা দেবে। বিশেষ করে এই ন্যানো টেকনলিজতে বানানো ফেস মাস্কগুলো অসাধারণ সুরক্ষা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ন্যানো মাস্ক কী? একে অক্সিব্রেথ প্রো মাস্ক বলা হয়। এই মাস্কটি খুব ভালো সুরক্ষা দিতে পারে। কেননা এই মাস্কটি আপনার মুখ এবং নাক পুরোপুরি ঢেকে দেয় এবং এটি খুব আরামদায়ক। এই মাস্কটি ব্যাবহারের পর ধোয়া যায় এবং পুনরায় ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি এটি যথেষ্ট টেকসই। অক্সিব্রেথ প্রো মাস্কটি বিশ্বজুড়ে দ্রুত বিক্রি হচ্ছে। এর কারণগুলো হলো- • এই মাস্কের রয়েছে ন্যানো টেকনোলজি ডাস্ট ফ্রি এয়ার ফিল্টার পিএম ২.৫। • এই মাস্কটি এমনভাবে তৈরী যার ফলে শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। • এটি যথেষ্ট আরামদায়ক মাস্ক। • মাস্কটি ধুয়ে বারবার ব্যবহার করা যাবে...

করোনাভাইরাস

ছবি
চীনে করনা ভাইরাসের আক্রমনের ভায়াবহতায় চীনের হুবেই প্রভিন্সের ক্যাপিটাল সিটি সহ ৮ টি শহর সরকার থেকে লক করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ থাকবে সব ধরনের ডোমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট। সাব ওয়ে, মেট্রো, পাবলিক বাসও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ সরকার থেকে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যাতে কেউ শহর ত্যাগ না করে।এছাড়া সরকার থেকে এই ভাইরাস মোকাবেলা করার জন্য সাধারন মানুষের জন্য রিয়েল টাই নির্দেশনা প্রদান করছে। এখন পর্যন্ত ১১৮৪ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক লক্ষ  এর অধিক মানুষ। চীন সরকার এর পক্ষ থেকে এই সমস্যা মোকাবেলায় সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে৷বেশ কয়েকটি সরকারি গবেষনা সংস্থা এই বিষয়ে বিভিন্ন উইনিটে কাজ করছেন। এই সক্রামক চিকিৎসার জন্য সকল খরচ সরকার বহন করছে৷ সরকার থেকে জানানো হয়েছে কারো যদি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন দেয়া যায় তাহলে যেন তাত্ক্ষণিক ভাবে হসপিটালে জানানো হয়। তাদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। হুবেই প্রভিন্সের উহান সিটির একটা বিশেষ জায়গায় আগামী ৬ দিনের মধ্যে তৈরি হচ্ছে একটা স্পেসালাইজড আন্ডারগ্রাউন্ড হসপিটাল । যেখানে করনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগিদের বিশেষ চিকিৎসা...

করনা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বারছে মৃত্যু একহারা ছাড়িয়ে গেছে

ছবি
 ম ঙ্গলবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বরাতে জানা গেছে , সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত দেশটির মূল ভূখণ্ডে অন্তত ২ হাজার ৪৭৮ জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৬৩৮ জন। সোমবার মৃতদের মধ্যে ১০৩ জনই মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের এবং অন্তত ৬৭ জন সেখানকার রাজধানী শহর উহানের। দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এক বৈঠকে জানিয়েছেন, অন্তত ২০ হাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের উৎসস্থল উহানে পাঠানো হয়েছে। আরও কয়েকটি টিম সেখনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। চীনের জাতীয় হেলথ কমিশনের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৩ হাজার ২৮১ জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া অন্তত ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫১৮ জন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এবং প্রাণহানি বাড়তে থাকায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে অধিকাংশ দেশ। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে অনেক আগেই (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) ভাইরাসকে ছাড়িয়েছে করোনা...

অাতঙ্কর নাম করোনা ভাইরাস.......!

ছবি
করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায় নি। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি। ২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস। ''সার্সের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এখনো আমরা ভুলতে পারিনি, ফলে নতুন ভাইরাসের প্রচণ্ড ভীতির তৈরি হয়েছে। কিন্তু এ ধরণের রোগ মোকাবেলায় আমরা এখন অনেক বেশি প্রস্তুত,'' বলছেন ওয়েলকাম ট্রাস্টের চিকিৎসক জোসি গোল্ডিং। চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাসটি প্রথম সনাক্ত হয় লক্ষণগুলো কতটা মারাত্মক? জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপরে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়। প্রতি চারজন...

পিনাট বাটার তৈরি

ছবি
বাজারে সুপার শপগুলোতে পিনাট বাটার পাওয়া যায়। তবে চাইলে বাড়িতেও খুব সহজে ও অল্প খরচে এটি তৈরি করা যায়। আর এই পিনাট বাটার তৈরিতে মাত্র ৩টি উপাদান প্রয়োজন। যা যা প্রয়োজনঃ-- ভাজা খোসা ছাড়ানো এক কাপ চিনা বাদাম, ১/২  চামচ চিনি, সামান্য পরিমাণ লবণ। প্রণালিঃ--- বাদাম প্যানে ঢেলে নিন কিংবা দুই মিনিট ওভেনে বেক করুন। ব্লেন্ডারে সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে থাকুন। যতক্ষণ না পুরোপুরি মসৃণ হয় ব্লেন্ড করতে থাকুন। সব উপাদান ঠিকমতো মিশে ঘন মিশ্রণ তৈরি হলে একটি জারে ভরে সংরক্ষণ করুন। ছোট বড় সবাই পিনাট বাটার খেতে পারবেন। তবে বড়দের ক্ষেত্রে দিনে এক টেবিল চামচের বেশি খাওয়া উচিত নয়। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা চিনি ছাড়া পিনাট বাটার তৈরি করুন। রুটির সাথে পিনাট বাটার খেয়ে কমান্স লিখুন। চাইলে বাজারে পাইকারী বিক্রি করতেপারেন।

শিশুর উপর মানুষিক চাপ বিপদ ডেকে আনবে.....

ছবি
অামাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ কি...? কোচিং বানিজ্য...? নামি ইস্কুলে ভর্তি যুদ্ধ...?  খুব পীড়া দেয় আমাকে। শিশুর স্কুল ব্যাগ। ছেলে-মেয়েকে যখন ভারী একটা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যেতে দেখতাম, মনে হতো ব্যাগের ভারে ওদের মেরুদণ্ড বুঝি শৈশবেই বেঁকে যায়। এটাকে আমার একপ্রকার শিশু নির্যাতন বলে মনে হয়। শিশুদের ১০-১২ বছর বয়সে কতটুকু ওজন বহন করবে এর একটা নিয়ম মেন্টেইন থাকা জরুরি বিষয় বলে অামি মনেকরি। পর্যাপ্ত মানুষিক চাপ শিশুদের মেধা বিকাশের মাধ্যম হতে পারেনা, অামাদের অাগামি প্রজন্মকে অামরা রুগ্ন শিক্ষার দিকেই ঠেলে দিচ্ছে নাতো প্রশ্ন.......??? অাজকের শিক্ষা থেকে শিশুর মনের দিকটা এবং শরিরের দিকটা দেখা বেশি জরুরি বিষয়।

নারী উদ্যোক্তা ফেজবুক পেজে

ছবি
দেশের নারী উদ্যোক্তারা কিভাবে ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করছেন? নতুন আসা পণ্যের ছবি তুলে ফেসবুক পাতায় তুলে দেয়া হয়। ক্রেতাদের সাড়া পাওয়ার পর সেগুলো 'ক্যাশ অন ডেলিভারি' ভিত্তিতে পৌঁছে দেয়া হয় বাংলাদেশে গত ক'বছর ধরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ফেসবুক ভিত্তিক অনেক পাতা তৈরি হয়েছে, যেখানে নানা ধরণের পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে। এসব পণ্য ক্রেতা-বিক্রেতাদের বেশিরভাগই নারী এবং যাদের অনেকে ছাত্রী বা গৃহবধূ। খবর বিবিসি বাংলার । এসব ফেসবুক দোকানের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে পোশাক আশাক থেকে শুরু করে রূপসজ্জা এবং গৃহসজ্জার নানা জিনিসপত্র, ঈদের সময় যাদের বিক্রি বাট্টা অনেকগুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিনই বাংলাদেশের ফেসবুক পাতাগুলোয় কাউকে না কাউকে এ ধরণের পণ্য বিক্রির লাইভ বা সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাওয়া যাবে। যেমন কল্পতরু নামের একটি ফেসবুক পাতায় দেখা যাচ্ছে, পাতাটির মডারেটর নতুন সংগ্রহ করে আনা কাপড়চোপড় ফেসবুক পাতার মাধ্যমে সরাসরি তুলে ধরছেন। প্রতিদিনই বাংলাদেশে ফেসবুক পাতাগুলোয় কাউকে না কাউকে এভাবে সম্প্রচার করতে দেখা যায়। ঈদের আগে আগে এই প্রবণতা আরো বেড়েছে। কারণ বাংলাদেশ এখন এভাবে ফেসবুকের...