পোস্টগুলি

কালো বা ব্লাক টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লরতে সক্ষম...!

ছবি
টমেটো বলতে অামরা লাল টুকটুকে টমেটো চিনেথাকি। কালো বা ব্লাক টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লরতে সক্ষম...! ব্রিটেনে সবার প্রথমে এই কালো টমেটোর উৎপাদন হয়। মিউটেশনের মাধ্যমেই এই টমেটোর উদ্ভব বলে জানা যায়- ১. মনে করা হয় এই ধরনের বিশেষ টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তে সক্ষম। ২. বলা হয়, নিয়মিত কালো টমেটো খেলে হৃদয়ঘটিত সমস্যা দূরে সরিয়ে রাখা যায়। ৩. ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামও পাওয়া যায় এতে যা রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে। এককথায় রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। ৪. সুগারের সমস্যা সমাধানে কালো টমেটো আপনার পক্ষে উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। ৫. চোখের জন্য উপকারী এই টমেটো। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ঘাটতি পূরণ করে এটি। পৃথিবী অাজ মানুষকে নতুন জীবনের হাতছানি হোক কালটমেটো রোগ নিয়ন্ত্রণে এক অনন্য উৎস....!

হেপাটাইটিস বি কি...?

ছবি
হেপাটাইটিস বি কি ? বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস একটি ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিষয়েক সমস্যা । হেপাটাইটিস বি এক ধরনের বি-ভাইরাস যা মুলত প্রথমে লিভারকে আক্রমণ করে থাকে। এর সংক্রমণের ফলে পৃথিবীর অন্যতম ঘাতক ব্যাধি লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার হয়ে যায় । রক্ত ও রক্তজাত পদার্থ মূলত এই ভাইরাসের প্রধান বাহক। প্রাথমিক পর্যায়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত- রোগী সাধারণ ভাবে কোনো লক্ষণ বহন করে না, অথচ এদের মাধ্যমে অন্যরা সংক্রমিত হয়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, রক্তরস, লালা, বীর্য ও বুকের দুধ এক দেহ থেকে অন্য দেহের মধ্যে ভাইরাস বিস্তারে সহায়তা করে। সাধারণত আক্রান্ত মায়ের শিশু সন্তান, আক্রান্ত পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ , বহুবার রক্ত গ্রহণকারী রোগী, মাদকাসক্ত ব্যক্তি, মানসিক রোগগ্রস্ত ব্যক্তি, স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যথা হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ-যেমন চিকিৎসক, সেবিকা, ল্যাবরেটরিতে কর্মরত ব্যক্তি, দন্তরোগের চিকিৎসকেরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত- হতে পারে । হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এর মূল ইতিহাস: ইতিহাসে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে হিপোক্রেটিসের আমলে মহামারী হিসেবে এক জন্ডিসের কথা পাওয়...

গরমে কিছুটা পরামর্শ মেনে চলুন....!

ছবি
গরমে অারাম বা প্রশান্তি পাবার জন্য কাপর,খাদ্য পানিয়,গোসল সহ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। বাংলাদেশ ষড় ঋতুর দেশ। এখন গ্রীষ্মকাল। জৈষ্ট্যের প্রচন্ড গরমে ও আদ্রতায় জনজীবন অতিষ্ট। প্রচন্ড সূর্যরশ্মির কারণে স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়ে যায়। ডায়রিয়া, হজমের ব্যাঘাত, বমি, জ্বর ও পানি স্বল্পতা, অনেক ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোক দেখা দেয়। গরমে সুস্থ থাকার জন্য সঠিক খাদ্য নির্বাচন বা অত্যবশ্যকীয় খাবারের উপস্থিতি শরীরকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে পারে। গরমে প্রচুর ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। ফলে পানি স্বল্পতা দেখা দেয়। শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে পানির প্রয়োজন। তাই শরীরের পানির স্বল্পতা রোধ করতে দিনে কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন। তৈলাক্ত ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, রাস্তার খোলা খাবার, বিভিন্ন আকৃষ্ট পানীয় (খোলা শরবত, কাটা ফল, আখের রস) থেকে এড়িয়ে চলতে হবে। কেননা এসব খাবার হজমে ব্যাঘাত, বমি, ডায়রিয়া, পানিবাহিত রোগ, জন্ডিস, টায়ফয়েড, হেপাটইটিস ইত্যাদি রোগ দেখা দিতে পারে। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার চা-কফি, কোমল পানীয় ইত্যাদি যথা সম্ভব কম খাওয়া প্র...

অ্যান্টিবায়োটিক এর জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি বারছে...?

ছবি
প্রতিদিন খাদ্যগুণ পুষ্টিকর খাবার এর জন্য ব্রয়লার মুরগী,গরু,ছাগল সহ সব ধরনের পশুকেই নিয়মিত ভাবে প্রায় প্রতিদিনই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ানো হয়। প্রতি বছর বিশ্বে এই উদ্দেশে প্রায় ৬৩ হাজার ১৫১ টন এরও বেশী অ্যান্টিবায়োটিক লাগে। অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালে যে খাদ্য গ্রহণ করে পশুরা তা থেকে সহজেই তাদের দেহে মাংসপেশি উৎপাদিত হয়। আগেভাগে প্রয়োগ করা অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে সহজে রোগবালাইয়ে আক্রান্ত না হওয়ার কারণেই এমনটা ঘটে। কিন্তু এভাবে কৃত্রিম উপায়ে উৎপাদিত এই মাংসই বেশিরভাগ খাদ্যবাহিত রোগের সংক্রমণ এবং আমাদের দেহকে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী করে তোলার প্রধান কারণ বলে পুষ্টিবিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এখন আর মানুষের দেহে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না এই কারণেই। অথচ বিশ্বের বেশিরভাগ পশু মাংসই উৎপাদিত হয় এখন এই উপায়ে। দেহে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতার অভাবে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর অন্তত ৭/৮ লাখ মানুষ অকালে মারা যাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে মারা যায় ২৩ হাজার, ইউরোপে মারা যায় ২৫ হাজার আর ভারতে শুধু ৬৩ হাজার শিশু মারা যায় এই কারণে। এ থেকেই ধারণা পাওয়া যেতে পারে বাংলাদেশের মতো স্ব...

কোলেস্টেরল কমায় যেসব খাবার....

ছবি
কোলেস্টেরলের কারনে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। তাই এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখা খুবই জরুবি। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে কিছু খাবার। 💊গ্রিনটিঃপ্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়। গ্রিনটি এর বিভিন্ন উপাদান পরিপাক নালিতে কোলেস্টেরলের শোষন প্রতিহত করে এবং রেচনে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিনটি ধমনিতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হাট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুকি কমায়। 💊কমলার জুসঃ টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী।গবেষকেরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়।কারন এর রসে ভিটামিন সি ফোলেট এবংহেসপিরিডিন এর মত ফ্লেভনয়েড থাকে। 💊কাঠবাদামঃ হৃদরোগস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোঅানস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিয়াঅানস্যাচুরেটেড ফ্যাট ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে,যা ভাল কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।২০১১সালে ন...

হাত -পা অবশ হলে কি করা উচিত...?

ছবি
হাত-পা ঝিনঝিন করলে বা অবশ -অবশ অনুভূত হয় এ ধরনের সমস্যাজনিত রোগী বেশি দেখা যাচ্ছে।কেউ কেউ বলেন রাতে একদিকে কাত হয়ে শুলে কিছুক্ষন পর ওই পাশের হাত ও পা ঝিনঝিন বা অবশ অবশ অনুভূত হয় তার পর শোয়া থেকে উঠে কিছুক্ষন হাঁটা হাঁটি করলে স্বাভাবিক হয়ে যায়, যে কারনে রাতে ঘুমাতে অসুবিধা হয়।কারও কারও ক্ষেত্রে হাতে কোনো জিনিস কিছু সময় ধরে রাখলে হাত ঝিনঝিন করে,কিছুক্ষন পর অার ধরে রাখতে পারেন না, এমন কি মোবাইলে কথা বলার সময় বেশিক্ষন মোবাইলটি কানে ধরে রাখতে পারেন না। অাসুন অামরা জেনে নিই কী কী কারনে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।বিভিন্ন কারনে অামাদের হাত অথবা পায়ে ঝিনঝিন বা অবশ -অবশ অনুভূত হতে পারে।যেমন: * অামাদের হাত ও পায়ের রক্ত চলাচল স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে। * যাদের সারভাইক্যাল স্পাইন বা ঘাড় এবং লাম্বার স্পাইন বা কোমরে নার্ভ বা স্নায়ুর ওপর চাপ লেগে থাকলে। * শোয়ার বিছানা বেশি নরম হলে। * কিছু রোগের ক্ষেত্রে এমন হতে পারে- সাইভাইক্যাল স্পান্ডাইলোসিস, কারপাল টানেল সিনড্রেম,লাম্বার স্পন্ডইলোসিস, ভেরিকোজ ভেইন বা ডিপ ভেইন থ্রোম্বোসিস,পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি, ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি, মটর -নিউ...

লবঙ্গর উপকারিতা কি...?

ছবি
লবঙ্গ গাছের ফুলের কুড়িকে শুকিয়ে লবঙ্গ মসলাটি তৈরি করা হয়। খাদ্যদ্রব্যে মসলা হিসাবে এটি ব্যবহার করা হয়। লবঙ্গের আদি বাস ইন্দোনেশিয়ায়, তবে বর্তমানে এটি পৃথিবীর সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। জাঞ্জিবার, ইন্দোনেশিয়া ও মাদাগাস্কারে লবঙ্গ চাষ করা হয়। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাতেও লবঙ্গের চাষ হয়ে থাকে। লবঙ্গের গুণাগুণ শুধু রান্নাতেই নয়, তার বাইরেও আছে। সুস্বাস্থ্যে লবঙ্গ নানা ভাবে আমাদের উপকারে আসে। ১) দাঁতে যন্ত্রণা- দাঁতের যন্ত্রণায় কষ্ট পেলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমবে। ২) বমি বমি ভাব- লবঙ্গ মুখে রাখলে বা জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলে আপনার বমি বমি ভাব দূর হবে। ৩) ফ্লু- হাল্কা গরম জলে ১০ ফোঁটা লবঙ্গ তেল ও মধু যোগ করে, সেটা খেয়ে নিন। ভাইরাল ফিভারে কাজে দেবে। ৪) মানসিক চাপ- মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ। পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। লবঙ্গের সঙ্গে তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা ও দারচিনি মিশিয়ে আপনি ফ্লেভার্ড চা তৈরি করতে পারেন। ৫) সর্দি-কাশি- সর্দি, কাশিতে লবঙ্গ খেলে আরাম পাওয়া যায়। কফ দূর হয়। নিঃশ্বাসে বাজে দুর্গন্ধও দূর হয়...