পোস্টগুলি

চা পানিয় হিসেবে খুবই জনপ্রিয় কিন্তু এর স্বাস্থ্য গুন কি...?

ছবি
লাল চা পানিয় হিসেবে খুবই জনপ্রিয় তাই চলুন চায় চুমুক দিতে দিতে এর গুনাগুন কি দেখে নেই। লাল চায়ের মধ্যে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ লাল চা খেলে মনোযোগ বাড়ে। এর মধ্যে থাকা চায়ের ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুরক্ষা দেয় বিভিন্ন রোগ থেকে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত এক প্রতিদিনে বলা হয়েছে লাল চা খাওয়ার স্বাস্থ্যগত  সকল উপকারিতার কথা। চলুন, জেনে নিই    চায়ের গুনের সেসবের কথা। ☕হার্টের জন্য ভালোঃ গবেষণায় বলা হয়, লাল চা খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। চা এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিকর স্বাস্থ্যগত  কোলেস্টেরলের জারিত হওয়া প্রতিরোধে কাজ করে। নিয়মিত লাল চা খেলে হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে। ☕ক্যানসার প্রতিরোধেঃ  ক্যানসার প্রতিরোধে  লাল চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রেক্টাল, জরায়ুর ক্যানসার, ফুসফুস ও ব্লাডার ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এটি স্তন ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার ও পাকস্থলীর ক্যানসারও প্রতিরোধে কাজ করে। ☕রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ লাল চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষম...

রাইস ব্রান অয়েল কি...? এর স্বাস্থ্যকর গুন কি...?

ছবি
রাইস ব্রান অয়েলঃ পুষ্টি বেটার লাইফ আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন (AHA) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্থ্যসম্মত তেলের সর্বাপেক্ষা নিকটবর্তী মাত্রায় অবস্থান করছে রাইস ব্রান অয়েল। American Heart Association বিভিন্ন রকমের ভোজ্য তেলের তুলনামূলক গবেষণায় চালের কুরার তেল বা রাইস ব্রান অয়েল কে মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরনে সর্বোৎকৃষ্ঠ বলে আখ্যায়িত করেছে এবং হৃদপিন্ডের কার্যকারিতা ও হৃদরোগ প্রতিরোধে এর কার্যকারিতার জন্য এই তেলকে হার্ট ওয়েল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এতে রয়েছে সর্বাধিক পরিমান Oryzanol যা রক্তের ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরলের (মন্দ কোলেস্টেরল) মাত্রা কমিয়ে এবং HDL কোলেস্টেরলের (ভালো কোলেস্টেরল) মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ জন্য এই তেলটি জাপানে হার্ট গার্ড অয়েল হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে সুপার সপগুলোতে যে রাইস ব্রান অয়েল পাওয়া যাচ্ছে তার বেশীর ভাগই বাংলাদেশর ধানের কুঁড়া থেকে উৎপাদিত এবং ভারেত থেকে আমদানিকৃ তবে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এই তেল বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন ক...

থানকুনি পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা কি....?

ছবি
থানকুনি পাতা বাংলাদেশে  অতি পরিচিত এলটি বেষজগুনে সমৃদ্ধ উদ্ভিদ। অাজ অালচনার বিষয় থানকুনি পাতার  গুনাগুন নিয়ে। গ্রামবাংলায় আমাদের অগোচরে কত গাছ গাছড়াই তো ছড়িয়ে আছে, এর কটাকেই বা আমরা  যানি বা চিনি। থানকুনি গাছ বা থানকুনি পাতা তেমনই এক ধরণের উদ্ভিদ। ভেষজগুণে সমৃদ্ধ থানকুনির রসে রয়েছে শরীরের জন্য প্রচুর উপকারী খনিজ ও ভিটামিন জাতীয় পদার্থ। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার পাশে কিংবা ক্ষেতের আইলে ছোট ছোট তারার মত খাঁজকাটা এই থানকুচি পাওয়া যায়। অনেক অাবার এই পাতাটিকে ভর্তা করে খায়। থানকুনি পাতা বা গাছের ইংরেজি নাম Indian Pennywort। এর ল্যাটিন নাম Centella asiatica এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica Urban। সংস্কৃতে থানকুনি 'ব্রাহ্মী' নামে পরিচিত। তবে আয়ুর্বেদে একে বলা হয় ত্বাষ্ট্র। তবে সব অঞ্চলে থানকুনি পাতা নামে এই পাতাটিকে নাও চিনতে পারে অনেকে। অঞ্চলভেদে এই পাতাটিকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি , ধূলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়। এই হলো থানকুনি পাতার প্রাথমিক পরিচিতি। ছোট্ট এই গাছটির মূল, কান্ড ও পাতার উপকারিতা: ...

অাপেল এর পুষ্টিগুণ কি...?

ছবি
আপেল  স্বাস্থ্য গুনে ভরপুর একটি ফলের নাম।পুষ্টিগুণে অন্য সব ফলের মত অাপেল অসাধারন একটি ফল, অাপেল নিয়ে অাজকের এই লেখা........ • আপেল রোগ প্রতিরোধক ও পুষ্টিকর একটি ফল, যা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। • এতে আছে শর্করা, ভিটামিন, খনিজ লবণ, আঁশ, পেকটিন ও ম্যালিক অ্যাসিড। ভিটামিনের মধ্যে আছে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি। • আপেলের খোসায় ভেতরের থেকে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ভিটামিন-এ আছে। • আপেল ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। আপেলের মধ্যে পেকটিন-জাতীয় একটি উপাদান থাকে, যা শরীরকে কোলন ক্যানসার থেকে দূরে রাখে। ফুসফুসের ক্যানসার ও লিভার ক্যানসার প্রতিরোধেও আপেলের ভূমিকা আছে। • হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। • আপেল খেলে মেদ জমে না। • এটি দাঁতের মাড়ির জন্য উপকারী। আপেলের রস দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে দাঁত ভালো থাকে। • প্রতিদিন আপেল খেলে হজমের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে পেটে। ফলে হজমশক্তি বাড়ে। • শরীরের জন্য সবুজ আপেল সবচেয়ে ভালো। ২০০৪ সালে আমেরিকায় ১০০-এরও বেশি খাবারের ওপর গবেষণা করে হয়। মূলত, খাদ্যগুলির মধ্যে কতটা পরিমাণে অ্যান্টি অক্সি...

Sex বা যৌন শক্তি বৃদ্ধির উপায় কি...?

ছবি
Sex বা যৌন শক্তি বৃদ্ধির উপায় নিয়ে মানুষের অাগ্রহটা সবথেকে বেশি দেখা যায়। সেই প্রাচিন কাল থেকে অাজ এপর্যন্ত অনেক বই লেখা এবং গবেষক গনের উপনিত ফলাফলের অনালোচিত বিষয় Sex বৃদ্ধির বা কাম শক্তিধর হবার উপায় অার এই বিষয় অাজ প্রতিবেদন টি লেখার বিষয় ঠিক করলাম: মধুঃ যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখার শ্রেষ্ঠ উপাদান হল মধু (honey)। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু (honey)চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়। প্যারালাইসিসের জন্যও মধু (honey)উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। খেজুরঃ  Sex বা যৌন শক্তির সঙ্গে  খেজুরের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ কারনেই বিবাহের অনুষ্ঠানে-খেজুর বিলি করার আদিম রীতি চলে আসছে। খোরমা খেজুর চুষলে পিপাসা দমন হয়। অধিকাংশ হালুয়া তৈরীতে এ কারণেই  খেজুর ব্যাবহার করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্...

জাম এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কি..?

ছবি
জাম বাংলাদেশে অতি পরিচিত বর্ষাকালীন একটি ফলের নাম।গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ফল হলেও পুষ্টিগুনে অতুলনিয় ফল জাম। জাম ও বীজ সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত বেশ কিছু গবেষণা থেকে জাম বীজের রক্তের গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণকারী গুণ সম্পর্কে জানা যায়। গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ১০-১২ গ্রাম পরিমাণ জাম বীজ পাউডার খেলে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল তথা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। জাম এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, চলুন জেনে নেই জামের স্বাস্থ উপকারিতা সমূহ। মানসিকভাবে সতেজ রাখে: জামে গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ রয়েছে, যা মানুষকে জোগায় কাজ করার শক্তি। বয়স যত বাড়তে থাকে, মানুষ ততই হারাতে থাকে স্মৃতিশক্তি। জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস নিরাময়ে সাহায্য করে: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জাম খাওয়ার ফলে ৬.৫ শতাংশ মানুষের ডায়াবেটিক কমে গেছে। এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জাম ডায়বেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখে। ভিটামিন সি জনিত রোগ দূর করে: জামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। যার ...

mango অাম এর স্বাস্থ্যকর গুনাগুন কি...?

ছবি
অাম সবার এক নম্বর পছন্দের ফল বিশেষ করে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফলের মধ্যে ৮০% মানুষ অামকে পছন্দ করে। এর স্বাস্থ্যকর গুনাগুন নিয়ে অালচনা করা হলো...... আমের আয়রন, আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান শরীর সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে থাকে।  অামে থাকে ক্যারোটিন যা চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে। কাঁচাআমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। আম কর্মশক্তি যোগায়। এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও পাকাআমে ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে। আরও আছে আয়রন যা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩ মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়। ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা ভিটামিন সি পাওয়া যায় বলে জানান ফারাহ মাসুদা। আমে রয...