পোস্টগুলি

থানকুনি পাতার ঔষধী গুনাগুন..!ভেষজ দাওয়াই থানকুনি

ছবি
থানকুনি: অতি পরিচিত গ্রামে গঞ্জে বাঙ্গালীর জীবনে বিভিন্ন পথ্য তৈরীতে এবং হারবালঔষধে ব্যাবহার হয়ে অাসছে থানকুনি পাতা। থানকুনি বিভিন্ন সংস্কৃত গ্রন্থে ব্রাহ্মী উদ্ভিদ নামে পরিচত । থানকুনির সিক্ত পতিত জমি বা জায়গাতে কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই আগাছা হিসাবে জন্মে থাকে । থানকুনির পাতা পেটের সমস্যা  ,জ্বর, মূত্রবর্ধক, কোস্ট এবং ফুসকুড়িতে জন্য বাইরে প্রয়োগ করা হয় । দীর্ঘায়ু এবং মানসিক কার্যকারিতা , ক্লান্তি এবং বিষণ্নতা হ্রাস এবং লিঙ্গ উদ্দীপিত করে । এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের শক্তি বর্ধক এবং সংবহনতন্ত্র এর স্থায়িভাবে স্ফীত বা বর্ধিত শিরা কমাতে সাহায্য করে । এটা ছাড়াও চামড়া এবং সংযোজক টিস্যু রিপেয়ারিং এবং মসৃণকরণ ভূমিক রাখে । থানকুনির সক্রিয় উপাদানের Bacoside A এবং B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষের জন্য উপকারী । ফলস্বরূপ থানকুনি মানসিক নির্মলতা, আস্থা, বুদ্ধিমত্তা উন্নত করনে ভূমিকা রাখে । থানকুনি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ছাত্রদের ও বয়স্ক মানুষ এর স্মৃতি শক্তি উন্নত হয় ।Asiaticosides reticuloendothelial সিস্টেম যেখানে নতুন রক্ত কোষ গঠিত হয় ও পুরাতন রক্ত কোষ ধ্বংস হয় ।...

মোটা হবার ১১টি টিপস ১০০% গ্যারান্টি.....

ছবি
বেশি মোটা বা চিকন কোনটাই ভালনা, তাই মোটা চিকন নিয়ে চিন্তার যেন শেষ নেই অাজ অামি মোটা হবার কিছু টিপস তুলে ধরলাম দেখুন। মোটা হওয়ার ব্যাপারে কিছু টিপস দিচ্ছি। চেষ্টা করলে চিকন শরীরের কিছুটা উন্নতি হবে। ১। নিয়মিত এবং প্রচুর পরিমানে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে, রুটিন করে খাবেন। যখন মন চাইলো আর খেলেন সেই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। ২। ৩ বেলাতেই ভাত খান। সম্ভব হলে ৪ বেলা খেতে পারেন। প্রতিবেলা ভাতের সাথে প্রচুর পরিমানে আলু তরকারি হিসেবে খেলে ভাল ফলাফল পাবেন। সাথে ডালও যেন অবশ্যই থাকে। ৩।প্রতিদিন খাবার তালিকায় গোস্ রাখুন গরু,ছাগল, এর চর্বযুক্ত গোস্ খেতে পারেন। ৪। সকালের নাস্তাতে ২টি সিদ্ধ ডিম খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম মুরগীর ডিমের চাইতে ভাল কার্যকর। হাফ বয়েল করে খেতে পারলে আরও ভাল হবে। দুই গ্লাস দুধ খেতে পারলে ভাল। ৫। সকালে যদি ভাত না খেতে চান, তাহলে পরোটা খাবেন। তবে পরোটার সাথে আলু ভাজি এবং সিদ্ধ ডিম অবশ্যই থাকতে হবে। ৬। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। ৭। সকাল  ভাজা খাবার কিংবা চিকেন ব্রেস্ট খেতে পারেন। মিষ্টি ও চর্বি বা তৈল...

সরিষার তেল এবং স্বাস্থ্যকর যতগুনাগুন.....

ছবি
খাঁটি সরিষার স্বাদ ছাড়া খাঁটি বাঙ্গালী হওয়া জায়না...!  সরিষা দানা পিষে সরিষার তেল তৈরি করা হয় যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। সরিষার পাতা সরিষার শাক বা সর্ষে শাক হিসেবে খাওয়া হয়। ভর্তা বা গরম ভাতে সরিষার তেল ছাড়াতো বাঙ্গালী অানা অপূর্ন থাকেই...! সরিষা একবর্ষজীবি উদ্ভিদ। এর উৎপত্তিস্থল এশিয়া। ভারতীয় উপমহাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে শীতকালীন রবি শস্য হিসেবে সরিষার চাষ করা হয়। সরিষার গাছ দৈর্ঘ্যে ১ মিটার মত হয়, তবে রাই সরিষা ২ মিটারও উঁচু হতে পারে সরিষার তেল ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ। খনিজের মধ্যে সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং বেটা ক্যারোটিন থাকে। আর থাকে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। চুলের বৃদ্ধিতে ভিটামিন “এ” এর ভূমিকা অপরিসীম। অন্যদিকে সরিষার তেল ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফ্যাটি এ্যাসিড সমৃদ্ধ। এর ফ্যাটি এ্যাসিড আপনার চুলকে ন্যাচারাল লুক দিবে। একই সাথে চুলকে চকচকে করে তুলবে। তাই চুলের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার করবেন।  উপমহাদেশে প্রাচীন  কাল থেকেই সরিষার তেল দিয়ে খাবার রান্না করার চল ছিল। সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাস যুক্ত তে...

পাইলস চিকিৎসা অপারেশন ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই....!

ছবি
পাইলসের চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তির শেষ নেই।এছাড়া অনেক রোগীই এ রোগকে অবহেলা করেন। অথচ প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিলে পাইলসের বিভিন্ন জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাইলস চিকিৎসার অাধুনিক অপারেশন সূমহকে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই। সাধারনত অ্যাডভান্সড স্টেজ অর্থাৎ থার্ড ডিগ্রি ও ফোর্থ ডিগ্রিপাইলসে অপারেশনপ্রয়োজন হয়। পাইলসে জটিলতা দেখা দিলে ও অন্যান্য রোগ যেমন এনাল ফিসারের সঙ্গে পাইলস থাকলেও অপারেশন প্রয়োজন হয়। এসব পাইলসের অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্তমানে  এর অাধুনিক যে অপারেশন  অর্থাৎ 'লংগো' অপারেশন ' তা করা সম্ভব। এ অপারেশনে বাইরে কাটা-ছেঁড়া না থাকায় অপারেশন পরবর্তী  ব্যাথা একেবারে হয়না বললেই চলে। অপারেশনের সময় রক্তপাত হয়না। পাইলস রোগিদের অপারেশনের ক্ষেত্রে অার একটি ভয় টয়লেট নিয়ে। পায়ুপথে অপারেশন হয়েছে, টয়লেট কীভাবে হবে এ ভয় অনেকেই অস্থির থাকেন। লংগো অপারেশনের পরপরই রোগী  স্বাভাবিকভাবে টয়লেট করতে পারেন। অনেক বড় পাইলস হয়ে গেলে কিংবা পাইলসের সঙ্গে এনাল ফিসার থাকলে  এ রোগিদের টয়লেট করতে খুব কষ্ট হয়। এ অপারেশনের মাধ্যমে এসব সমস্যা দূর হওয়ায়  র...

লাল চাল না সাদা চাল....? লাল চালের উপকারিতা কি.....?

ছবি
লাল চাল এর গুনাগুনঃ স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে লাল চাল অন্যতম। কারণ লাল চালের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। সুস্বাস্থ্যে যেগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। নিয়মিত লাল চালের ভাত খেলে ধমনিতে ব্লকেজ হওয়ার আশঙ্কা অনেকখানি কমে যায়। লাল চাল সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ। যা স্বাস্থ্যকর হার্টের জন্য উপকারী। লাল চালে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা স্তন ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, লিউকেমিয়া প্রভৃতির প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। পিত্তরসের ক্ষরণ কমায়। খাবার পরিপাক করে হজমে সহায়তা করে। প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম থাকে যা অস্টিওপোরোসিস ও অন্য হাড়ের রোগ প্রতিরোধ করে। স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে লাল চালকে ভাবা হয়। কারণ, লাল চালের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। সুস্বাস্থ্যে যেগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। চলুন জেনে নেওয়া যাক লাল চালের ৪টি দারুণ পুষ্টিগুণের কথা- হার্টের জন্য ভালো: নিয়মিত লাল চালের ভাত খেলে ধমনীতে ব্লকেজ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। লাল চাল সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ। যা হার্ট সুরক্ষার জন্য দরকারি। ক্যান্সার প্রতিষেধক: লাল চালে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিড্যা...

কিডনির পাথর গলবে মাত্র ৫/-টাকার একটি ফলে....! ঘরোয়া চিকিৎসায় ভাল হয় কি কিডনির পাথর....?

ছবি
তাহলে দেখুন.....  ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয় থাকে। গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার করে ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা  লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ৪ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ১২ আউন্স পানি মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে। শুধু কিডনির স্টোনই নয়, লেবুর রসে আরও অনেক উপকারিতা আছে। সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্যের মধ্যে লেবু অন্যতম। লেবুর রয়েছে অনেক উপকারি শক্তি। এর উপকারিতাগুলি হলো - ১.) লেবু আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে। ২. স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে    লেবু।  ৩. এটি রক্তচাপ ( ব্লাড পেসার) কমায় আর রক্তে এইচ ডি এল ( ভালো কলেস্ট্ররল) বাড়ায়। ৪. লেবু কোলন, প্রোস্টেট এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে। কোষের উল্টাপাল্টা পরিপাকে বাধা দেয়, যেটি মূলত ক্...

চর্মরোগ বা চুলকানি খোস পাঁচড়ায় করনীয় কি...?

ছবি
 অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগের  নাম স্ক্যাবিস বা খোস পাঁচড়া, যা সারকটিস স্ক্যাবি নামক ক্ষুদ্র মাইট দ্বারা হয়। মাইট উকুনের মতো ছোট জীবাণু। এটি কোন যৌনরোগ নয়। যেহেতু রোগটি রোগটি ছোয়াচে, সেহেতু খুব সহজেই পরিবারের অন্য সদস্যরা অাক্রান্ত  হয়।  সাধারনত একই  বিছানায় শোয়া বা  ঘনিষ্ঠ  সাহচর্যে থাকলে, অথবা একই    কাপড় -চোপড় ব্যবহার করলে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। চেনা যায় যেভাবেঃ ত্বকের ওপর অনেক সোজা অথবা "ঝ" অাকারের কালো সুতার মতো ছোট ছোট রেখা দেখতে পাওয়া যায়, এটাকে বার বলে। এ রেখার শেষভাগে ছোট দানা অথবা পানিযুক্ত ছোট  দানা থাকে।  এ দানাগুলোই মাইটদের অাবাসস্থল। এখানে ডিম পাড়ে। উপসর্গঃ এ রোগের বিশেষ এবং প্রধান উপসর্গ হলো সারা শরীর চুলকানো। এ চুলকানি  বিশেষত রাতের বেলায় বেশি হয়। রাতের বেলা বিছানার গরমের জন্য মাইটগুল চামড়ার নিচে চলাচল করতে শুরু করে,ফলে রাতের বেলায় বেশি চুলকানি অনুভূত হয়। প্রতিকারঃ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ও অাক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ পরিহার করা। কাপর-চোপর, বিছানা তোশক রোদে দিতে  হবে।  এক কথায় মনে রাখুন যে  অ...