পোস্টগুলি

কি করে বুঝবেন হৃদরোগে অাক্রান্ত হলেন কিনা... ? হৃদরোগের লক্ষন কি..? হৃদরোগ কি...?

ছবি
হৃৎপিন্ড মানব দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হৃদরোগের ঝুঁকির ব্যাপারটি নির্ভর করে অাপনি কীভাবে জীবনযাপন করেন তার ওপর।অতিরিক্ত ধূমপন, শুয়ে -বসে সময় কাটানো, শরীর চর্চাহীন   জীবন এবং চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহনের কারনে শরীরে চর্বি জমা হয়ে ধমনিগুল সরু হতে থাকে। হৃৎপিন্ডের  রক্ত নালিতে রক্ত চলাচলের পথ বা ধমনির ভিতর রক্ত প্রবেশের পথ অাংশিক    বা   পুরোপুরি বন্ধ  হয়ে  হৃৎপিন্ডকে অক্সিজেন নিতে ব্যর্থ হলেই হলেই ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাক। হৃদরোগের রিস্ক ফ্যাক্টর: বিভিন্ন কারনে হৃদরোগে অাক্রন্ত হওয়ার অাশঙ্কা থাকে, যাকে বলা হয় রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকিসমূহ।কিছু কিছু  সহজেই নিয়ন্ত্রনযোগ্য  অার     কিছু         অনিয়ন্ত্রনযোগ্য  ।     অনিয়ন্ত্রনযোগ্য রিস্ক বা ফ্যাক্টরগুল হলো বয়স,লিঙ্গ,ও বংশগত। নিয়ন্ত্রনযোগ্য রিস্ক বা ফ্যাক্টর গুলোর মধ্যে রয়েছে ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ,রক্তে কোলেস্টেরলের অাধিক,ডায়াবেটিস, মুটিয়ে যাওয়া, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, চর্বি জাতিয় খাদ্য বেশি এবং অাশ জাতীয় খাদ্য কম খাওয়া, মানস...

গর্ভাবস্থায় খাদ্য এবং পুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কেন...?

ছবি
গর্ভাবস্থায় খাদ্য এবং পুষ্টির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল ফলিক এসিড, অায়োডিন, অায়রন,ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি ১২, ডিএইচএ, ইপিএ। সেই সঙ্গে প্রচুর সবুজ শাকসবজি গ্রহন এবং ফলমূল (সাইট্রাস যুক্ত ফল সবজি ব্যতীত) গ্রহন করতে হবে গর্ভাবস্থায় এসব সাপ্লিমেন্টেশনের সঙ্গে প্রচুর পানি পান করা ও জিঙ্ক সাপ্লিমেন্টশন গ্রহন অত্যন্ত জরুরি, যা জন্মগত অনেক ত্রুটি সেই সঙ্গে উপযুক্ত সময়ের পূর্বেই জন্মগ্রহন, গর্ভকালীন খিঁচুনি প্রতিরোধ করে। এছাড়া গর্ভ-পরবর্তী খাদ্য এবং পুষ্টি একজন মায়ের জন্য অত্যন্ত অত্যাবশ্যক।তাই এ বিষয় সচেতন হতে হবে। গর্ভকালীন খাদ্য ও পুষ্টি মূলত গর্ভাবস্থায় খাদ্য চাহিদা এবং পুষ্টির গুনগতমান নিয়ে অালোচনা করা নয়, গর্ভ - পূর্ববর্তি ও গর্ভ-পরবর্তী খাদ্য এবং পুষ্টি নিয়েও অালেচনা করা হয়। গর্ভ-পূর্ববর্তী খাদ্য এবং পুষ্টি খুবই গুরুত্বপূর্ন যা (Low Birth Weight Baby -LBW ),প্রতিরোধ করে। ফলিক এসিড : গর্ভ-পূর্ববর্তী অবস্থায় গর্ভধারনের চেষ্টার শুরু থেকে ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্টেশন দেওয়া হয় যা স্পাইনাল বিফিডা এবং অন্যান নিউরাল টিউব ডিফ্যাক্ট( জন্মগত ত্রুটি)প্রতিরোধ করে। ফলিক...

সোনা পাতার ঔষধী গুনা গুন...

ছবি
প্রচিন কালথেকে বা যুগ যুগ থেকে অায়ুবেদ, ইউনানি বা কবিরাজি ও বনজ ঔষধ  বাংলা নাম সোনা পাতা। ইংরেজী নাম: Senna, Tinnevelly Senna বৈজ্ঞানিক নাম: Cassia angustifolia Vahl.পরিবার: Caesalpiniaceae আরবি নাম: সোনামাক্কী ব্যবহার্য অংশ: পাতা, ফুল ও ফল। মুলত পাতার ব্যবহারই বেশী। পরিচিতি:  উভয় পাশে পাতা থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মেহেদী পাতার মত। পাতার রং কাঁচা অবস্থায় হলুদাভ সবুজ এবং শুকনো হলে হলুদাভ সোনালী বর্ণ হয়ে থাকে। শেষ প্রান্তে অর্থাৎ মাথায় হলুদ রঙের ফুল ফোঁটে। ফুল সাদা বা গোলাপী রঙেরও হয়। ফল শিম জাতীয় নলাকার বা চ্যাপ্টা হয়। ফলের ভিতরে আড়াআড়িভাবে বীজ থাকে। প্রাপ্তিস্থান: সুদান, সোমালিয়া, সিন্ধুপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও দক্ষিণ ভারতে বাণিজ্যিক ভবে সোনা পাতার চাষ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে সহ ভারত উপমাহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোনাপাতা বেশ দেখা যায়। আরব দেশের জঙ্গলে সোনাপাতা প্রচুর পরিমাণে জন্মে থাকে। রাসায়নিক উপাদান সোনা পাতায় আছে ১.৫-৩% হাইড্রোজায়ানথ্রাসিন গ্লাইকোসাইড, প্রধানত সেনোসাইড এ এবং বি যা রেইন-হায়ানথ্রোন এবং কম পরিমাণে সেনোসাইড সি এবং ডি যা রেইন-এলো-ইমোডিন-হেট...

মাইগ্রেন কি..? মাইগ্রেন বা তীব্র মাথা ব্যাথা নিয়ন্ত্র এর উপায় কি...?

ছবি
মাইগ্রেন সাধারনত এক ধরনের তীব্র মাথা ব্যাথাকে বলা হয়। এতে মাথার দুই পাশে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়।ব্যাথার ধরন হিসেবে ফোঁড়া ফেটে যাওয়ার মতো অনুভূতি বলে অনেকে বর্ননা করে থাকেন।ব্যাথার তীব্রতা এত বেশি হয় যে, ব্যক্তি তার স্বাভাবিক/দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করতে ও পড়েন। এ ব্যথার তীব্রতা সাধারনত হাঁটাচলা, সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় বৃদ্ধি পায়, কারও কারও মাথা ব্যথার সঙ্গে পেট ব্যথা, বমি হওয়া ও মাথা ঘুরার মতো লক্ষন পরিলক্ষিত হয়। মস্তিষ্কের বাইরের দিকে ও মাথার খুলিতে যেসব রক্তনালি রক্ত সরবরাহ করে থাকে সেসব রক্তনালি অজানা কারনে সংকুচিত হয়ে রক্তপ্রবাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এবং রক্তনালিতে প্রদাহের মাধ্যমে মাথা ব্যাথা সৃষ্টি করে। রক্তে অনেক ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়েও মাইগ্রেন হয়ে থাকে। যদিও মাইগ্রেনের সঠিক কারন এখন জানা যায়নি, তবে বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক অবস্হার সঙ্গে মাইগ্রেনের সুডম্পর্ক/সংযোগ রয়েছে। মানসিক চাপ হ্রাস - বৃদ্ধির সঙ্গে যেমন :অনেক ধরনের মানসিক চাপের সঙ্গে হঠাৎ মানসিক চাপ কমে গেলেও ব্যক্তিকে মাইগ্রেনে অাক্রন্ত হতে দেখা যায়। অনেক ওষুধ এবং খাদ্যবস্তু গ্রহনের ফলশ...

মেদ কমাতে চাই...?how to lose weight...? , ডায়েট বা ওজন কমানোর পদ্ধতি কি..? একটি স্মাট ডায়েট চার্ট কি..?

ছবি
ওজন কমানোর পদ্ধতি বলতে প্রথমে অাসে খাদ্যর কথা, মানুষের যদিও দৈহিক ওজন বৃদ্ধির কারন অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন তবে অল্পসংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে অাছে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রেও অতিরিক্ত মাত্রায় খাদ্য গ্রহন মানুষের জেনেটিক প্রভাবে হয়ে থাক। সকালে ডিম খাওয়া ত্যাগ করুন রুটি ও সবজি খাবেন। *একটি স্মাট ডায়েট চার্ট তৈরিকরে নিতে পারেন। সকালে ডিমের সাদা অমলেট, সবজি,১-২টা টোষ্ট বা রুটি।দুপুরে:সালাদ,সবজি,ডাল,একবাটি ভাত বা দুইটি অাটার রুটি। সারা দিনে অবশ্যই অন্তত একটি ফল খাবেন। *মিষ্টি জাতীয় খাবর যতটা সম্ভব কম খাবেন। *তাজা সতেজ ফল খাবেন কার্স্টাড বা জুস নয়। *প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করার চেষ্টা করুন। একটানা ৩০ মিনিট সম্ভব না হলে ২ বা ৩ বারে তা করুন। বিকল্প হিসেবে ২০-৩০ মিনিট সুইমিং, সাইক্লিং,ব্যাডমিন্টন বা টেনিস খেলার কথা চিন্তা করতে পারেন। *অফিসে যাবার সময় লিফট ব্যবহার না করে হেঁটে ওঠার অভ্যাস করুন। *ওজন কমাতে কখনই খুব বেশি তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়।প্রতিদিন বা সপ্তাহে অন্তত একটি পরিবর্তন অানুন।যেমন -অাপনার ফল খাওয়ার অভ্যাস নেই।প্রতিদিন এক টুকরা করে ফল খেতে শুরু করু...

লেবু পানি পানে ১০ গুন, সকালে পান করুন লেবু পানি Healthy tips........

ছবি
লেবুপানির যতগুনঃ- সকালে পান করুন লেবু পানি। আমরা সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়াতে এবং গরমের দিনে শরবত তৈরি করতে লেবু ব্যবহার করি। কিন্তু এর উপকারিতা এখানেই শেষ না,লেবুপানি পান করুন সুস্থ থাকুন। লেবুতে আছে ভিটামিন সি এবং খনিজ উপাদান যা আমাদের হৃদযন্ত্রের ক্ষতিকারক  কমানো থেকে ফুসফুসকে ঠিকভাবে কাজ করতে পর্যন্ত সাহায্য করে লেবু। আর সকাল সকাল লেবু পানি পান করা আরও ভালো। নিয়মিত সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করলে আপনাদের শরীর  পাবে জাদুকরী উপকারিতা। ১. পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস (যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের যা দেহের পানিশূন্যতা দূর করে থাকে সতেজ করে তুলে। ২. লেবুপানি দেহের ত্বকের জন্য খুবই ভাল। লেবুর ভিটামিন সি উপাদান দেহের ত্বক ও টিস্যুর জন্য খুব জরুরি। তাই ত্বকের যে কোন সমস্যা রোধ করতে প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন। আপনার ত্বককে করে তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার। ৩. বুক জ্বলা পোড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন দেখবেন উপকার পাবেন...

অনুপ্রেরণা মূলক শিক্ষনিয় গল্প.....

ছবি
একটা লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে পাশেই একটা হাতি দড়ি দিয়ে বাঁধা । হাতিটাকে এই অবস্থায় দেখে লোকটা খুব অবাক হলো। কোন শিকল নেই হাতিটার এক পা শুধু একটা চিকন দড়ি দিয়ে বাঁধা । চাইলেই হাতিটা যে কোন মুহূর্তে দড়ি ছিঁড়ে চলে যেতে পারে।  কিন্তিু হাতিটা সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে। হাতিটি দড়ি ছিঁড়ে চলে যাচ্ছেনা বা ছেঁড়ার কোন চেষ্টাই করছেনা। অনেকক্ষন আনমনে ভাবলো লোকটা। লোকটার ঘোর কাটছেনা কিছুতেই..? সুযোগ থাকারপরও হাতিটা মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেনা কেন..? কি এমন কারণ থাকতে পারে এর পেছনে..? ঘটনাটা বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে লোকটাকে।কিছ দূর যাওয়ার পর একজন জ্ঞানী লোকের সাথে দেখা হলো তার । লোকটি জ্ঞানী লোক কে প্রশ্ন করল হাতিটা স্থির দাঁড়িয়ে আছে কেন? কেন সে দড়ি ছিঁড়ে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেনা...? অনেক আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলো লোকটা। জ্ঞনীলোকটা প্রশ্ন শুনে হেঁসে উঠলো।  বললো "হাতিটা যখন অনেক ছোট  ছিল, তখন এরকমই একটা চিকন দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হতো তাকে। তখন বাচ্চা  হাতিটাকে বেঁধে রাখার জন্য এই ছোট দড়িটাই যথেষ্ট ছিল। তাই চেষ্টা করার পরও দড়ি ছিঁড়ে সে মুক্ত হতে পারেনি।...