পোস্টগুলি

হাঁপানি কি.....? এর চিকিৎসা কি...?

ছবি
শ্বাসকষ্ট মানেই কিন্তু অ্যাজমা নয়। অ্যাজমা ছাড়াও আরও নানান কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যেমন- হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হতে পারে, যাদের রক্তশূন্যতা আছে, তাদের হতে পারে এছাড়াও কিডনি রোগের ক্ষেত্রেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এ্যাজমা বা হাঁপানি নিয়ে ভুলধারনা প্রচলিত অাছে মনে রাখুন যে ধুলা কিন্ত হাঁপানির কারণ নয়। যদি কারণই হবে, তাহলে সব মানুষের ধুলা তে শ্বসকষ্ট হচ্ছে না কেন? এর থেকে বুঝা গেলো ধুলা হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালীর ভিতর লুকিয়ে থাকা রোগকে প্রকাশ করে মাত্র। কারণ হিসাবে উত্তেজক বা ট্রিগার ফ্যাক্টরগুলিকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উত্তেজকের উপর নির্ভর কারে হাঁপানি বা এ্যাজমা সাধারণত নিম্ন ধরনের- * এ্যালার্জির কারনে এ্যাজমা। * ভাইরাস সংক্রমণের কারনে এ্যাজমা। * ব্যায়ামের কারণে এ্যাজমা। * পেশাগত কারণে এ্যাজমা। * আবহাওয়ার কারণে এ্যাজমা। * ঔষধের কারনে এ্যাজমা। * মানসিক চাপ-এর কারণে এ্যাজমা। এ্যালার্জির কারনে এ্যাজমাঃ এই ধরনের এ্যাজমা সবচেয়ে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এই এ্যাজমা সাধারণত অল্প বয়সে শুরুহয় এবং বংশান...

রক্তে চর্বি চিকিৎসা এবং গাইড লাইন...

ছবি
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও আরও কিছু রোগ আছে-যার জন্য রোগীর মধ্যে তেমন কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না। তেমনই একটি রোগ ডিসলিপিডেমিয়া। আমাদের দেহের রক্তের মধ্যে অনেক উপাদান রয়েছে যার মধ্যে লিপিড (চর্বি) একটি অন্যতম উপাদান এবং এটি শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। লিপিডের মৌলিক উপাদান ৪টি। কলেস্টেরল, হাইডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, লোডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন এবং ট্রাইগ্লিসেরাইড। এই উপাদানগুলো রক্তের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার মধ্যে থাকে। যদি কোনো কারণে যে কোনো একটি উপাদান বেশি অথবা কম হয় তখনই তাকে বলে ডিসলিপিডেমিয়া। মোটা মানুষের শরীরে চর্বি বা মেদ বেশি এটি সত্য। তাই বলে মোটা হলেই যে তার শরীরে লিপিড বেশি থাকবে এটি ঠিক নয়। পক্ষান্তরে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ওজনের মানুষ ডিসলিপিডেমিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। অথাৎ লিপিডের পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। অনেকের চোখের উপরের পাতার বা নিচের পাতায় চর্বি জমে ফুলে থাকে- এটিকে জ্যানথেল অ্যাজমা বলা হয়। রক্ত পরীক্ষা করলে তাদের রক্তে অনেক সময় কলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। কারণঃ ডিসলিপিডেমিয়ার সঠিক কারণ আজও জানা যায়নি। তবে জেনেটিক, বংশগত বা পারিবা...

শীতে প্রতিদিন গোসল করা কি ঠিক ?

ছবি
অাচ্ছা শীতে প্রতিদিন গোসল করবো নাকি করবো না সে চিন্তায় বেশ খানিকটা সময় ব্যয় হয়। এসবের সঙ্গে আরো একটা চিন্তা থাকে ঠান্ডা পানিতে গোসল হবে নাকি গরম পানিতে ? সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালের গোসল করা না করা নিয়ে বেশি চিন্তিত হবার দরকার নেই, রোজ রোজ গোসল করারও দরকার নেই। পুরো এই মৌসুমজুড়ে সপ্তাহে দুই দিন বা তিনদিনে একদিন গোসল করলেই যথেষ্ট। এতে ত্বকও যেমন ভালো থাকবে আবার শরীরও গোসলের উপকারিতা পাবে। জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের বলা কারণগুলো। যেসব আপনাকে সহায়তা করবে পরিবারের লোকজনের রোজ রোজ গোসল করতে বলার তাড়া থেকে বাঁচার উপায় বের করতে। বিশেষজ্ঞরাই বাতলেছেন সেসব উপায়। তাদের বক্তব্য প্রয়োজন ছাড়াই রোজ রোজ গোসল করি আমরা। দেখে নিন শীতকালে রোজকার গোসলে শরীরের কি কি ক্ষতি হয়। বোস্টনের ত্বক বিশেষজ্ঞ ড. রানেল্লা হিরচ কারণ দর্শান রোজদিন গোসল না করার পক্ষেই। তার মতে, নোংরা থাকার হাত থেকে রক্ষার জন্য নয় বরং সামাজিক আচার থেকেই মানুষ রোজদিন গোসল করে। গবেষণা বলছে আমাদের ত্বক নিজেই নিজেকে পরিষ্কার করে। যদি আপনি জিম না করেন এবং গরম কালের মতো না ঘামেন অথবা এমন কোনো কাজ না করে...

পিঁয়াজের রস নতুন চুলগজাতে সাহায্য করে....!

ছবি
বাংলাদেশে খাদ্য তালিকায় পিঁয়াজ একটি মৌলিক উপকরণ,ঔষধ হিসাবে পিঁয়াজের ব্যবহার সুপ্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ন। পিঁয়াজ আদিকালে কলেরা ও প্লেগ রোগের প্রতিশেধক হিসাবে ব্যবহৃত হতো। এটি বর্ষজীবি কন্দ জাতীয় ফসল। পিঁয়াজে এক প্রকার উদ্বায়ী তেল এবং বিভিন্ন প্রকার সালফার যৌগ যেমন-মনো, ডাই, ট্রাই এবং টেট্রাসালফাইড থায়োল এবং থায়োফেন ডেরিভেটিভস পাওয়া যায়। পিঁয়াজে বিদ্যমান অ্যালাইল প্রোপাইল ডাইসালফাইড ঝাঁঝ তৈরী করে। পিঁয়াজে থাকে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, অ্যামাইনো এসিড, পলিফেনল, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি, স্যাপোনিন, বিটা-অ্যামিন, স্টেরল, ফেনলিক এসিডস, ক্যাটেচল, ফলিক এসিড, প্রোটোক্যাটেচুয়িক এসিড, হজম যোগ্য আঁশ ইত্যাদি। একটি বড় পিঁয়াজে ৮৬.৮ শতাংশ পানি, ১.২ শতাংশ প্রোটিন, ১১.৬ শতাংশ শর্করা জাতীয় পদার্থ, ০.১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ০.০৪ শতাংশ ফসফরাস ও ০.৭ শতাংশ লোহা থাকে। পিঁয়াজ রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (খউখ)-এর পরিমাণ কমায়। তাই অনেক কার্ডিওলজিস্টই রোগীদের নিয়মিত পিঁয়াজ খেতে পরামর্শ দেন । বিশেষ করে হার্টের ডাক্তার ভিক্টর ও গুডউইচ তাঁর রোগীদের প্রতিদিন অন্তত একটি করে পিঁয়াজ খাওয়ার উপদেশ দেন। পিঁয়...

স্তন ছোট এখন বড় করার উপায় কি...? ব্রেস্ট বড় করার উপায় কি ?

ছবি
ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন ক্রিম বা ঔষধ এর প্রয়জন নেই। অতি সাধারন প্রকৃয়ায় অাপনার ব্রেস্ট পারফেক্ট সাইজ করতে পারেন। উত্তরঃ১. নিয়মিতভাবে গোসল করার পুর্বে সরিষার তেল হালকা গরম করে অথবা খাঁটি মধু হাতে নিয়ে ১৫-২০মিনিট ম্যাসাজ করলেই মাস খানেক এর মধ্যে খুব ভাল ফলাফল পাবেন। ২. ব্রেস্ট বড় হওয়ার ম্যাসাজ এর জন্য, ৩৪-৩৬ সাইজ হল পারফেক্ট সাইজ । ৩. আসলে কোন পিল বা ক্রিম ব্যাবহার করলে ব্রেস্ট বড় হবে মনেকরা বা এমন ধারনা ভুল। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে অাপনার এসব ঔষধ ও ক্রিম ব্যাবহার করার ফলে। ব্রেস্ট নারীদেহের একটি গুরুপ্ত পূর্ন অংশ। স্তন নিয়ে নর-নারী উভয়েরই ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এর অনেক তথ্যই আমাদের অজনা।আজ আমরা স্তন সম্পর্কিত সেই রকম ৮ টি অজনা তথ্য জানবো। ১. প্রতিটি সাধারণ আকৃতির স্তনের ওজন প্রায় ৪৯৮ গ্রাম, এবংদেহের মোট চর্বির ৪-৫ শতাংশ চর্বি দিয়ে স্তন গঠিত। যাদের স্তন বেশ বড় তারা স্তনেরওজনের জন্য সামনের দিকে একটু ঝুঁকে পড়েন। ২. পুরুষাঙ্গের মতই স্পর্শ পেলে স্তনের (স্তনবৃন্ত সহ) আকার বেড়ে যায়। ৩. যৌনতায় উত্তেজিতস্তনবৃন দের দৈর্ঘ্য ০.৯৬ সেমি। ৪. আমাদের দেশ...

শিশুদের শৈশবকালীন ডায়াবেটিসে অাক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায় কারন বা প্রতিকার কি...?

ছবি
ডায়াবেটিস অাজ এক খুবই পরিচিত রোগের নাম।শিশু কিশোর, যুবক, নারী, পুরষ, প্রবীণ সকলেই ডায়াবেটিস রোগের কারনে অাজ নিয়ন্ত্রিত জীবন বেছে চলতে হয়। অাজ অালোচ্য বিষয় শৈশবকালীন ডায়াবেটিস নিয়ে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ১০ বছর বা তার উর্ধের বয়সের শিশুদের শৈশবকালীন ডায়াবেটিসে অাক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়। অাবার ইউরোপে পাঁচ বছরের নিচের বয়সীদেরও এই রোগে অাক্রান্ত হতে দেখা যায়। মূলত এক থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে ডায়াবেটিসে অাক্রন্ত হলেই তাকে শৈশবকালীন ডায়াবেটিস বলে। শৈশবকালীন ডায়াবেটিস বলতে মূলত টাইপ-১ ডায়াবেটিসকেই বোঝান হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসও হতে পারে। যদিও ডায়াবেটিস নিয়ে অনেক গবষনা হয়েছে এবং হচ্ছে, তারপরও শৈশবকালীন শিশুর ডায়াবেটিকসের প্রকৃত কারন এখনে অজানা। মূলত জিনগত কারনে কিছু ভাইরাস যেমন :মামস, মিসেলস,বুবেলা এর কারনেও শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। দেখা গেছে, যে সব শিশুর জন্মের তিন মাসের ভিতর মায়ের বুকের দুধ ছাড়া বাইরের দুধ খাওয়ানো হয়, তাদের মাঝেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়। এই রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে -হঠাৎ করে পানি বেশি খাওয়া বা পানির তৃষ্ণ...

গাজা কি মাদক না কি ঔষধ চমক দেখুন...?

ছবি
গাজা কি মাদক না কি ঔষধ...? পৃথিবীতে সর্বকালের সেরা মাদক যা শতভাগ স্বাস্থ্যকর। এটা ব্যথানাশক ঔষুধ হিসেবেও দারুন কার্যকর। ইতিমধ্যে এই গাঁজার মধুর খোঁজ পেয়ে গেছেন ইউরোপের মারিজুয়ানা ফোরামে সদস্যরা। তার এই মধু পেতে ধরর্ণা দিচ্ছেন রিকোলাসের দরজায়। চলতি বছরে গাজা নিয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণা হয়েছে। এরমধ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে গাজা রক্তচাপ সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রন করতে এবং এইচআইভি প্রতিহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয় কয়েক প্রকার ক্যান্সার নিরাময়েও পর্যন্ত গাজা ভালো ফল দেয়। বিশেষ করে যারা লিওকোমিয়ায় আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিনই চিকিৎসকরা অনুমোদন সাপেক্ষে গাজা ব্যবহার করে আসছেন। গাজা বৈধকরণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি রাজ্য। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে কলোরাডোতে প্রথম বৈধতা দেয়া হয়েছিল। এরপর কলোরাডোতে গাজা বৈধকরণের সফলতার পর অন্যান্য রাজ্যগুলোও ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। এর বাইরে নতুন করে চিলি তাদের দেশ গাজাকে শুধু বৈধতাই দেয়নি, প্রতিটি নাগরিক সর্বোচ্চ পাঁচটি গাজা গাছ লাগাতে পারবে সেই অনুমোদনও দিয়েছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, প্রাচীন ভ...