পোস্টগুলি

ত্রিফলা কি..? ত্রিফলা এর উপকারিতা কি...?

ছবি
ত্রিফলা অর্থাৎ তিনটি ফল আমলকী, বহেড়া ও হরীতকী যদি ঠিকমতো মাত্রায় নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে তা অমৃত তুল্য কাজ দেয়। প্রসঙ্গত:  আমার ব্যাক্তিগত ধারণা , স্বাদ, গুন, উপকারিতা ইত্যাদির কথা ভেবেই এই অমৃত বস্তুটির কল্পনা করা হয়েছিল। সেই অমৃত যে পান করত সেই অমর হতে পারত। পৃথিবীতে অমর কেউই হতে পারেন না। জন্ম-মৃত্যু একটি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। আসলে এখানে "অমর" শব্দের প্রয়োগ করা হয়েছে "দীর্ঘ জীবন অর্থে"। যাক, যেকথা বলছিলাম, এই ত্রিফলা হলো মানুষের রোগের মূল কারক বায়-পিত্ত-কফ ত্রিদোষ নাশক। প্রস্তুতকরণঃ পরিষ্কার ও পোকা রহিত হলুদ হরীতকী, বহেড়া ও আমলকী নিয়ে তাদের বীজ বের করে ফেলবেন। তারপর ওগুলো কুটে বা বেটে নিয়ে কাপড়ে চেলে নিন। প্রতিটি আলাদা-আলাদা চূর্ণ করে তুলে রাখুন। অথবা মাত্রা মতো মিশিয়ে রাখুন। হরীতকী যদি ১০ গ্রাম হয় তাহলে বহেড়া হবে ২০ গ্রাম এবং আমলকী হবে (চুর্ণ) ৪০ গ্রাম। এই মিশ্রন করে সাবধানে রাখবেন যাতে বর্ষার জলীয় হাওয়া তাতে না লাগে। এই চুর্ণ বাজারেও পাওয়া যায় তবে বাজার থেকে চূর্ণ না কিনে ঘরে চূর্ণ তৈরি করে নেবেন। এই চূর্ণ মাত্রা মতো মিশিয়ে একটা কাচের বোতলে রাখলে মো...

তেলাপিয়া মাছ ক্ষতিকারক হতেপারে ক্যান্সার.....!

ছবি
তেলাপিয়া মাছ অামাদের অতি পরিচিত মাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Oreochromis mossambicus) একটি মাঝারি আকারের মাছ। মাছটিকে ইংরেজিতে Mozambique tilapia বলে।মাছটি ডিম পাড়ার পর নিজের মুখে রেখে দেয় বাচ্চা ফোটাবার জন্য। গ্রাম-গঞ্জে,শহরে সকল জায়গায় এটি পাওয়া যায়। তেলাপিয়া মাছ স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর  ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে বলে কিছু পুষ্টিবিদ গবেষণার পর অভিযোগ করেছেন, তেলাপিয়া মাছ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর ঝুুুুকিপূর্ন । ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে। ওই গবেষণা পত্রে জনপ্রিয় মাছ সমুহের দেহে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়।এতে দেখা যায় তেলাপিয়া মাছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য জনপ্রিয় সামুদ্রিক মাছের তুলনায় তেলাপিয়া মাছে অনেক কম পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। এতে বরং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা একটি ক্ষতিকর অ্যাসিড (arachidonic acid)। এই অ্যাসিড দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে মেরামতে সহায়ক। কিন্তু এটি আবার অ্যালঝেইমার এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টির মতো রোগেরও কারণ।প্রতিবেদনে জানিয়েছে খাদ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘...

মরিচ এর উপকথা ও স্বাস্থ্যকর গুনাগুন কি...?

ছবি
মরিচঃঅতি পরিচিত ঝাল স্বাদের একটি রন্ধন প্রনালি হল মরিচ। মরিচ অতি প্রয়জনিয় তাই মরিচ বাদ দিলে  অামাদের জীবন প্রায় অচল বলা চলে। মরিচ প্রথমে ফিলিপাইন্স, এবং তার থেকে ভারতবর্ষ, চীন, কোরিয়া, ও জাপানে মরিচ বিস্তার লাভ করে। ঝাল ও স্বাদের জন্য অচিরেই এটি এশিয়ার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় খাবারের অপরিহার্য উপকরণে পরিণত হয়। >>মরিচ ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে >>কাঁচা মরিচে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরে ‘দ্বাররক্ষী’ হিসেবে কাজ করে থাকে। >> কাঁচামরিচ বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করতে সাহায্য করে। >>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে >>কাঁচামরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। খেয়াল করে দেখবেন, কাঁচামরিচ খাওয়ার ফলে অনেক সময়ে বন্ধ নাক খুলে যায়। কাঁচামরিচে থাকা এই ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুব দারুনভাবে কাজ করে। >>মরিচ ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী কাঁচামরিচে ভিটামিন-সি এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই। যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন করতে সাহায্য করে থাকে বলে ত্বক অনে...

ডালিম, বেদান,অানার এর স্বাস্থ্যকর উপকারক কি...?

ছবি
ডালিম অতি পরিচিত একটি জনপ্রিয় ফল।গ্রাম বাংলার  অতি প্রাচীন একটি স্বাস্থ্যকর  ফল এটি।ডালিম,বেদানা, আনার বা  এর বৈজ্ঞানিক নাম: Punica granatum, ইংরেজি নাম: pomegranate । এটি Lythraceae পরিবারের Punica গণের অন্তর্ভুক্ত ফলের গাছ। ডালিমের পুষ্টিমান, ঔষধি গুণ ও বহুবিদ ব্যবহার অনেক ধর্মীয় বই থেকে অনেক স্থানে লেখা আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ডালিমে ৭৮ ভাগ পানি, ১.৫ ভাগ আমিষ, ০.১ ভাগ স্নেহ, ৫.১ ভাগ আঁশ, ১৪.৫ ভাগ শর্করা, ০.৭ ভাগ খনিজ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ১৪ মিলিগ্রাম অক্সালিক এসিড, ৭০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ০.৩ মিলিগ্রাম রাইবোফ্লাভিন, ০.৩ মিলিগ্রাম নায়াসিন, ১৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ইত্যাদি থাকে। আয়ুর্বেদ চিকিত্‍সা বিজ্ঞানে এর ব্যবহার সব জায়গায় পরিচিত। ডালিমেরঔষধিগুণঃডালিম ফল আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিত্‍সায় পৈথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় অাসছে। ডালিমে বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন- সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় ইহা বিভিন্ন রোগ উপশমে ব্যবহৃত হয়। কবিরাজী মতে ডালিম হচ্ছে হৃদয়ের শ্...

কলা এর স্বাস্থ্যকর গুন কি...?

ছবি
কলা গ্রামবাংলা তথা বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সকলের কাছে পরিচিত  বিভিন্ন গুণাগুণে সমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয়  ফল। এতে রয়েছে  টিস্যু গঠনকারী উপদান যথা আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ। কলা ক্যালরির একটি ভাল উৎস। এতে কঠিন খাদ্য উপাদান এবং সেই সাথে পানি জাতীয় উপাদান সমন্বয় যে কোন তাজা ফলের তুলনায় বেশি থাকে। একটি বড়  কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। এই শর্করা পরিপাকতন্ত্রকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে থাকে। কলার মধ্যে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উত্‍পাদনে সাহায্য করে। গবেষকরা জানান, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করতে দেহে পটাশিয়ামের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি যা কলায় পাওয়া যায়। এছাড়াও দেহে পটাসিয়ামের আদর্শ উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও। আর এই উপকারী পটাশিয়াম কলায় আছে প্রচুর পরিমাণে। কলাকে  complete fruits  বলা হয়ে থাকে।  কলাই স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে সবার অাগে চিনি অামরা, এক কথায় কলাই সবথেকে জনপ্রিয় ফল। ১। হার্ট-সুস্থ্য থাকেঃ কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। যা রক্তচাপ ...

টেস্টিংসল্ট ক্ষতিকর এক বিষ....!

ছবি
বিষ এর নাম টেস্টিংসল্টঃ মজাদার খাবারে মুখরোচক স্বাদের জন্য ব্যবহৃত হয় টেস্টিংসল্ট। অাজ রান্নার প্রধান উপকরণ যেন এটি। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা টেস্টিং সল্টকে স্নায়ুবিষ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এই রাসায়নিক উপাদানটির নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা সংক্ষেপে এমএসজি। শুধু সোডিয়াম গ্লুটামেট নামেও এটি পরিচিত। বিজ্ঞানীরা অবশ্য এর ক্ষতির কথা বিবেচনা করে একে ‘এক্সাইটোটক্সিন’ গ্রুপের মধ্যে ফেলেছেন। এটি সড়বায়ুকে উত্তেজিত করে স্বাদের অনুভূতি বাড়ায়, কিন্তু এটি এখন বিষাক্ত বলে পরিগণিত হওয়াতেই এর এমন পরিচিতি বিশেষজ্ঞরা জানান, টেস্টিং সল্ট মস্তিস্ককে উদ্দীপ্ত করে এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি করে যাতে মনে হয়, খাবারটি খুবই সুস্বাদু। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর টেস্টিং সল্ট মিশ্রিত খাবার সরবরাহ নিষিদ্ধ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেস্টিং সল্ট মানবদেহে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বিষিয়ে তোলে থাকে। ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।  টেস্টিংসল্ট খেলে ঘুম কম হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে স্বাভাবিক খাবার অরুচিকর লাগে যা রুচি নষ্টকরে থাকে। টেস্টিংসল্ট খাবার খালে কাজে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়। নিয়মিত টেস্টি...

পটল এর উপকারীতা কি...?

ছবি
পটল  বাংলাদেশের একটি পরিচিত সবজি এটি খব জনপ্রিয় দৈনিক অামরা পটল তরিতরকারি,  স্যুপ, ভাজা এমনকী মিষ্টান্ন প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত হয়।পটল দিয়ে নানা রকমের খাবার করা হয়। পটলের উৎপাদনমাত্রা ভালো। ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায়। ৩ থেকে ৪ দিন পরপর পটল তোলা যায়।  পটল একটি তরকারী হিসেবে  বেশ চাহিদা আছে। পটলের শ্রমিক খরচ কম। পটল লম্বায় ৫-১৫ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। স্বল্পোষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাল জন্মায়। পটলের তরকারী বেশ উপকারী। পটলের রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা।পটল খাওয়া শরীরের পক্ষে অনেক ভালো। পটলে ফাইবার থাকে যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানে এবং লিভারের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে। পটলের বীজ এমন একটি স্বাস্থ্যকর বীজ যা কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এবং মল নির্গমনে সাহায্য করে থাকে। পটলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও খিদে কমাতে সাহায্য করে। পটলের আরেকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হচ্ছে এটি রক্তকে পরিশোধিত করে। এর ফলে ত্বকের যত্ন...