পোস্টগুলি

"অামার বকুল ফুল"--তৃতীয় খন্ড

চিঠি --- "প্রিয় স্বামি" অামি প্রতিটা ক্ষন তোমার জন্য অপেক্ষা করে অাজ মৃত্যুর পথে, অামি প্রতিটা রাত্রে ঘুমাতে পারিনা মনে হয় তুমি অাসলে এই বুঝি। পথের পানে তাকাতে তাকাতে অামি অার পারলাম না তুমি ভূল বুঝনা অামায় তোমার সন্তান "অনন্ত"ও তোমার অামার স্মৃতী ওকে তুমি দেখো। ইতি তোমার "বকুলি " অামি কাঁদলাম বুকটা ফেটেগেল অামি অার পারছি না এত কষ্ট চোখ মুছে নিলাম। ইছা মতির পানির মত বয়ে চলবে জীবন। "অনন্ত"চির কাল থাকবে হাজার বেদনা তাদের কে কাবু করবেনা। <><><>উৎসর্গ®অমন হাজার" অনন্ত" যারা পরাজয় মানেনা। (গল্পটি কাল্পনিক লেখক ঃFZ Rashel)

"আমার বকুল ফুল"--- ২য় খন্ড

বড় বউ বাচ্চাদের নিয়ে জীবন কাটাতে লাগলাম  কিছুদিন পরে প্রজেক্টি বন্ধ হয  গেল বেকার হয়ে পরলাম। বলি--বলি করে বড় বউকে "বকুলির" কথা বলার সাহস হয়ে উঠেনি। বাথরুমে এক দিন অায়নার সামন দাড়িয়ে "বকুলির" কথা মনে পড়লো দুচোখ ফেঁটে কান্না বেরিয়ে অাসলো। অসহায়ের মত মনে মনে "বকুলির" জন্য হৃদয়ে ব্যাকুল এক ভালবাসা অনুভব করলাম। বাড়ী বদল হলো অামি অন্য কাজের সন্ধনে-চলে এলাম ময়মনসিংহ জীবনে এভাবে তিনটি বছর পার হল "বকুলি " অার অামার দেখা নেই " ও" কেমন অাছে অামি জানিনা..। ও কি অাজও অামার পথে তাকিয়ে অাছে অামি কিছুই জানিনা। ইছামতি নদি পাশদিয়ে বয়ে জাওয় একটি গ্রাম অার অামার "বকুলি " কখন কখনই অামি ভূলবোনা। বছর তিনেক পরে অামি অাবার ফিরলাম অামার "বকুলি" অামার বকুল ফুলের সন্ধানে। জীবনের অাবেগ অার ভালবাসা সেদিন "বকুলি " অামার বকুল ফুলকে চেয়ে ছিল ব্যাকুল করে অামি অাসছি তোমায় ভাল বাসতে ।  ইছা মতি নদি অার সবুজ গ্রামের মেঠোপথ পার হলাম অার তো ছাদেক মিয়ার চায়ে দোকা...

"আমার বকুল ফুল"

 "অামার বকুল ফুল" প্রথম খন্ড-----(১) প্রথম চাকুরীটা পেলাম নতুন প্রজেক্টে, গ্রাম কেন্দ্রিক স্বাস্থসেবা। অামার গ্রামের বাল্য এক বন্ধুর  সহযোগীতায়, অাশ্রয় মিল্ল একটি বাসায়। গ্রামের কৃষক কৃষি কাজ করেন মতি মিয়। বড় অভাবের সংসার একটি মাত্র-মে। দুইবেলা দু -মুঠ ভাত অার ডাল তরকারি এভাবে জীবন। বছর ১৫-১৬ বয়সের মে, --- নাম" বকুলি" ---অষ্টম শ্রেনীতে --পড়ে । অামার থাকার স্থান হল তাদের ---- একটি কক্ষে। এভাবে কেটে গেল দুই-তিনদিন। সারা দিন কাজের পরে বাসায় ফিরলাম। "বকুলি" অামার ---দরজার সামনে। তখন অামার তার সাথে প্রথম কথা হলো। ---অামি :তুমি "বকুলি " ---"বকুলি ":মাথা নারালো..হু...! ---অাসো ভিতরে অাসো --"বকুলি " ভিতরে অাসলো। --অংকের একটি খাতা হাতে। --অামাকে বল্ল অংকটাএকটু ---মিলাতে পারছিনা একটু দেখবেন..? অামি অংকটা মিলাতে লাগলাম। কিছুটা সময় পার হবার পরে হঠাৎ "বকুলি "দরজাটা বন্ধ করেদেয়। অামি কিছুই বুঝে উঠার অাগে "বকুলি" চিৎকার দিয়ে তার বাবা-- মা--কে ডাক...

"ভয় "

এক দিন রাত্রে ঢাকা থেকে বাড়ী ফিরছি, অানুমানিক ১০টা ১১টার ভিতরে অামাদের বাড়ী পৌছানোর কথা। কিন্তু গাড়ীর যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে রাত ১টা ৩০মিনিটে পৌছালাম। চারি ধারে    নিস্তব্দতা এক রকম গা ছম ছম পরিবেশ , নির্জনে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক কোলা ব্যাঙ এর ঘ্যাঙ্গর ঘ্যাঙ্গর ডাকে অসস্তী বোধ করছি। হঠাৎ একটা কি জেনো অামার পাস দিয়ে শো শো শ্বদ্ধ করে উড়ে গেলো অামার কানের ঠিক যেন এক ইঞ্চী পরিমান পাশ ঘেশে এক ধরনের তাপ বা গরম ভাব অনুভব করলাম। অামি ভয় পা টেনে      টেনে হাটছি এক ধরনের নির্যনতা অনুভব করছি। কিছু দুরে এগুতেই কি যেনো অদ্ভুধ গো গো শব্দ, ভাল ভাবে দেখার জন্য সামনে এগিয়ে যা দেখলাম তা অামার জীবনে এক ভয়ঙ্কর স্মৃতী । কিছুটা এগিয়ে ঝোপের অাড়ালে লুকিয়ে দেখলাম ছোট ছোট শিশু অাকৃত্রির কালো লোমদিয়ঢাকা , এবং লাল উজ্জল চোখ যেন জ্বল জ্বল করে জ্বল ছে। প্রানি গুলো কি যেন ছিড়ে ছিরে খাচ্ছে, ভাল করে দেখার জন্য একটু এগিয়ে দেকলাম একটি মানুষের মৃত বাচ্চা খাচ্চে প্রনী গুলো।অামি নিজেকে সামলাতে পারলাম না তার অাগে প্রানী গুলি অামাকে দেখেফেল্ল।এর পরে অার কিছু অামার মনে ...

"রাজার গল্প"

          ----এক দেশে এক রাজা ছিলো, রাজা তার রাজ্যের প্রজাদের দুঃখ কষ্ট দেখতেন  এবং তা দুর করার            জন্য যা করার --- তাই করতেন,  এক কথায় মহৎ রাজা।  রাজার নাম ধাম  চার দিকে --- ছড়িয়ে পরলো।  ---রাজ্যে সকলে --- সুখ শন্তিতে দিন  --কাটতে লাগলো। রাজা ভাবলেন অনেক দিন তো  ---হলো এবার  বনে হরিন সিকার করতে যাই। --- ঠিক তো --- রাজার চাওয়া --- বলে কথা । বন জঙ্গল পাড়ি --- দিয়ে রাজা  ---চলছেন হরিন --- সিকারে উজির  ---নাজির কোতয়াল রাজা,  ---সকলে চলতে ---- চলতে পিপাশার্ত  ---বা তিষ্নার্ত হয়ে  ----একটা বট গাছের  --নিচে বিশ্রম নিচ্ছেন।  ----রাজা একটু ক্লন্ত হয়ে বিশ্রমের জন্য  ---শুতে মনস্ত করলেন ,  ---শুয়ে রাজা গাছের --- দিকে তাকিয়ে  --চিৎকার দিলেন, উজির নাজির  ---কোতয়াল ছুটে  ---অাসলেন।  -...