পোস্টগুলি

স্তন ছোট এখন বড় করার উপায় কি...? ব্রেস্ট বড় করার উপায় কি ?

ছবি
ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন ক্রিম বা ঔষধ এর প্রয়জন নেই। অতি সাধারন প্রকৃয়ায় অাপনার ব্রেস্ট পারফেক্ট সাইজ করতে পারেন। উত্তরঃ১. নিয়মিতভাবে গোসল করার পুর্বে সরিষার তেল হালকা গরম করে অথবা খাঁটি মধু হাতে নিয়ে ১৫-২০মিনিট ম্যাসাজ করলেই মাস খানেক এর মধ্যে খুব ভাল ফলাফল পাবেন। ২. ব্রেস্ট বড় হওয়ার ম্যাসাজ এর জন্য, ৩৪-৩৬ সাইজ হল পারফেক্ট সাইজ । ৩. আসলে কোন পিল বা ক্রিম ব্যাবহার করলে ব্রেস্ট বড় হবে মনেকরা বা এমন ধারনা ভুল। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে অাপনার এসব ঔষধ ও ক্রিম ব্যাবহার করার ফলে। ব্রেস্ট নারীদেহের একটি গুরুপ্ত পূর্ন অংশ। স্তন নিয়ে নর-নারী উভয়েরই ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এর অনেক তথ্যই আমাদের অজনা।আজ আমরা স্তন সম্পর্কিত সেই রকম ৮ টি অজনা তথ্য জানবো। ১. প্রতিটি সাধারণ আকৃতির স্তনের ওজন প্রায় ৪৯৮ গ্রাম, এবংদেহের মোট চর্বির ৪-৫ শতাংশ চর্বি দিয়ে স্তন গঠিত। যাদের স্তন বেশ বড় তারা স্তনেরওজনের জন্য সামনের দিকে একটু ঝুঁকে পড়েন। ২. পুরুষাঙ্গের মতই স্পর্শ পেলে স্তনের (স্তনবৃন্ত সহ) আকার বেড়ে যায়। ৩. যৌনতায় উত্তেজিতস্তনবৃন দের দৈর্ঘ্য ০.৯৬ সেমি। ৪. আমাদের দেশ...

শিশুদের শৈশবকালীন ডায়াবেটিসে অাক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায় কারন বা প্রতিকার কি...?

ছবি
ডায়াবেটিস অাজ এক খুবই পরিচিত রোগের নাম।শিশু কিশোর, যুবক, নারী, পুরষ, প্রবীণ সকলেই ডায়াবেটিস রোগের কারনে অাজ নিয়ন্ত্রিত জীবন বেছে চলতে হয়। অাজ অালোচ্য বিষয় শৈশবকালীন ডায়াবেটিস নিয়ে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ১০ বছর বা তার উর্ধের বয়সের শিশুদের শৈশবকালীন ডায়াবেটিসে অাক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়। অাবার ইউরোপে পাঁচ বছরের নিচের বয়সীদেরও এই রোগে অাক্রান্ত হতে দেখা যায়। মূলত এক থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে ডায়াবেটিসে অাক্রন্ত হলেই তাকে শৈশবকালীন ডায়াবেটিস বলে। শৈশবকালীন ডায়াবেটিস বলতে মূলত টাইপ-১ ডায়াবেটিসকেই বোঝান হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসও হতে পারে। যদিও ডায়াবেটিস নিয়ে অনেক গবষনা হয়েছে এবং হচ্ছে, তারপরও শৈশবকালীন শিশুর ডায়াবেটিকসের প্রকৃত কারন এখনে অজানা। মূলত জিনগত কারনে কিছু ভাইরাস যেমন :মামস, মিসেলস,বুবেলা এর কারনেও শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। দেখা গেছে, যে সব শিশুর জন্মের তিন মাসের ভিতর মায়ের বুকের দুধ ছাড়া বাইরের দুধ খাওয়ানো হয়, তাদের মাঝেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। এই রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে -হঠাৎ করে পানি বেশি খাওয়া বা পানির তৃষ্ণ...

গাজা কি মাদক না কি ঔষধ চমক দেখুন...?

ছবি
গাজা কি মাদক না কি ঔষধ...? পৃথিবীতে সর্বকালের সেরা মাদক যা শতভাগ স্বাস্থ্যকর। এটা ব্যথানাশক ঔষুধ হিসেবেও দারুন কার্যকর। ইতিমধ্যে এই গাঁজার মধুর খোঁজ পেয়ে গেছেন ইউরোপের মারিজুয়ানা ফোরামে সদস্যরা। তার এই মধু পেতে ধরর্ণা দিচ্ছেন রিকোলাসের দরজায়। চলতি বছরে গাজা নিয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণা হয়েছে। এরমধ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে গাজা রক্তচাপ সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রন করতে এবং এইচআইভি প্রতিহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয় কয়েক প্রকার ক্যান্সার নিরাময়েও পর্যন্ত গাজা ভালো ফল দেয়। বিশেষ করে যারা লিওকোমিয়ায় আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিনই চিকিৎসকরা অনুমোদন সাপেক্ষে গাজা ব্যবহার করে আসছেন। গাজা বৈধকরণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি রাজ্য। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে কলোরাডোতে প্রথম বৈধতা দেয়া হয়েছিল। এরপর কলোরাডোতে গাজা বৈধকরণের সফলতার পর অন্যান্য রাজ্যগুলোও ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। এর বাইরে নতুন করে চিলি তাদের দেশ গাজাকে শুধু বৈধতাই দেয়নি, প্রতিটি নাগরিক সর্বোচ্চ পাঁচটি গাজা গাছ লাগাতে পারবে সেই অনুমোদনও দিয়েছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, প্রাচীন ভ...

হাঁটুন সুস্থ থাকুন....!

ছবি
হাঁটুন সুস্থ থাকুন গবেষকদের দাবি, যে সব মানুষের চলার গতি কম, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আবার যাদের চলার গতি একটু বেশি, তাদের হার্ট সবল। স্বাভাবিকভাবেই এমন মানুষের আয়ুও বেশি। আধুনিক জীবনে মানুষের ব্যস্ততা অনেক। এর জন্য খাওয়া দাওয়া হোক বা ঘুম, কোনো কিছুই আর ঘড়ির কাঁটা মেনে চলে না। এই অনিয়মিত জীবনযাপনই ডেকে আনছে বিপদ। যা প্রতিফলিত হচ্ছে মানুষের হাঁটাচলায়। জীবন থেকে প্রায় উধাও হয়ে যাচ্ছে হাঁটা। অল্প বয়সেই শরীরে জাঁকিয়ে বসছে প্রাণঘাতী সব রোগ। কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বাড়ছে। গবেষকদের দাবি, অতিরিক্ত জাঙ্কফুড অল্প বয়সে মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। তার অন্যতম কারণ হাঁটা কমিয়ে দেয়া। কারণ না হাঁটলে দ্রুত দুর্বল হতে থাকে হার্ট। প্রায় সাড়ে চার লাখ মধ্যবয়সী মানুষের ওপর গবেষণায় চালায় ইউরোপের হার্ট জার্নাল। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয় ১-২ বছরের মধ্যে। যার মধ্যে দেড় হাজারের বেশি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এদের হাঁটাচলার গতি বেশ মন্থর ছিল। অনেকের আবার প্রথমে গতি ঠিক থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা কমে আসে। কিন্তু ...

পেটের বাড়তি চর্বি ভুড়ি কমাবার জন্যে রইলো কিছু কার্যকর টিপস চর্বির উপকার বা ক্ষতিকর দিগদিগন্ত.....

ছবি
জীবনে একটি অমূল্য সম্পদ তাই সুন্দর এবং সুস্থ জীবন পেতেহলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারলে বারতি কিছু দিন বেঁচে থাকার জন্য অাজকের লেখা। লেখাটি অাপনার জীবনের অালকে বারতি কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তা রাখবে বলে অামি মনেকরী।চর্বি কি...?চর্রি কত প্রকার...? চর্বিযুক্ত শরীর থেকে কি ভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব...? অনেকেই মনে করে রক্তে চর্বি থাকা মানেই ক্ষতি, তা কিন্তু নয়। স্বাভাবিক জীবন প্রক্রিয়ার জন্যই রক্তে চর্বি থাকা জরুরি। কিন্তু এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর বাঁচাতে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় রাখা দরকার। চর্বি না তৈলাক্ত  খাবার খাওয়া হয় তবে এই অতিরিক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল ধমনির দেয়ালে জমাট বেঁধে প্লাক তৈরি করে এবং রক্ত চলাচলে বাধা দেয়। ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। যেমন : উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের নানা ধরনের অসুখ, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি। সাধারণত দুই ধরনের কোলেস্টেরল আছে।...

প্রতিদিন মেথি খেলে উপকার কি..? মেথির স্বাস্থ্য গুন কি...?

ছবি
বাংলার ঘরে ঘরে অতি পরিচিত মসলা মেথি,  বাঙ্গালীর পাঁচফোরন বলতে মেথি মিশ্রিত পাঁচ প্রকার মসলা বিশেষ কে বুঝেথাকে। ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, মেথি  অসুখগুলো দূর করে থাকে। বয়স বা বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি শ্রেষ্ঠ পথ্য ঔষধ বলে বিবেচিত। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু থেকে মুক্তিমেলে,  তাই মেথি নিয়ে  অাজকের এই লেখা।  মেথি অামাদের শরীরের পরজীবী  বিশেষত কৃমি দুর করে থাকে বলে বিবেচিত । মেথি নিয়মিত  ব্যাবহার রক্তের চিনির মাত্রা কমে এছাড়া  মেথি রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রাও কমিয়ে থাকে। ডাক্তার  ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদরোগ এর রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দিয়েথাক...

থানকুনি পাতার ঔষধী গুনাগুন..!ভেষজ দাওয়াই থানকুনি

ছবি
থানকুনি: অতি পরিচিত গ্রামে গঞ্জে বাঙ্গালীর জীবনে বিভিন্ন পথ্য তৈরীতে এবং হারবালঔষধে ব্যাবহার হয়ে অাসছে থানকুনি পাতা। থানকুনি বিভিন্ন সংস্কৃত গ্রন্থে ব্রাহ্মী উদ্ভিদ নামে পরিচত । থানকুনির সিক্ত পতিত জমি বা জায়গাতে কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই আগাছা হিসাবে জন্মে থাকে । থানকুনির পাতা পেটের সমস্যা  ,জ্বর, মূত্রবর্ধক, কোস্ট এবং ফুসকুড়িতে জন্য বাইরে প্রয়োগ করা হয় । দীর্ঘায়ু এবং মানসিক কার্যকারিতা , ক্লান্তি এবং বিষণ্নতা হ্রাস এবং লিঙ্গ উদ্দীপিত করে । এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের শক্তি বর্ধক এবং সংবহনতন্ত্র এর স্থায়িভাবে স্ফীত বা বর্ধিত শিরা কমাতে সাহায্য করে । এটা ছাড়াও চামড়া এবং সংযোজক টিস্যু রিপেয়ারিং এবং মসৃণকরণ ভূমিক রাখে । থানকুনির সক্রিয় উপাদানের Bacoside A এবং B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষের জন্য উপকারী । ফলস্বরূপ থানকুনি মানসিক নির্মলতা, আস্থা, বুদ্ধিমত্তা উন্নত করনে ভূমিকা রাখে । থানকুনি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ছাত্রদের ও বয়স্ক মানুষ এর স্মৃতি শক্তি উন্নত হয় ।Asiaticosides reticuloendothelial সিস্টেম যেখানে নতুন রক্ত কোষ গঠিত হয় ও পুরাতন রক্ত কোষ ধ্বংস হয় ।...