পোস্টগুলি

কোষ্ঠকাঠিন্য সমাধান কি...?

ছবি
কোষ্ঠকাঠিন্যঃএমন কোন ব্যক্তি নেই,যার জীবনে কখন কোষ্ঠকাঠিন্য হয়নি। এরকম অবস্থা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেহবে। কোষ্ঠকাঠিন্য কিঃ পায়খানা শক্ত বোঝাতে অামরা কোষ্ঠকাঠিন্য শব্দটি ব্যবহার করি। মেডিকেল সাইন্সের পরিভাষায় পায়খানা সপ্তাহে তিনবারের কম অথবা পরিমাণে কম,শক্ত এবং শুকনা হওয়াকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। কেউ পর্যাপ্ত অাঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার পরও যদি সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ করেন, তখন সঠিক কারন নির্নয় জরুরি।  কোষ্ঠকাঠিন্যর কারনঃ ১)অাঁশযুক্ত খানার ও শাক-সবজি কম খাওয়া। ২)পানি বা তরল খাবার কম খাওয়া। ৩)নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাওয়া। ৪)সময় মত মলত্যাগ না করে চেপে রাখার প্রবনতা। বেশির ভাগ কর্মজীবী মহিলাদের এই অভ্যাসটা অাছে। জটিলতাঃ ১) দীর্ঘদিন যাবৎ কোষ্ঠকাঠিন্য ভুগলে অনেক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমনঃমল ধরে রাখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া। ২)পাইলস,ভগন্দর,গেজ, ইত্যাদি রোগ হওয়া। ৩)মলদ্বার বাইরে বের হয়ে অাসা। ৪)প্রস্রাবের সমস্যা। ৫)অন্তে ব্লক বা প্যাচ লেগে পেট ফুলে যাওয়া। ৬)মলদ্বার এ ঘাঁ বা রক্তপাত হওয়া। ৭)ক্লন ক্যানসার হওয়া। চিকিৎসাঃ কোষ্টকাঠিন্য একটি দীর্ঘমেয়া...

শশার স্বাস্থ্যকর উপকারিতা কি....?

ছবি
শশা অাজ অামাদের অতি পরিচিত জনপ্রিয় সবজি। বছরে বারমাসি পাওয়া যায় শশা। শশা অপছন্দ এমন লোক খুজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। শশার গুনাগুনঃ শশায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্যও দারুণ উপকারী শশা। প্রত্যেকদিন ত্বকে শশার রস লাগালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর হয়ে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসে। আপনার ত্বক যদি রোদে পুড়ে কালো হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে শশার রসের সঙ্গে দই এবং লেবুর রস মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণ রোজ ব্যবহার করলে সানবার্ন মুহূর্তে দূর হয়ে যাবে। শশার বীজও মোটেই ফেলে দেওয়ার নয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম। যা রিঙ্কল মুক্ত করতে সাহায্য করে, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। ১) শশার মাল্টি ভিটামিনস ও মাল্টি মিনারেলস প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে। ২)শশার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ৩)এর ম্যাগনেসিয়াম রক্ত চলাচল সচল করে। ৪) শশার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে। ৫)এ...

তেতুল এর উপকারীতা বা গুনাগুন এর চমক .....!

ছবি
তেতুল গ্রামবাংলার পরিচিত একটি টক স্বাদের ফল ।তেতুল এর সাথে কম বেশি সকলের পরিচিত , ফলে তেতুলের কথা শুনলে মুখে পানি চলে অাসে তাইনা..? অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়।এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন । বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ এ ভরপুর । তেঁতুল দেহে অামাদের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব ভাল উপকারী একটি ফল। তেঁতুল দিয়ে কবিরাজি, আয়ূর্বেদীয়, হোমিও ও এলোপ্যাথিক ওষুধ তৈরি করা হয়। পাকা তেঁতুলে মোট খনিজ পদার্থ সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। খাদ্যশক্তির পরিমাণ নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি থকে তেতুলে। ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি আছে তেতুলে। অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমাণে আছে এ তেঁতুল যেসব রোগের জন্য উপকারী তা হলো স্কার্ভি রোগ, কোষ্ঠবদ্ধতা, শরীর জ্বালা করা প্রভৃতি রোগে তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী। তেঁতুল রক্তের কোলস্টেরল কমায়। মেদভুঁড়ি কমায়। পেটে গ্যাস হলে তেঁতুলের শরবত খেলে ভালো হয়। তেঁতুল খেলে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে বেশি খেলে রক্তের চাপ কমে যেতে পা...

অামড়া পুষ্টিকর একটি ফল...!

ছবি
অামড়া গ্রামবাংলার জনপ্রিয় একটি ফল।প্রাচীন কালথেকে অামাদের দেশে অামরা খুবই জনপ্রিয় কারন দেশি ফল বলে এর কদর অনেক বেশি। আমড়া সুস্বাদু ও সহজপ্রাপ্য একটি দেশি ফল। এটি থেকে আচার, চাটনি ও জেলি তৈরি করা যায়। আমড়া তরকারি হিসেবে রান্না করেও খাওয়া যায়। দামে সস্তা হলেও মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য স্বাস্থ্যকর গুন রয়েছে এ ফলের। অামরা ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস, শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। অনেক স্বাস্থ্যকর ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক, আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে থাকে বলে প্রমানিত। আমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে অামড়া। প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ১. ০ ১ গ্রাম প্রোটিন, ১৫ গ্রাম শ্বেতসার, ০.১০ গ্রাম স্নেহ জাতীয় পদার্থ এবং ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন আছে। এ ছাড়াও আছে ০.২৮ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৪মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং...

জাম্বুরা খাওয়ার এত্ত গুন...!

ছবি
জাম্বুরা গ্রাম বাংলার অতি-পরিচিত একটি নাম। জাম্বুরা বা বাতাবি লেবু একটি দারুণ উপকারি ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ফল। এটি ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভালো উপকার পাওয়া যায়। জাম্বুরা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। রোগ প্রতিরোধে জাম্বুরাতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। এটি রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়াবেটিস, জ্বর, নিদ্রাহীনতা, পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে জাম্বুরা। নিয়মিত জাম্বুরা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ও পেটের নানা রকম হজমজনিত সমস্যার প্রতিকার হয়।হজম সমস্যায় জাম্বুরাতে রয়েছে প্রচুর আঁশ। এটি খাদ্যের সঠিক পরিপাকে সাহায্য করে কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দূর করে। এর আঁশ পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া সচল রাখে ও সঠিক মাত্রায় পরিপাক রস নিঃসৃত করে। ফলে খাদ্যের সর্বোচ্চ পরিপাক হয় এবং হজমের সমস্যা দূর করে।ক্যানসার প্রতিরোধ জাম্বুরা আন্ত্রিক, অগ্ন্যাশয় ও স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এর লিমোনয়েড নামক উপকরণ ক্যানসারের জীবাণুকে ধ্বংস করে ও এর আঁশ মলাশয়ের ক্যানসার প্রতিরো...

জলপাই এর স্বাস্থ্য কর গুন কি ...?

ছবি
অাজ জলপাই সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।গ্রাম এবং শহর সকল জায়গায় জলপাই সমান ভাবে জনপ্রিয় ফল। জলপাই হচ্ছে টক জাতীয় একটি ফল এর খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদান্ত, কোলনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এই ফল। শুধু ফল হিসেবে নয়, এর তেলও খুব স্বাস্থ্যকর। সাধারণত আমরা জলপাইয়ের আচার করে খাই এর চেয়ে কাঁচা জলপাইয়ে রয়েছে বেশি পুষ্টি গুন। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক জলপাইয়ের কিছু গুণাগুণ নিয়ে কিছু স্বাস্থ্যকর তথ্যকথাঃ হৃদরোগের যত্নে জলপাইঃ যখন কোনো মানুষের রক্তে ফ্রির্যা ডিকেল অক্সিডাইজড কোলেস্টোরেলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের এ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তের কোলেস্টেরেলের মাত্রা কমায়। ফলে কমে যায় হৃদরোগের ঝুঁকি। ক্যান্সার প্রতিরোধে জলপাইঃ কালো জলপাই ভিটামিন ই এর বড় উৎস। যা কিনা ফ্রির্যাডিকেলকে ধ্বংস করে। ফলে শরীরের অস্বাভাবিক ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। শুধু তাই নয়, জলপাইতে রয়েছে মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাট। জলপাইয়ের ভিটামিন ই কোষের অস্বাভাবিক গঠন...

করল্লার উপকারিতা কি...?

ছবি
করল্লা তিক্ত স্বাদযুক্ত গ্রামবাংলার অতিপরিচিত একটি সবজি। করল্লায় বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও উপকারী ভিটামিনসমৃদ্ধ। প্রতি ১০০গ্রাম করল্লায় বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদানেরপরিমাণ কার্বোহাইড্রেট : ৩.৭০ গ্রাম,প্রোটিন : ১ গ্রাম, ফ্যাট : ০.১৭ গ্রাম, খাদ্য আঁশ : ২.৮০ গ্রাম, নায়াসিন :০.৪০০মিলিগ্রাম, প্যান্টোথেনিক এসিড ০.২১২মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ : ৪৭১ আই ইউ, ভিটামিন সি : ৮৪ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ; ৫ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম : ২৯৬ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম : ১৯ মিলিগ্রাম,কপার : ০.০৩৪ মিলিগ্রাম, আয়রন : ০.৪৩ মিলিগ্রাম,ম্যাগনেসিয়াম : ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ : ০.০৮৯ মিলিগ্রাম, জিংক : ০.৮০ মিলিগ্রাম।১০০ গ্রাম করল্লা থেকে মাত্র ১৭ ক্যালরি পাওয়া যায় এবং এতে পানির পরিমাণ ৮০-৮৫%। এই উভয় কারণেই করলা আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে সাহায্য করে। করল্লায় বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় পদার্থ নিষ্কাশনে সাহায্য করে, যা আমাদের পরিপাক ও বিপাককে সহজ করে। ফলে আমাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়। করল্লায় ভিটামিন সি আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও যে কোনো ইনফেক্শন থেকে রক্ষা দেয়। যে কো...